রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৬, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩

অপরাধে জড়িতদের অবিলম্বে বিতাড়িত করবে জার্মানি

আপডেট: ১৬ জুন ২০১৬, বৃহস্পতিবার ০৩:৪৩ পিএম

অপরাধে জড়িতদের অবিলম্বে বিতাড়িত করবে জার্মানি

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক

কোলনে বর্ষবরণ উৎসবে নারীদের ওপর যৌন নিপীড়নের ঘটনার জবাবে অপরাধে জড়িত বিদেশিদের অবিলম্বে দেশ থেকে বের করে দেওয়ার পরিকল্পনা জানিয়েছেন জার্মানির মন্ত্রীরা। এতে করে শরণার্থীদের জন্য জার্মানির ‘অবারিত দ্বার নীতি’ নিয়ে সংশয় আরও বাড়ল।

যৌন নিপীড়কদের শরণার্থীদের থেকে আলাদা করে তাদের দেশ থেকে বের করে দেওয়ার আইন আরও সহজ করার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে জার্মানি। জার্মান সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, “বর্তমান ঘটনাগুলোসহ যৌন নির্যাতনের সবগুলো ঘটনার জন্য দায়ী অপরাধীদের যথাযোগ্য শাস্তি দেওয়া হবে।”

বর্ষবরণ উৎসবে কোলনসহ জার্মানির আরও কয়েকটি শহরে যৌন নিপীড়ন ও চুরির ঘটনার পর এ সিদ্ধান্ত নিল জার্মান সরকার। প্রাথমিক তথ্য প্রমাণ ওই ঘটনার পেছনে উত্তর আফ্রিকা ও আরব দেশগুলো থেকে আসা শরণার্থীদের জড়িত থাকার ইঙ্গিত দিয়েছে।


বিচারমন্ত্রী হাইকো মাস বলেন, কেউই আইনের উর্ধ্বে থাকতে পারবে না। টুইটে মাস বলেন, মূলত বিদেশি অপরাধীদের বিতাড়িত করার পথ সহজ করতে এবং বিশেষ কিছু অপরাধ করলে তাদের শরণার্থীর তালিকা থেকে বাদ দিতেই সরকারের সংস্কার কার্যক্রম পরিচালিত হবে।”

“বিতাড়ন প্রক্রিয়া সহজ করার জন্য আমরা অপরাধ আইন আরও কড়াকড়ি করব।”

তবে সব অভিবাসীদের গণহারে দোষ দিয়ে তাদের উপর নজদারি করা উচিৎ হবে না বলেও মনে করেন মাস। ওদিকে সোমবার রাতেও কয়েকশ চরম ডান-পন্থি’ বিক্ষোভকারী রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেছে।
তারা রাস্তার পাশের ভবনগুলোতে ভাংচুর চালায় এবং যানবাহনে আগুন ধরিয়ে দেয়। বিক্ষোভকারীরা কোলনের ঘটনার জন্য জার্মানিতে আসা শরণার্থীদের দায়ী করে।


পুলিশের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, প্রায় ২৫০ বিক্ষোভকারী জানালা ভাংচুর করে, গাড়ি ও ডাস্টবিনে আগুন দেয় এবং আতশবাজি ছোঁড়ে। আতশবাজি থেকে একটি ভবনে আগুন ধরে যায়। এ ঘটনায় পুলিশ ২১১ জনকে আটক করেছে।

রোববার কয়েক জায়গায় শরণার্থীদের উপর হামলার ঘটনাও ঘটেছে। ২০১৫ সালে ১১ লাখের বেশি শরণার্থী জার্মানিতে আশ্রয় প্রার্থনা করেছে। কোলন কান্ডে এখন পর্যন্ত ৫৫৩টি অভিযোগ জমা পড়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তাদের মধ্যে ৪৫ শতাংশ যৌন নির্যাতনের শিকার হওয়ার অভিযোগ। কয়েকজন নারী ধর্ষণের শিকার হওয়ার অভিযোগও করেছে।

এ বিষয়ে মাস বলেন, জার্মানির বর্তমান আইনে ধর্ষণের ব্যাপারে খুব সামন্য ব্যাখ্যাই দেওয়া আছে।

“একজন নারীর কোন পর্যায়ের প্রতিরোধের পরও তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থপন করলে সেটি ধর্ষণ বলে বিবেচিত হবে সে বিষয়ে আইনে পরিস্কার কোনো উত্তর নেই।”

সোনালীনিউজ/ঢাকা/এমসুআ

add-sm
Sonali Tissue
রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৬, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