রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর, ২০১৬, ১৯ অগ্রাহায়ণ ১৪২৩

ফল্গু বসু’র তিনটি কবিতা

আপডেট: ১৫ জুন ২০১৬, বুধবার ১২:০৯ পিএম

ফল্গু বসু’র তিনটি কবিতা

অনুভবপত্র

অন্তঃশ্রবণে পরিণয় দ্বিধাগ্রস্ত
পাড়া বেড়াবার যায়গাও আর নেই
যোগাযোগ দেখে গ্রহণ হয়েছে ক্ষিপ্ত
আমাকে জানাও কতদুর যাবে ভাই ?

এইতো সামনে সেতু ও সড়ক খোলা
বৃথা আত্মতৃপ্ত হলে হারাবেই ছন্দ
সংক্ষেপে লেখো পাপের জীবনীগ্রন্থ
ঘরবাড়ি নেই বাসা বদলের ইচ্ছে
না থাকে না থাক অনুরোধ ঘোরে ফেরে ।

হিসেব কষলে অযথা সময় নষ্ট
মোহনায় শিখা সংযোজনের অভাব
টের পেয়ে স্মৃতি গরম করছে সূর্য
অসহায় পাখি পাখিকে বিদায় দিচ্ছে
কে পেয়েছে তালপাতায় রচিত পত্র
ঘুমের অতলে জেগে উঠে ফের সুস্থ
স্রোত, কেন তুমি বৃথা উৎসাহ খুঁজছ ?

চন্দ্রবিন্দু

চাঁদের মালিক এসে আমাদের পড়শীর উঠোনে
তিন ঘণ্টা বসে ছিল, অভিজ্ঞতা
পরীদের চেয়েও বেশী । নাকের দু' পাশে
বিন্দু বিন্দু চন্দনের ঘাম, চরিত্রে
কিছুটা আফিম, কিছুটা ঘূণের তাপ, আমি
লুঙি পরা ছিল বলে কাছে গেলুম না।

চিত্রগ্রীব

অবাক নদীর তীর, অনুরূপ অবাক আমিও
কলার ভেলায় ভেসে চারুলতা বেড়াতে এসেছে ।
যদি বলো ছোট নই, ভুল হবে, আমি তো ছোটই
সবেমাত্র মাস দুই ভালোভাবে উড়তে শিখেছি
কোথায় বা যাবো আর নদীকেই দেখভাল করি।

সাক্ষাৎ দেবতা নদী, অন্তর্যামী জল
বাংলাভাষা জানে বলে মনে হয়, তাই
এত সহ্যশক্তি বেশী । আমি রোজ
চেষ্টার অতীত ছেনে গলা অব্দি গান
স্বরলিপি না দেখেই সাধ্যমত গেয়ে যাই বলে
আমাকে নদীর এত ভালো লাগে । সবাই তা জানে

ঘূর্ণির ঘনিষ্ঠ মাছ অতি কষ্টে আত্মরক্ষা করে
সে কথাও জানি বৈকি আমি ।

সোনালীনিউজ/ঢাকা/আকন

add-sm
Sonali Tissue
রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর, ২০১৬, ১৯ অগ্রাহায়ণ ১৪২৩