রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর, ২০১৬, ২০ অগ্রাহায়ণ ১৪২৩

নিজেকে সুস্থ ও সুন্দর রাখুন ঘরোয়া উপায়ে

আপডেট: ১৬ জুন ২০১৬, বৃহস্পতিবার ০৩:৫৯ পিএম

নিজেকে সুস্থ ও সুন্দর রাখুন ঘরোয়া উপায়ে

সোনালীনিউজ ডেস্ক

ধনেপাতা, তুলসী, চন্দন বা হলুদ। এগুলো সাধারন উপকরণ হলেও এর মধ্যেই লুকিয়ে আছে ভাল থাকার হাজারো মন্ত্র। রূপচর্চা থেকে শুরু করে সুস্থ থাকতে ঘরোয়া এই উপকরণগুলোর কোনও বিকল্প নেই।

আমাদের দৈনন্দিন জীবনের নানা ধরনের ছোটখাটো অসুখেও এই উপকরণগুলোই আমাদের ফ্যামিলি ফিজিশিয়ান। তাই সুন্দর ও সুস্থ থাকার জন্য এই ঘরোয়া উপকরণগুলোকে আবিষ্কার করুন। কীভাবে এদের কাজে লাগিয়ে আপনি সুস্থ ও সুন্দর থাকবেন চলুন জেনে নিই।

কাঁচা হলুদ –
রূপচর্চার অন্যতম উপাদান হিসেবে প্রাচীন কাল থেকেই হলুদের কদর অনেক বেশি। হলুদে আছে অ্যান্টি-এজিং প্রপার্টি। বলিরেখা দূর করতে দুধের সাথে কাঁচা হলুদ মিশিয়ে মুখের ত্বকে লাগিয়ে নিন। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

নিয়মিত ব্যবহার করলে বলিরেখা দূর হয়। কাঁচা হলুদবাটা, বেসন, চালের গুঁড়ো, টক দই মিশিয়ে বাড়িতে স্ক্রাবার তৈরি করতে পারেন। সপ্তাহে তিন দিন মুখে লাগান। শুকিয়ে গেলে হালকা হাতে ঘষে ধুয়ে ফেলুন। ত্বক উজ্জ্বল ও মসৃণ হবে।

ব্রনের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে কাঁচা হলুদ বাটা, আঙুরের রস ও গোলাপজল মিশিয়ে ব্রনের উপরে লাগান। কিছুক্ষণ পরে ধুয়ে ফেলুন। হলুদ এন্টিসেপটিক হিসেবেও দারুন।

যাদের ত্বক সেনসেটিভ বা এলার্জিপ্রবণ, তাঁদের জন্য হলুদ খুব উপকারী। ব্রন বা ফোড়ার দাগ দূর করতে কাঁচা হলুদ ও নিমপাতা বাটা মিশিয়ে লাগান। দাগ আস্তে আস্তে মিলিয়ে যাবে।

চন্দন –
চন্দনে আছে অ্যান্টি-এজিং প্রপার্টি। চন্দন, মুলতানি মাটি ও গোলাপজল মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে নিন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে নিন। নিয়মিত লাগালে বলিরেখা কমে যাবে ও ত্বকও অনেক বেশি উজ্জ্বল হবে।

পিগমেন্টেশনের সমস্যা দূর করতে মুখে লালচন্দন বাটা লাগাতে পারেন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে নিন। অ্যাকনে দূর করতেও চন্দন অনেক ভাল। এক চামচ চন্দন গুঁড়ো, ডিমের সাদা অংশ ও পাতিলেবুর রস মিশিয়ে অ্যাকনের উপর নিয়মিত লাগান। কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলুন। কয়েকদিনের মধ্যেই তফাত বুঝতে পারবেন।

তুলসী পাতা –
হাত ও পায়ের কালো ছোপ দাগ দূর করতে তুলসী পাতার রস , মধু, ময়দা, কাঁচা হলুদ বাটা ও জাফরান মিশিয়ে লাগিয়ে নিন। শুকিয়ে গেলে হালকা যাতে সার্কুলার মুভমেন্টে ঘষে ধুয়ে ফেলুন। দাগছোপ ধীরে ধীরে কমে যাবে। বয়স বাড়লে অনেক সময় চামড়া কুঁচকে যায়। এই সময় তুলসী পাতার রস ও নারকেলের পানি মিশিয়ে নিয়মিত গায়ে লাগান। চামড়া টান টান থাকবে।

পুদিনা পাতা –
পুদিনাপাতায় আছে ম্যাঙ্গানিজ, ভিটামিন এ, ভিটামিন ডি। তাই পুদিনা পাতা ত্বকের জন্য খুব উপকারী। পুদিনাপাতা ও গোলাপের পাপড়ি একসঙ্গে পানিতে মিশিয়ে ফুটিয়ে নিন।

ঠাণ্ডা হলে তাতে লেবুররস মিশিয়ে ছেঁকে নিয়ে বোতলে ভরে ফ্রিজে রাখুন। গোসলের পরে সারা শরীরে লাগিয়ে নিন। ঘাম কম হবে। সানট্যানের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পুদিনাপাতা বেটে লাগান। ত্বকের কালো ছোপ কয়েকদিনের মধ্যেই দূর হয়ে যাবে।

ধনে পাতা –
ধনে পাতা রান্নায় তো স্বাদ বাড়ায়ই, রূপচর্চায়ও এর জুড়ি নেই। ধনে পাতায় ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ফসফরাস, ক্লোরিন আছে। তাই প্রাকৃতিক ব্লিচ হিসেবে খুব কার্যকর। রোজ রাতে শুতে যাওয়ার আগে ঠোঁটে ধনেপাতার রস দুধের সরের সাথে মিশিয়ে লাগান। একমাস ধরে লাগালে ঠোঁটের কালোভাব দূর হবে ও ঠোঁট কোমল হবে।

সোনালীনিউজ/ঢাকা/আকন

add-sm
Sonali Tissue
রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর, ২০১৬, ২০ অগ্রাহায়ণ ১৪২৩