শনিবার, ০৩ ডিসেম্বর, ২০১৬, ১৯ অগ্রাহায়ণ ১৪২৩

দাম বেড়েছে চীনা পোশাকের, সম্ভাবনা বাংলাদেশের

বিশেষ প্রতিনিধি | সোনালীনিউজ অনলাইন
আপডেট: ১৬ জুন ২০১৬, বৃহস্পতিবার ০৪:০১ পিএম

দাম বেড়েছে চীনা পোশাকের, সম্ভাবনা বাংলাদেশের

বিশ্ববাজারে হঠাৎ করে চীনের তৈরি পোশাকের দাম বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশের জন্য নতুন রফতানি সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) কার্যালয়ে এক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, চীনের পোশাকের দর এক ডলার বাড়লে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের পোশাকের চাহিদা বাড়বে এক দশমিক ৩৬ শতাংশ।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, চীনের পোশাকের দর এক ডলার বাড়লে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের পোশাকের চাহিদা বাড়বে এক দশমিক ৩৬ শতাংশ। আর যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে চীনের পোশাকের সার্বিক মূল্য ১০ শতাংশ বাড়লে বাংলাদেশে এ খাতের কর্মসংস্থান ৪ দশমিক ২২ শতাংশ বাড়তে পারে।সেই সঙ্গে নিরাপত্তামানসহ কর্মপরিবেশের (কমপ্লায়েন্স) উন্নয়ন, উত্পাদনশীলতা, পণ্যের মান, লিড টাইম, বিশ্বাসযোগ্যতা, পণ্য ও বাজার বহুমুখীকরণে মনোযোগ দিতে হবে।

‘স্টিচেস্ টু রিচেস্ : এপারেল এমপ্লয়মেন্ট, ট্রেড এন্ড ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট ইন সাউথ এশিয়া’ শীর্ষক প্রতিবেদন বিআইডিএস ও বিশ্বব্যাংক যৌথভাবে প্রকাশ করে। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান, বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর কুইমিয়াও ফ্যান ছাড়াও অর্থনীতিবিদ ও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। বিআইডিএস মহাপরিচালক কেএসএস মুরশিদের পরিচালনায় প্রতিবেদনের বিষয়বস্তু উপস্থাপন করেন বিশ্বব্যাংকের লিড ইকোনমিস্ট গ্ল্যাডিস লোপেজ এইচভেডো।

সিপিডি’র নির্বাহী পরিচালক ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, চীন বিশ্ব পোশাকের বাজারে ৪০ শতাংশ নিয়ে প্রথম অবস্থানে রয়েছে। আর বাংলাদেশ ৬ দশমিক ৪ শতাংশ নিয়ে দ্বিতীয়।

অন্যদিকে টিপিপি’র (ট্রান্স প্যাসিফিক পার্টনারশিপ) কারণে বড় প্রতিযোগী ভিয়েতনাম যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবে। কিন্তু বাংলাদেশকে ১৫ শতাংশ শুল্ক পরিশোধ করতে হবে। এ বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখতে হবে।

বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির ৮৩ শতাংশই যায় ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে।পণ্য বহুমুখীকরণের অংশ হিসাবে কিছু উচ্চমূল্য সংযোজনের পণ্য রপ্তানি হচ্ছে। ২৮টি গ্রিন কারখানা চালু হয়েছে। আরো ১৮০টি সহসাই চালু হওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। 

ড. মসিউর রহমান বলেন, বাংলাদেশে কম মজুরির কথা বলা হলেও এই সুবিধা দীর্ঘস্থায়ী হবে না।

আলোচনায় অংশ নেন বিআইডিএস -এর গবেষণা ফেলো ড. নাজনীন আহমেদ, অর্থনীতিবিদ ড. জায়েদ বখ্ত, ঢাকা চেম্বারের সাবেক সভাপতি আসিফ ইব্রাহিম, এশিয়ান ফাউন্ডেশনের হাসান মজুমদার, এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের সভাপতি সালাউদ্দিন কাশেম খান।

সোনালীনিউজ/ ঢাকা/ জেডআরসি

add-sm
Sonali Tissue
শনিবার, ০৩ ডিসেম্বর, ২০১৬, ১৯ অগ্রাহায়ণ ১৪২৩