রবিবার, ২৬ মার্চ, ২০১৭, ১১ চৈত্র ১৪২৩

থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত শিশুর জন্ম বছরে ৭ হাজার

সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ১৬ জুন ২০১৬, বৃহস্পতিবার ০৪:০১ পিএম

থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত শিশুর জন্ম বছরে ৭ হাজার

বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় সাত হাজার শিশু থ্যালাসেমিয়া রোগ নিয়ে জন্মগ্রহণ করে বলে জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. রেজাউল করিম কাজল।

শনিবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় তিনি এ তথ্য জানান। ফ্যামিলি ডে কেয়ার ও ডিএনএ সলিউশন লিমিটেড যৌথভাবে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

ডা. রেজাউল করিম কাজল বলেন, মারাত্মক বংশগত রোগ থ্যালাসেমিয়া সম্পর্কে সচেতনতা না থাকায় দিন দিন দেশে থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বাড়ছে। মা-বাবা এ রোগের বাহক হলে তাদের সন্তান থ্যালাসেমিয়া নিয়ে জন্ম নিতে পারে। যারা থ্যালাসেমিয়া রোগের বাহক তাদের কোনো উপসর্গ নেই। তাই তারা বুঝতে পারেন না।

তিনি জানান, দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ১০ শতাংশ অর্থাৎ প্রায় দেড় কোটি নারী-পুরুষ নিজের অজান্তে থ্যালাসেমিয়া রোগের বাহক। ১০ থেকে ১৫ বছর বয়সের মধ্যে অধিকাংশ থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত শিশু মারা যাচ্ছে।

ডা. কাজল বলেন, শুধু চিকিৎসার কথা বলে থ্যালাসেমিয়া রোগের বিস্তার রোধ করা সম্ভব নয়। থ্যালাসেমিয়া নিয়ন্ত্রণ করতে হলে সবাইকে সচেতন হতে হবে। মৃত্যু পরোয়ানা নিয়ে শিশুর জন্ম রোধ করতে হবে। পৃথিবীর অনেক দেশে বিয়ের আগে পাত্র-পাত্রীর থ্যালাসেমিয়া আছে কি না তা পরীক্ষা করা বাধ্যতামূলক।

ফ্যামিলি ডে কেয়ারের মহাসচিব শেখ রুহুল আমিন জয়ের সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ও বায়োটেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. শরীফ আখতারুজ্জামান, ইন্টারভেনশনাল রেডিওলজিস্ট ডা. সায়মা আখতার চৌধুরী প্রমুখ।

সোনালীনিউজ/ঢাকা/আকন

Sonali Bazar

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Get it on google play Get it on apple store
add-sm
Sonali Tissue
রবিবার, ২৬ মার্চ, ২০১৭, ১১ চৈত্র ১৪২৩