রবিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, ৮ আশ্বিন ১৪২৪

বাজেট ২০১৬-১৭

বাজেটে উপেক্ষিত জনগণ

জুবায়ের রহমান চৌধুরী, বিশেষ প্রতিনিধি | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ১৬ জুন ২০১৬, বৃহস্পতিবার ০৪:০৫ পিএম

বাজেটে উপেক্ষিত জনগণ

রাজস্ব আদায়ের উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য নিয়ে আসন্ন ২০১৬-১৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট ঘোষণা করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। দেশের ইতিহাসে এটি ৪৫তম আর বর্তমান সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদের এটা তৃতীয় বাজেট। অন্যদিকে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত দশমবার আর টানা অষ্টমবারের মতো বাজেট ঘোষণা করলেন।

বৃহস্পতিবার (২ জুন) বিকেল ৩টা ৪৩ মিনিটে জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত আগামী অর্থবছরের জন্য তিন লাখ ৪০ হাজার ৬০৫ কোটি টাকার জাতীয় বাজেটের প্রস্তাব পেশ করেন। একই সঙ্গে চলতি ২০১৫-১৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট ও অর্থবিল ২০১৬ সংসদে উপস্থাপন করেন তিনি।
এর আগে জাতীয় সংসদের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে বাজেট প্রস্তাব পাস করা হয়। এবারের প্রস্তাবিত বাজেট বিদায়ী অর্থবছরের মূল বাজেটের চেয়ে ৪৫ হাজার ৫০৫ কোটি টাকা বেশি এবং সংশোধিত বাজেটের চেয়ে ৭৬ হাজার ৪০ কোটি টাকা বেশি। চলতি ২০১৫-১৬ অর্থবছরে মূল বাজেটের আকার ছিল ২ লাখ ৯৫ হাজার ১০০ কোটি টাকা।

‘প্রবৃদ্ধি সঞ্চারে নতুন মাত্রা’-এই স্লোগানকে সামনে রেখে নতুন বছরের জন্য ৭ দশমিত ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্র নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজেটের এই পরিমাণ মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি)’র ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ। প্রস্তাবিত বাজেটে মোট অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪২ হাজার ৭৫২ কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড নিয়ন্ত্রিত রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে ২ লাখ ৩ হাজার ১৫২ কোটি টাকা। এর ৭১ শতাংশেরও বেশি আসবে ভ্যাট ও আয়কর খাত থেকে। রাজস্ব আদায়ে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে প্রস্তাবিত বাজেটে কর ও ভ্যাটের আওতা বাড়ানো হয়েছে। আর বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভ্যাট বাড়ানোয় জনগণের ওপর করের বোঝা ও সম্পদ বণ্টনে বৈষম্যও বাড়বে। সার্বিকভাবে বাজেট বাস্তবায়ন, লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব আদায় ও কাঙ্ক্ষিত বৈদেশিক সহায়তা অর্জন বাজেটের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। প্রস্তাবিত বাজেটে ঘাটতি ধরা হয়েছে ৯৭ হাজার ৮৫৩ কোটি টাকা। অনুন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে দুই লাখ ১৫ হাজার ৭৪৪ কোটি টাকা। বাজেটের প্রায় ২৯ শতাংশই ঘাটতি বা ঋণনির্ভর।

প্রস্তাবিত বাজেটে টেকসই উন্নয়ন, প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রাখা, মধ্য আয়ের দেশে চূড়ান্ত পদার্পণের লক্ষ্যে সরকারের সাফল্য ও ব্যাপক কর্মযজ্ঞের কথা বলা হলেও মোটা দাগে উপেক্ষিত হয়েছে প্রান্তিক ও মধ্যবিত্ত জনগোষ্ঠী। বাজেটে জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাবে অনেক। অন্যদিকে ব্যবসায়ীদের প্রতি ‘বিশেষ নমনীয়তা’ দেখানো হয়েছে বাজেটে।

