শনিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১৭, ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৪

পৃথিবীতে বিক্রি হয় না এমন কিছুই নেই

জবি প্রতিনিধি | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ১৮ আগস্ট ২০১৭, শুক্রবার ১০:১৭ পিএম

পৃথিবীতে বিক্রি হয় না এমন কিছুই নেই

ঢাকা: দেশের বিশিষ্ট বিপণনতাত্বিক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেছেন, পৃথিবীতে বিক্রি হয় না এমন কিছুই নেই। আবার পৃথিবীতে অনেক ভালো কিছুর ক্রেতা নেই।

তিনি বলেন, অনেকেই মনে করেন উৎপাদন করলেই বোধ হয় কাজ শেষ। উৎপাদন করলেই যে বিক্রি হয়ে যাবে বিষয়টা এমন না। আবার অনেকেই মনে করেন কম খরচে স্বাস্থ্যবান কিছু বাজারে ছাড়লেই যে তা বিক্রি হবে তাও কিন্তু ঠিক না।

শুক্রবার (১৮আগস্ট) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে শিল্পের বিপণন: বিপণনের শিল্প শীর্ষক সংলাপে এসব কথা বলেন তিনি।

এসময় উপাচার্য বলেন, আমরা যখন কোনো পণ্য নিয়ে বাজারজাতকরণের কাজ করি, তখন বাজারের ক্রেতার চাহিদা অনুযায়ী বাজারকে বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত করতে হবে । অনেক সময় একটি পণ্য বাজারজাত করার সময় উৎপাদন খরচের চেয়ে মার্কেটিং খরচ বেশি রাখা হয়। কারণ তখন সেটি বেশি গুরুত্ব বহন করে।

পণ্য বাজারে ছাড়ার সময় সুনির্দিষ্ট করতে হবে কাদের জন্য পণ্যটি বাজারে ছাড়া হবে। এর প্রধান টার্গেটেট ক্রেতা কারা বুঝতে হবে। একই সঙ্গে সবার মন খুশি করার চিন্তা করলে সব এক সঙ্গে নষ্ট হয়ে যাবে। কারণ একই সঙ্গে সবার মন সন্তুষ্ট করা যায় না।

তিনি বলেন, একটি পণ্য উৎপাদনের আগে মনে রাখতে হবে আপনার সামর্থের কথা। যদি সামর্থ কম হয় আর আপনি সে সামর্থের দিকে গুরত্ব না দিয়ে, মন মত কাজে শুরু করেন। তাহলে এমন হতে পারে যে, মার্কেট ধরার আগেই আপনি মার্কেট থেকে ছিটকে পড়বেন। তাহলে সামর্থের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পণ্য উৎপাদন করতে হবে। এটাকে বলে পছন্দ সীমিতকরণ প্রক্রিয়া।

পণ্য বাজারে ছাড়ার জন্য পণ্যের ব্রান্ডিং এর উপর গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি।

জবি উপাচার্য বলেন, সবশেষে একজন বিক্রেতা বা কোম্পানির মালিককে বুঝতে হবে পণ্যটি বাজারে ছাড়ার জন্য সঠিক সময় কোনটি? ঠিক কোন সময় পণ্যটি বাজারে ছাড়লে ক্রেতা পাওয়া যাবে। এরপর বুঝতে হবে ঠিক কোন পরিবেশে বা কোন অঞ্চলে পণ্যটি ছাড়লে ক্রেতাদের নজরে লাগবে।

উদাহরন হিসেবে অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন,  ভারতে যখন আইপিএল চলে তখন আসলে ভালো কোন সিনামা বাজারে আসে না। কারণ তারা বুঝে এখন সবাই ক্রিকেটে  ব্যাস্ত। তাই হয়তো ক্রিকেট মৌসমটা এড়িয়ে চলা হয়।

এসময় সংলাপে আরো উপস্থিত ছিলেন, মননের সভাপতি ড. সেলিম মোজাহার, কার্য নির্বাহী মাহবুব মাসুম, ঢাকা বিশ্বিবিদ্যালয় চারুকলা অনুষদের ডিন ড. নেসার আলী , জবি প্রক্টর ড. নুর মোহাম্মদ, জবি ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ চেয়ারম্যান জুনায়েদ আহমেদ হালিম, চলচ্চিত্র নির্মাতা মসিহ্ উদ্দীন সাকের, চিত্র সমালোচক মঈন উদ্দীন খালেদ, মিডিয়াব্যক্তিত্ব মহিদুল ইসলাম সাচ্ছু, জবি বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শরীফ সিরাজ, মনোবজ্ঞিান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. অশোক কুমার সাহা, অধ্যাপক ড. কাজী সাইফুদ্দীন, সহকারী অধ্যাপক কিশোর রায় প্রমুখ।

সোনালীনিউজ/ঢাকা/এমএইচএম

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Get it on google play Get it on apple store
Sonali Tissue