শনিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৬, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩

তারেকের আবেদনে রায় ১৬ মার্চ

আপডেট: ১৬ জুন ২০১৬, বৃহস্পতিবার ০৩:৫৪ পিএম

তারেকের আবেদনে রায় ১৬ মার্চ

সোনালীনিউজ ডেস্ক

বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক হুমায়ুন কবির সাব্বির হত্যাকাণ্ড ধামাচাপা দিতে তারেক রহমানসহ কয়েকজনের ঘুষ নেওয়ার মামলা বাতিল হবে কি না- তা জানা যাবে ১৬ মার্চ।

জরুরি অবস্থার সময় দুদকের দায়ের করা ওই মামলা বাতিল চেয়ে তারেকসহ চার আসামির আবেদনের ওপর শুনানি শেষে মঙ্গলবার বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি মাহমুদুল হকের হাই কোর্ট বেঞ্চ রায়ের এই দিন ঠিক করে দেয়।  

খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক ছাড়া বাকি তিন আবেদনকারী হলেন- সাবেক চারদলীয় জোট সরকরের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক আবু সুফিয়ান ও ব্যবসায়ী কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল।

আদালতে তারেকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী ও ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন। সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার সানজীদ সিদ্দিকী। দুদকের পক্ষে শুনানি করেন খুরশীদ আলম খান।

পরে মাহবুবউদ্দিন খোকন বলেন, “তারেক রহমানের করা আবেদনের প্রেক্ষিতে রুলের ওপর শুনানি শেষ হয়েছে। আদালত ১৬ মার্চ রায়ের দিন রেখেছেন।”

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৬ সালের ৪ জুলাই বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক সাব্বির খুন হলে একটি হত্যা মামলা হয়।

ওই হত্যাকাণ্ড ধামাচাপা দিতে ২১ কোটি টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে ২০০৭ সালের ৪ অক্টোবর দুদকের উপ-পরিচালক আবুল কাসেম রমনা থানায় এই মামলা করেন, যাতে তারেক রহমানসহ ছয়জনকে আসামি করা হয়। ২০০৮ সালের ২৩ এপ্রিল ওই আট আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় দুদক। সে সময় জাতীয় সংসদ ভবনে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালতে ২০০৮ সালের ১৪ জুলাই আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। এরপর মামলা দায়ের ও অভিযোগ গঠনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টে আবেদন করেন তারেক রহমানসহ চারজন। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাই কোর্ট ওই বছরই রুল জারির পাশাপাশি মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে দেয়। ওই রুলের ওপর শুনানি শুরু হয় চলতি বছর। জরুরি অবস্থার সময় গ্রেপ্তার হলেও ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর জামিনে মুক্তি পেয়ে ‘চিকিৎসার জন্য’ যুক্তরাজ্যে যান তারেক। এর পর থেকে পরিবার নিয়ে তিনি সেখানেই আছেন।

সোনালীনিউজ/ঢাকা/আকন

add-sm
Sonali Tissue
শনিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৬, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