সম্পদ আহরণ, ঘাটতি ও অর্থায়ন : এবারের প্রস্তাবিত বাজেটে মোট অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২ লাখ ৪২ হাজার ৭৫২ কোটি টাকা। এটা চলতি অর্থবছরের মূল বাজেটের চেয়ে ৩৪ হাজার ৩০৯ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেটের চেয়ে ৬৫ হাজার ৩৫২ কোটি টাকা বেশি। চলতি অর্থবছরের মূল বাজেটে এ লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ লাখ ৮ হাজার ৪৪৩ কোটি টাকা। অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণের বাইরে প্রস্তাবিত বাজেটে মোট ঘাটতির পরিমাণ হচ্ছে ৯৭ হাজার ৮৫৩ কোটি টাকা। এটা জিডিপির ৫ শতাংশ। আগামী অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হলে পরবর্তীতে ঘাটতি আরও বেড়ে যাবে। বিদায়ী অর্থবছরের মূল বাজেটে মোট ঘাটতির পরিমাণ ছিল ৮৬ হাজার ৬৫৭ কোটি টাকা। সংশোধিত বাজেটে ঘাটতি ৫০৮ কোটি টাকা বেড়েছে।

বাজেট ঘাটতি মূলত পূরণ করা হবে অভ্যন্তরীণ ব্যাংক ব্যবস্থা ও সঞ্চয়পত্র এবং বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে। এর মধ্যে বৈদেশিক ঋণ বাবদ ৩৮ হাজার ৯৪৭ কোটি টাকা (চলতি অর্থবছরে এ খাতে ছিল ৩২ হাজার ২৩৯ কোটি টাকা), বৈদেশিক অনুদান বাবদ ৫ হাজার ৫১৬ কোটি টাকা (চলতি অর্থবছরে এ খাতে ছিল ৫ হাজার ৮০০ কোটি টাকা), ব্যাংকিং খাত থেকে ৩৮ হাজার ৯৩৮ কোটি টাকা (চলতি অর্থবছরে এ খাতে ছিল ৩৮ হাজার ৫২৩ কোটি টাকা) ও ব্যাংকবহির্ভূত খাত থেকে ২২ হাজার ৬১০ কোটি টাকা (চলতি অর্থবছরে এ খাতে ছিল ১৮ হাজার কোটি টাকা) নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে বাজেটে। ব্যাংকবহির্ভূত খাতের মধ্যে সঞ্চয়পত্র খাত থেকে ১৯ হাজার ৬১০ কোটি টাকা (চলতি অর্থবছরে এ খাতে ছিল ১৫ হাজার কোটি টাকা) ও অন্যান্য খাত থেকে ৩ হাজার কোটি টাকা (চলতি অর্থবছরে এ খাতে ছিল ৩ হাজার কোটি টাকা) নেওয়া হবে। সংশোধিত বাজেটে সঞ্চয়পত্র খাত থেকে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৩ হাজার কোটি টাকা অধিক ঋণ নেয়া হয়েছে।

রাজস্ব আদায় : বিদায়ী অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হলেও প্রস্তাবিত বাজেটে আগামী অর্থবছরে জন্য রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা আরও বাড়ানো হয়েছে। এবার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩ হাজার ১৫২ কোটি টাকা। এটা বিদায়ী অর্থবছরের মূল বাজেটের চেয়ে ২৬ হাজার ৭৮২ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেটের চেয়ে ৫৩ হাজার ১৫২ কোটি টাকা বেশি। বিদায়ী অর্থবছরের মূল বাজেটে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড নিয়ন্ত্রিত কর রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ১ লাখ ৭৬ হাজার ৩৭০ কোটি টাকা।

