বুধবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ১০ মাঘ ১৪২৫

ওয়াক্বফের সুফলে জাতীয় উন্নয়নে ভুমিকা রাখা সম্ভব: আরাস্তু খান

নিজস্ব প্রতিবেদক | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ১৩ জানুয়ারি ২০১৮, শনিবার ০৯:৫৪ এএম

ওয়াক্বফের সুফলে জাতীয় উন্নয়নে ভুমিকা রাখা সম্ভব: আরাস্তু খান

ঢাকা: ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের দুই দিনব্যাপী ব্যবসায় উন্নয়ন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

ব্যাংকের বোর্ড অব ডাইরেক্টরসের চেয়ারম্যান আরাস্তু খান প্রধান অতিথি হিসেবে সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ও প্রধান নির্বাহী মো. আবদুল হামিদ মিঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অডিট কমিটির চেয়ারম্যান ড. মো. জিল্লুর রহমান, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান হেলাল আহমদ চৌধুরী ও ডাইরেক্টর সামীম মোহাম্মদ আফজাল।

স্বাগত বক্তব্য দেন এডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. মাহবুব-উল-আলম। অনুষ্ঠানে ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর, প্রধান কার্যালয়ের উর্ধ্বতন নির্বাহী, জোন প্রধান ও শাখা ব্যবস্থাপকগণ অংশগ্রহন করেন।

ব্যাংকের চেয়ারম্যান আরাস্তু খান প্রধান অতিথির ভাষণে বলেন, জাতীয় পরিকল্পপনার অংশ হিসেবে ইসলামী ব্যাংক সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোলস (এসডিজি) অর্জনে সরকারের সহায়ক হিসেবে কাজ করছে। আর এ লক্ষ্যেই ২০১৮ সালে ইসলামী ব্যাংকের প্রতিপাদ্য বিষয় এচিভিং সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট।

তিনি বলেন, প্রযুক্তির উৎকর্ষতার সাথে সামঞ্জস্য রেখে আমরা আই-ব্যাংকিং, মোবাইল ব্যাংকিং, এজেন্ট ব্যাংকিং, এমক্যাশ, এটিএম ও আইডিএম সার্ভিসের ক্ষেত্রে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছি। ইসলামী ব্যাংকের ওয়াক্বফ ক্যাশ ডিপোজিট অ্যাকাউন্টকে জনপ্রিয় করার মাধ্যমে দেশের গরীব, দুঃস্থ ও বঞ্চিত মানুষের জীবনমান উন্নয়নে অবদান রাখতে তিনি কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।

আরাস্তু খান বলেন, ওয়াক্বফের সুফল ও কার্যকারিতার মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়নে ভুমিকা রাখা সম্ভব। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক অন্তর্ভূক্তি নীতিমালার আলোকে ইতোমধ্যে এজেন্ট ব্যাংকিং চালু করা হয়েছে এবং এ বছর আরও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেয়া হবে। যার মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংক গ্রামীণ পশ্চাদপদ জনপদের মানুষকে জাতীয় উন্নয়নের মূলস্রোতে আনতে কাজ করবে। অব্যাহত সহযোগিতা কামনা করে তিনি বাংলাদেশ সরকার, বাংলাদেশ ব্যাংক, সকল নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ, বোর্ড অব ডাইরেক্টরস, শেয়ারহোল্ডার, আমানতকারী, ব্যবসায়ী অংশীদার এবং শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ও প্রধান নির্বাহী মো. আবদুল হামিদ মিঞা সভাপতির ভাষণে বলেন, ইসলামী ব্যাংক সুশাসনের মডেল। এর স্বীকৃতি স্বরুপ গত বছর দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছি।

তিনি বলেন, ব্যাংকের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে বিনিয়োগের বহুমুখীকরণ, আমানত সংগ্রহে বিকল্প ও উদ্ভাবনীমুলক কৌশল অলম্বন করতে হবে। তিনি ব্যাংকের সকল স্তরের কর্মকর্তাদের আরও বেশি আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করার নির্দেশ দেন।

মো. আবদুল হামিদ মিঞা বলেন, এ ব্যাংকের কল্যাণমুখী ও মানসম্মত সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে।


সোনালীনিউজ/ঢাকা/আকন