শুক্রবার, ০৯ ডিসেম্বর, ২০১৬, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩

ফেডারেল রিজার্ভ প্রধানের সঙ্গে গভর্নরের বৈঠক মঙ্গলবার

নিজস্ব প্রতিবেদক | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ১৬ জুন ২০১৬, বৃহস্পতিবার ০৪:০১ পিএম

ফেডারেল রিজার্ভ প্রধানের সঙ্গে গভর্নরের বৈঠক মঙ্গলবার

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্কের প্রধান ও বিশ্বব্যাপী আর্থিক বার্তা সেবা দেওয়া প্রতিষ্ঠান সুইফটের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করবেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির।
সুইজারল্যান্ডের ব্যাসেলে আগামীকাল মঙ্গলবার ও পরশু অনুষ্ঠিতব্য এই বৈঠকে অংশ নিতে গতকাল রোববার ঢাকা ত্যাগ করেছেন গভর্নর।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর সচিবালয়ের মহাব্যবস্থাপক এফ এম আসাদুজ্জামান এ তথ্য জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র শুভঙ্কর সাহাকে ফোন দেওয়া হলে তিনি একটি বৈঠকে আছেন বলে জানান।
তবে এফ এম আসাদুজ্জামান জানান, রিজার্ভের চুরি যাওয়া অর্থ উদ্ধারের বিষয়ে ব্যাসেলের বৈঠকে আলোচনা হবে।
ব্যাসেলে আন্তর্জাতিক সালিসি ব্যাংক বিআইএসের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্কের প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম সি ডুডলির সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির বৈঠক করবেন।
তবে সুইফটের কোন কর্মকর্তা ব্যাসেলের বৈঠকে প্রতিনিধিত্ব করবেন সে বিষয়ে জানা যায়নি।
বাংলাদেশ ব্যাংক মনে করে, হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে রিজার্ভ চুরির ঘটনায় ফেডারেল রিজার্ভ ও সুইফটেরও দায় রয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, গত ৪ ও ৫ ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্কে সঞ্চিত বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের মোট ১০ কোটি ১০ লাখ ডলার বা ৮০৮ কোটি টাকা চুরি করতে সক্ষম হয় হ্যাকাররা। এর মধ্যে আট কোটি ১০ লাখ ডলার বা ৬৪৮ কোটি টাকা প্রবেশ করে ফিলিপাইনে। আর বাকি দুই কোটি ডলার বা ১৬০ কোটি টাকা যায় শ্রীলঙ্কায়। 
১০০ কোটি ডলার চুরির লক্ষ্য থাকলেও বানান ভুলের কারণে বাকি অর্থ লোপাট করতে পারেনি হ্যাকাররা। অর্থ চুরির জন্য হ্যাকাররা ৩৫টি আদেশ দেয়। তার মধ্যে ৩০টিই ব্লক হয়ে যায়। মাত্র চারটি আদেশ কার্যকর হলে লোপাট ৮০৮ কোটি টাকা।
এর আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তা ডেইলি মেইল অনলাইনকে বলেন, ‘রিজার্ভ চুরির দায় নিউইয়র্ক ফেডকে নিতে হবে। যদি ৩০টি লেনদেন আটকানো যায়, তাহলে বাকিগুলো বন্ধ করা গেল না কেন?’
২০১৫ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক বার্তা প্রদান ব্যবস্থার সঙ্গে একটি নতুন লেনদেন ব্যবস্থার (আরটিজিএস) সংযোগ স্থাপনের সময় সুইফটের এক কর্মী ভুল পদ্ধতি অবলম্বন করেছিলেন বলে অভিযোগ করেছেন রিজার্ভ চুরির ঘটনার তদন্তকারী দলের প্রধান মোহাম্মাদ শাহ আলম। এ ব্যাপারটিও ব্যাসেলের বৈঠকে গভর্নর তুলবেন বলে জানা গেছে। 

সোনালীনিউজ/ঢাকা/আমা

add-sm
Sonali Tissue
শুক্রবার, ০৯ ডিসেম্বর, ২০১৬, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