সংশোধিত বাজেটে ১ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায় দেখানো হয়েছে। অর্থাৎ বিদায়ী অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় রাজস্ব ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ২৬ হাজার ৩৭০ কোটি টাকা। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড নিয়ন্ত্রিত করের মধ্যে খাতওয়ারি হিসেবে আগামী অর্থবছরে সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আদায় করা হবে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) খাতে। এ খাতে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭২ হাজার ৭৬৪ কোটি টাকা। এর পরেই রয়েছে আয় ও মুনাফার ওপর কর খাত। এ খাতের লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে ৭১ হাজার ৯৪০ কোটি টাকা। অন্যান্যের মধ্যে সম্পূরক শুল্ক খাতে ৩০ হাজার ৭৫ কোটি টাকা, আমদানি শুল্ক খাতে ২২ হাজার ৪৫০ কোটি টাকা, আবগারী শুল্ক খাতে ৪ হাজার ৪৪৯ কোটি টাকা, রপ্তানি শুল্ক খাতে ৪৪ কোটি টাকা এবং অন্যান্য কর ও শুল্ক খাতে ১ হাজার ৪২৮ কোটি টাকা আদায়ের প্রস্তাব করা হয়েছে।

রাজস্ব বোর্ড বহির্ভূত এবং কর ব্যতীত প্রাপ্তি : প্রস্তাবিত বাজেটে রাজস্ব বোর্ড বহির্ভূত রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ হাজার ২৫০ কোটি টাকা। বিদায়ী অর্থবছরে এ খাতে আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫ হাজার ৮৭৪ কোটি টাকা। সংশোধিত বাজেটে এ খাতে ৫ হাজার ৪০০ কোটি টাকা আয় দেখানো হয়েছে। রাজস্ব বোর্ড বহির্ভূত খাতের মধ্যে আগামী অর্থবছরে নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বিক্রি খাতে ৪ হাজার ২৬৯ কোটি টাকা, যানবাহন কর খাতে ১ হাজার ৭৭০ কোটি টাকা, ভূমি রাজস্ব খাতে ১ হাজার ৫৯ কোটি টাকা, মাদক শুল্ক বাবদ ১৫০ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে প্রস্তাবিত বাজেটে কর ব্যতীত প্রাপ্তির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩২ হাজার ৩৫০ কোটি টাকা। বিদায়ী অর্থবছরে এ খাতে প্রাপ্তির পরিমাণ ধরা হয়েছিল ২৬ হাজার ১৯৯ কোটি টাকা। সংশোধিত বাজেটে এ খাতে ২২ হাজার কোটি টাকা আয় দেখানো হয়েছে। কর ব্যতীত বিভিন্ন প্রাপ্তির মধ্যে কর ব্যতীত অন্যান্য রাজস্ব ও প্রাপ্তি খাতে ১২ হাজার ৩৩১ কোটি টাকা, লভ্যাংশ ও মুনাফা খাতে ৭ হাজার ৯২২ কোটি টাকা, প্রশাসনিক ফি বাবদ ৪ হাজার ৮৩৮ কোটি টাকা, প্রতিরক্ষা বাবদ প্রাপ্তি ২ হাজার ৩৪৪ কোটি টাকা, রেলপথ খাতে ১ হাজার ৩৫০ কোটি টাকা, সুদ বাবদ ৮০০ কোটি টাকা, টোল ও লেভী বাবদ ৭৫৮ কোটি টাকা, সেবা বাবদ প্রাপ্তি ৬০২ কোটি টাকা, অ-বাণিজ্যিক বিক্রয় খাতে ৫৪৪ কোটি টাকা, জরিমানা-দন্ড ও বাজেয়াপ্তকরণ খাতে ৩৫৬ কোটি টাকা, ডাক বিভাগ থেকে ৩০৬ কোটি টাকা, ভাড়া ও ইজারা বাবদ ১২৯ কোটি টাকা এবং মূলধন রাজস্ব খাতে ৬৪ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

