বৃহস্পতিবার, ২৪ মে, ২০১৮, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫

এক যুগে সর্বনিম্নে তেলের বাজার  

আপডেট: ১৬ জুন ২০১৬, বৃহস্পতিবার ০৩:৩৪ পিএম

এক যুগে সর্বনিম্নে তেলের বাজার
 

সোনালীনিউজ ডেস্ক
নতুন বছরেও তেলের দর পতন অব্যাহত রয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত ব্র্যান্ট তেলের ব্যারেলপ্রতি দর ৩৫ ডলারের নিচে নেমে এসেছে। এটি প্রায় গত একযুগের মধ্যে তেলের সর্বনিম্ন বাজার দর।
ডিসেম্বরের তুলনায় আরও ৪.২ শতাংশ দর কমে ব্র্যান্ট তেলের দর নেমে ৩৪.৮৮ ডলারে নেমে গেছে। ২০০৪ সালের ১ জুলাইয়ের পর এটিই তেলের সর্বনিম্ন দর। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তেলের দর ৩.৩ শতাংশ কমে ৩৪.৭৭ ডলারে গিয়ে দাঁড়িয়েছে।
সোমবার ইরানের সঙ্গে সৌদি আরবের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণার পর তেলের দর কিছুটা বেড়ে যায়। সম্পর্ক ছিন্ন করার ফলে তেলের সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটবে বলে ধারণা করা হয়েছিল। কিন্তু তেল উৎপাদকারী দেশসমূহের সংগঠন ওপেকের পক্ষ থেকে নির্ধারিত কোটা অনুয়ায়ী তেল উৎপাদনের ঘোষণা পুনর্ব্যক্ত করায় তেলের বাজারে ফের পতন দেখা দিয়েছে।
সাধারণত তেলের দর কমে গেলে সরবরাহ কমিয়ে দর ঠিক রাখা হয়। কিন্তু ওপেকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী দেশ সৌদি আরব এবার তেল উৎপাদন কমিয়ে আনার বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করেছে।
তেলের উৎপাদন ও সরবরাহ বৃদ্ধির ফলে ২০০৪ সালের মাঝামাঝিতে তেলের যে দর ছিল তার ৭০ শতাংশ দরের পতন হয়েছে। এ ছাড়া বিশ্বের দ্বিতীয় অর্থনৈতিক দেশ চীন এবং ইউরোপের দেশসমূহে অর্থনীতির শ্লথ গতির কারণেও তেলের চাহিদা আগের তুলনায় কমেছে।
তবে তেলের দর আরও কমে ২০ ডলারে নেমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে গোল্ডম্যান স্যাকস। অবশ্য ওপেকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আগামী ২০২০ সালে ৭০ ডলারে পৌঁছবে তেলের দর।
যদিও বেশির ভাগ বিশ্লেষকের ধারণা, চলতি বছরের দ্বিতীয়ার্ধে তেলের বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে। এ সময়ের মধ্যে ওপেক বহির্ভূত দেশসমূহের তেলের উৎপাদন কমে যাবে। কিন্তু তেলের চাহিদা বেড়ে যাবে। চাহিদা বাড়ার কারণেই দর বাড়বে। সূত্র : বিবিসি

 

সোনালীনিউজ/এমএইউ