বুধবার, ২৩ আগস্ট, ২০১৭, ৮ ভাদ্র ১৪২৪

দেশকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র করছে খালেদা জিয়া : বাণিজ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ১৬ জুন ২০১৬, বৃহস্পতিবার ০৪:০১ পিএম

দেশকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র করছে খালেদা জিয়া : বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, নৈরাজ্য সৃষ্টি করে দেশকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র করছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া।

তিনি বলেন, একজন নেত্রী (শেখ হাসিনা) দেশের উন্নয়ন করছেন। আরেক জন নেত্রী (খালেদা) গোলযোগ সৃষ্টি করে দেশকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র করছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচার শিল্পকলা একাডেমীতে আওয়ামী যুবলীগ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন।

‘রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম ও বিশ্বে আজ ধ্রুবতারা রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা’’ গ্রন্থের সপ্তাহব্যাপী সংবাদচিত্র প্রদর্শণীর অংশ হিসেবে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মো. হারুনুর রশীদের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন, একাত্তর টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজ্জামেল বাবু, জিটিভির প্রধান বার্তা সম্পাদক ইকবাল কবির নিশান, যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী, আতাউর রহমান ও ফারুক হোসেন প্রমুখ।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের আজ বিস্ময়কর উত্থান হয়েছে। কিন্তু খালেদা জিয়া এ উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য ষড়যন্ত্র শুরু করেছেন। তার এক লোক মোসাদের সঙ্গে বৈঠক করে সরকার উৎখাত করার ষড়যন্ত্র করছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী না হলে, কোনো দিন বঙ্গবন্ধু হত্যা ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হতো না। আর বেগম খালেদা জিয়া স্বাধীনতা বিরোধী, যুদ্ধাপরাধীদের গাড়িতে জাতীয় পতাকা তুলে দিয়ে আমাদেরকে অপমাণিত করেছিলেন। কিন্তু শেখ হাসিনা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করে আমাদেরকে কলঙ্কমুক্ত করেছেন।

আওয়ামী লীগের প্রবীণ এই নেতা বলেন, এক-এগার’র সময় আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র হয়েছিল। কিন্তু আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধ ছিল। তাই নির্বাচনী ব্যবস্থা সংস্কারের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যা গরিষ্ঠতা অর্জন করে ২০০৮ সালের শেখ হাসিনা দলকে আবার ক্ষমতায় নিয়ে আসলেন।

১৯৮১ সালের স্মৃতি চারণ করে তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার পর ৩৩ মাস কারাগারে কাটিয়েছি। কারাগারে থেকেই সাংগঠনিক সম্পাদককের দায়িত্ব পেলাম। ১৯৮১ সালের সম্মেলন ঘিরে যে বিভক্তি হয়েছিলো তার ঐক্যের প্রতীক হিসেবে কাজ করেছে শেখ হাসিনা। সেদিনের সিদ্ধান্ত যে সঠিক ছিলো, তা নেত্রী প্রমাণ করেছেন বলেও জানান তিনি।

সোনালীনিউজ/ঢাকা/এমএইচএম

Sonali Bazar

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Get it on google play Get it on apple store
Sonali Tissue