কোন খাতে কত ব্যয় (উন্নয়ন ব্যয়) : প্রস্তাবিত বাজেটে উন্নয়ন খাতে মোট ১ লাখ ১৭ হাজার ২৭ কোটি টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (এডিপি) খাতে ১ লাখ ১০ হাজার ৭০০ কোটি টাকা ও এডিপি বহির্ভূত খাতে ৪ হাজার ১৪৭ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে। এছাড়া কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা) ও স্থানান্তর খাতে ১ হাজার ৮২৬ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে। বিদায়ী অর্থবছরের মূল বাজেটে উন্নয়ন খাতে মোট ১ লাখ ২ হাজার ৫৫৯ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছিল। এর মধ্যে এডিপি-তে বরাদ্দের পরিমাণ ছিল ৯৭ হাজার কোটি টাকা ও এডিপি বহির্ভূত খাতে ৩ হাজার ৩৩৯ কোটি টাকা। এছাড়া কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা) ও স্থানান্তর খাতে ব্যয়ের পরিমাণ ধরা হয়েছিল ১ হাজার ৫৮৭ কোটি টাকা। সংশোধিত বাজেটে এডিপি খাতে ৯১ হাজার কোটি টাকা ব্যয় দেখানো হয়েছে।

অনুন্নয়ন ব্যয় : প্রস্তাবিত বাজেটে অনুন্নয়ন খাতে মোট ২ লাখ ১৫ হাজার ৭৪৪ কোটি টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে। এ অনুন্নয়ন ব্যয়ের বড় একটি অংশ যাবে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের বেতন-ভাতা এবং পেনশনে। এর সঙ্গে বিদেশি ঋণের পুঞ্জীভূত সুদ মেটানোর দায়ও রয়েছে। বিদায়ী অর্থবছরের মূল বাজেটে অনুন্নয়ন খাতে মোট ব্যয়ের পরিমাণ ধরা হয়েছিল ১ লাখ ৮৪ হাজার ৫৫৯ কোটি টাকা। তবে সংশোধিত বাজেটে অনুন্নয়ন ব্যয় ১ লাখ ৬৩ হাজার ৭৫১ কোটি টাকা দেখানো হয়েছে। অনুন্নয়ন ব্যয়ের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে অনুন্নয়ন রাজস্ব খাতে ব্যয়। মোট বাজেটের অর্ধেকেরও বেশি ব্যয় হচ্ছে এ খাতে। এ খাতে ব্যয়ের পরিমাণ হচ্ছে ১ লাখ ৮৮ হাজার ৯৬৬ কোটি টাকা (চলতি অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ ছিল ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭১ কোটি টাকা)। এর মধ্যে সরকারি কর্মচারিদের বেতন-ভাতা বাবদ ব্যয় হবে ৫০ হাজার ৭৭৫ কোটি টাকা।

এছাড়া অভ্যন্তরীণ ঋণের সুদ বাবদ ৩৮ হাজার ২৪০ কোটি টাকা (চলতি অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ ছিল ৩৩ হাজার ৩৯৬ কোটি টাকা) ও বৈদেশিক ঋণের সুদ বাবদ ১ হাজার ৭১১ কোটি টাকা (চলতি অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ ছিল ১ হাজার ৭১৩ কোটি টাকা) এবং অনুন্নয়ন মূলধন খাতে ২৬ হাজার ৭৭৮ কোটি টাকা (চলতি অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ ছিল ১৯ হাজার ৯৮৮ কোটি টাকা), ঋণ ও অগ্রীম খাতে ৮ হাজার ৪২৮ কোটি টাকা (চলতি অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ ছিল ৭ হাজার ৭৫৫ কোটি টাকা) এবং খাদ্য হিসাবে ৫৯৪ কোটি টাকা (চলতি অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ ছিল ২২৭ কোটি টাকা) ব্যয় করা হবে।

সোনালীনিউজ/ঢাকা/জেডআরসি/এমটিআই

Sonali Bazar

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Get it on google play Get it on apple store
Sonali Tissue