সোমবার, ২১ মে, ২০১৮, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫

ভিজিএফ কর্মসূচি

ঈদের আগে ১০ কেজি করে চাল পাবেন দুস্থরা

নিজস্ব প্রতিবেদক | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ১৬ মে ২০১৮, বুধবার ০৩:০১ পিএম

ঈদের আগে ১০ কেজি করে চাল পাবেন দুস্থরা

ঢাকা : রমজান মাস ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিং (ভিজিএফ) কর্মসূচি শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। কর্মসূচির মাধ্যমে অতিদরিদ্র ও দুস্থদের বিনা মূল্যে ১০ কেজি করে চাল দেওয়া হবে। এ জন্য এক লাখ ১৫৩ দশমিক ৪৪০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দিয়ে সম্প্রতি সব জেলা প্রশাসককে চিঠি পাঠিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতর। এর মধ্যে ৪৯১টি উপজেলার জন্য ৮৮ হাজার টন চাল এবং ‘ক’, ‘খ’ ও ‘গ’ ক্যাটাগরির ৩২৮টি পৌরসভার জন্য ১২ হাজার ১৫৩ দশমিক ৪৪০ টন চাল রয়েছে। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, দুস্থ বা অতিদরিদ্র ব্যক্তি বা পরিবারকে এ খাদ্য সহায়তা দিতে হবে। তবে কর্মসূচিতে সাম্প্রতিক বন্যাক্রান্ত ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত দুস্থ ও অতিদরিদ্ররা অগ্রাধিকার পাবেন।

অধিদফতরের বরাদ্দপত্রে বলা হয়েছে, জেলা প্রশাসকরা ভিজিএফ বরাদ্দের বিষয়ে নিজ নিজ এলাকায় সংসদ সদস্যদের ‘অবহিত করবেন’। একই সঙ্গে দুস্থদের সংজ্ঞা নির্ধারণ করে দিয়ে অধিদফতর বলছে, বরাদ্দ করা খাদ্যশস্য আগামী ১৪ জুনের মধ্যে তুলে ঈদের আগেই বিতরণ করতে হবে। চাল বিতরণ শেষ করার সাত দিনের মধ্যে ব্যয়ের প্রতিবেদন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরে পাঠাতে হবে।

পাশাপাশি ভিজিএফ উপকারভোগী বাছাইয়ে ২০১১ সালের জনসংখ্যা গণনা অনুযায়ী ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডভিত্তিক বরাদ্দ করা ভিজিএফ কার্ডের সংখ্যা পুনঃবিভাজন করে তালিকা তৈরি করতে হবে। উপকারভোগী নির্বাচনের ক্ষেত্রে কমপক্ষে ৭০ শতাংশ নারীর অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে হবে। এর ব্যত্যয় হলে সংশ্লিষ্ট জেলা পুনর্বাসন কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তারা দায়ভার বহন করবেন বলেও অধিদফতরের নির্দেশনায় জানানো হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সরকারের বেঁধে দেওয়া ১২ শর্তের মধ্যে চারটি পূরণ করে এমন ব্যক্তি বা পরিবারকে দুস্থ হিসেবে গণ্য করে সহায়তা দিতে হবে। অধিদফতরের ১২টি শর্ত হচ্ছে- ভূমিহীন বা বাস্তুভিটাহীন পরিবার, দিনমজুরের আয়ের ওপর নির্ভরশীল, নারীশ্রমিকের আয় বা ভিক্ষাবৃত্তির ওপর নির্ভরশীল, পরিবারে উপার্জনক্ষম পূর্ণ বয়স্ক কোনো পুরুষ সদস্য নেই, পরিবারে স্কুলগামী শিশুকে উপার্জনের জন্য কাজ করতে হয়, পরিবারে উপার্জনশীল কোনো সম্পদ নেই, পরিবারের প্রধান স্বামী পরিত্যক্ত, বিচ্ছিন্ন বা তালাকপ্রাপ্ত নারী।

এ ছাড়া পরিবারের প্রধান অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা, অসচ্ছল ও অক্ষম প্রতিবন্ধী, পরিবার কোনো ক্ষুদ্রঋণ পায়নি, প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার হয়ে চরম খাদ্য বা অর্থ সঙ্কটে পড়েছে এবং সদস্যরা বছরের বেশিরভাগ সময় দুবেলা খাবার পায় না- এমন পরিবার।

সোনালীনিউজ/এমটিআই

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Get it on google play Get it on apple store
Sonali Tissue