সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর, ২০১৬, ২১ অগ্রাহায়ণ ১৪২৩

কবি রফিক আজাদের প্রতি সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা

আপডেট: ১৬ জুন ২০১৬, বৃহস্পতিবার ০৩:৫৬ পিএম

কবি রফিক আজাদের প্রতি সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা

সোনালীনিউজ ডেস্ক

একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি ও মুক্তিযোদ্ধা রফিক আজাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন সর্বস্তরের মানুষ।

সোমবার সকাল দশটায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নিয়ে আসা হয় বরেণ্য কবির মরদেহবাহী কফিন। এ সময় সঙ্গে ছিলেন তার স্ত্রী, দুই সন্তানসহ অসংখ্য শুভাকাঙ্ক্ষী। এরপর কবিকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। একে একে শ্রদ্ধা জানান কবি পরিবার, সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবীসহ অসংখ্য সাধারণ মানুষ।

তাঁর চলে যাওয়া দেশের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি মন্তব্য করে সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেন, সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে রফিক আজাদ কাজ করে গেছেন আজীবন।

মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে দুপুরে নিয়ে যাওয়া হয় বাংলা একাডেমিতে। পরে সেখান থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে নেয়া হয় জানাজার জন্য। জানাজার শেষে বাদ জোহর মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করার কথা রয়েছে।

সোমবার সকাল ১০টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মরদেহ গ্রহণ করেন সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নাসির উদ্দিন ইউসুফ, জাতীয় কবিতা পরিষদের সভাপতি ড. মুহাম্মদ সামাদ।

প্রথমে পরিবারের পক্ষ থেকে রফিক আজাদের মরদেহে শ্রদ্ধা জানান তার স্ত্রী দিলারা হাফিজ, ছেলে রাহুল আজাদ, অভিন্ন আজাদ ও অব্যয় আজাদ এবং কবির ভাই নুরুল ইসলাম খান।

মুক্তিযুদ্ধে কবি রফিক আজাদের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সকাল ১০টা ২০ মিনিটে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয় এবং তার কফিনে জাতীয় পতাকা জড়িয়ে দেওয়া হয়।

রফিক আজাদের শেষযাত্রার আয়োজনের বিষয়ে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ বলেন, সোমবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জোটের পক্ষ থেকে  তার নাগরিক শ্রদ্ধানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

গোলাম কুদ্দুছ জানান, বাংলা একাডেমির নজরুল মঞ্চে দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত শ্রদ্ধা নিবেদন পর্ব শেষে জোহরের নামাজের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে রফিক আজাদের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

এদিকে মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় বাংলা একাডেমি ও জাতীয় কবিতা পরিষদের যৌথ আয়োজনে একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে কবি রফিক আজাদ স্মরণে নাগরিক শোকসভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক।

দীর্ঘ দুই মাস বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থেকে শনিবার দুপুর ২টা ১৩ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন একুশে পদকপ্রাপ্ত এ কবি। তার মরদেহ রাজধানীর বারডেম হাসপাতালের হিমাগারে রাখা হয়।

সোনালীনিউজ/আমা

add-sm
Sonali Tissue
সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর, ২০১৬, ২১ অগ্রাহায়ণ ১৪২৩