বুধবার, ০৭ ডিসেম্বর, ২০১৬, ২৩ অগ্রাহায়ণ ১৪২৩

বাড়ছে তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্পের ব্যয়

নিজস্ব প্রতিবেদক | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ১৬ জুন ২০১৬, বৃহস্পতিবার ০৪:০৫ পিএম

বাড়ছে তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্পের ব্যয়

তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্পের ব্যয় ও বাস্তবায়নের মেয়াদ বাড়ছে। ২০০৬ সালে শুরু হয়ে প্রকল্পের দ্বিতীয় অংশের কাজ ২০১০ সালে শেষ হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু এর বাস্তবায়ন মেয়াদকাল ২০১৮ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানো হচ্ছে। একই সঙ্গে, ১৮৬ কোটি ৬৭ লাখ টাকা ব্যয় বৃদ্ধি পেয়ে এ প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হচ্ছে ৪১৩ কোটি ৮৮ লাখ টাকা।

মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে প্রকল্পটির তৃতীয় সংশোধনী অনুমোদনের জন্য উত্থাপন করা হয়েছে। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করছেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ প্রকল্পের সময় বাড়ানোর ফলে ২০ হাজার হেক্টর জমিতে সেচ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন কৃষকেরা। মূল অনুমোদিত প্রকল্পের মোট ব্যয় ২২৭ কোটি টাকা হলেও তা আরও বাড়ানো হয়েছে। এর আগে ২০১১ সালের জুনে প্রথম সংশোধিত ও ২০১৫ সালের জুনে ফের প্রকল্পের সময় বাড়ানো হয়। প্রকল্পটি রংপুরের বদরগঞ্জ, তারাগঞ্জ ও মিঠাপুকুর উপজেলায় বাস্তবায়িত হচ্ছে।

পরিকল্পনা কমিশনের কৃষি, পানি সম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগের সদস্য এ এন সামসুদ্দিন আজাদ চৌধুরী বলেন, চলমান তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্পের কিছু কাজ বেড়েছে। যে কারণে সময় ও ব্যয় বাড়ানো হবে। তৃতীয়বার সংশোধনের জন্য প্রকল্পটি একনেক সভায় উপস্থাপন করা হবে। প্রকল্পের আওতায় দিনাজপুরের পার্বতীপুর ও ফুলবাড়ী উপজেলায়ও সেচ সুবিধা দেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্পের পানি প্রাপ্তির বিষয়টি ভারত-বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে তিস্তা নদীর পানি বণ্টন চুক্তির ওপর নির্ভরশীল। তাই দীর্ঘ চুক্তি সম্পাদনের বিষয়ে সুপারিশ করা হয়েছে।

দেশের উত্তরাঞ্চলে বিশেষ করে রংপুর, বগুড়া, দিনাজপুর, নীলফামারী ও জয়পুরহাট জেলার ২২ উপজেলায় সেচের অভাবে ফসলের অপর্যাপ্ততা রোধ করতে আশির দশকে প্রকল্পটি নেওয়া হয়।

১৯৯৭ সালে ভারতের সঙ্গে তিস্তার পানি বণ্টন বিষয়ে আলোচনা শুরু হলেও আজ পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো সুরাহা হয়নি।

প্রকল্প সংশোধন প্রসঙ্গে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা বলেন, নানা কারণে তৃতীয় বারের মতো এ প্রকল্পের সংশোধন করা হচ্ছে।

অতিরিক্ত ২৬৬ দশমিক ৬৩ হেক্টর ভূমি অধিগ্রহণ, ২৭ দশমিক ৯৩ কিলোমিটার সেচ খাল খনন, ৩১ দশমিক ৩ কিলোমিটার এলঅকায় প্রাথমিক সেচ খাল খনন করা হবে।

পাশাপাশি প্রকল্প এলাকায় ৩৬টি হাইড্রলিক স্ট্রাকচার, ১১০টি মাইনর হাইড্রলিক স্ট্রাকচার, একটি রেল ক্রসিং, ১৯টি ছোট সেতু ও প্রকল্প এলাকায় ৪৯ দশমিক ৫০ কিলোমিটার সড়কের উন্নয়ন করা হবে বলে জানান তারা।

সোনালীনিউজ/ঢাকা/এমএইউ

add-sm
Sonali Tissue
বুধবার, ০৭ ডিসেম্বর, ২০১৬, ২৩ অগ্রাহায়ণ ১৪২৩