রবিবার, ২৮ মে, ২০১৭, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪

বেড়েছে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে লেনদেন

আপডেট: ১৬ জুন ২০১৬, বৃহস্পতিবার ০৩:৫৮ পিএম

বেড়েছে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে লেনদেন

সোনালীনিউজ রিপোর্ট

মোবাইল ব্যাংকিংয়ে গ্রাহক ও লেনদেনের পরিমাণ ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। মূলত সহজে টাকা পাঠানোর সুযোগের কারণে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে লেনদেন বেড়েছে। এ খাতে প্রতিদিন গড় লেনদেন সাড়ে ৫শ’ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। গত ফেব্রুয়ারি মাসে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে মোট ১৬ হাজার ৫৬৯ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। আগের বছরের একই মাসের তুলনায় যা ৫১ দশমিক ২০ শতাংশ বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংক সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, বাংলাদেশ ব্যাংক সুবিধাবঞ্চিতদের ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনতে ২০১০ সালে মোবাইল ব্যাংকিং চালুর অনুমতি দেয়। ফলে ব্যাংকগুলো বিভিন্ন মোবাইল ফোন অপারেটরের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে এই সেবা দিচ্ছে। দেশে প্রথমে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক এই সেবা চালু করলেও বর্তমানে সবচেয়ে এগিয়ে আছে ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান বিকাশ। আর এখন পর্যন্ত ২৯টি ব্যাংক মোবাইল ব্যাংকিংয়ের অনুমতি নিলেও চালু করেছে ১৮টি ব্যাংক। ওসব ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা থাকলেও মোট লেনদেনের ৫৫ দশমিক ১১ শতাংশ হয় বিকাশের মাধ্যমে। আর ডাচ্-বাংলার ৩৮ দশমিক ২৬ শতাংশ এবং অন্যান্য ব্যাংকের সর্বমোট ৬ দশমিক ৬৩ শতাংশ মার্কেট শেয়ার রয়েছে।

সূত্র জানায়, মোবাইল ব্যাংকিং লেনদেন গতবছরের ফেব্রুয়ারি মাসের তুলনায় চলতি বছরের একই মাসে পরিমাণ বাড়লেও ওই বছরের জানুয়ারির তুলনায় এক দশমিক শুন্য পাঁচ শতাংশ কমেছে। আর গতবছরের ফেব্রুয়ারির চেয়ে সারাদেশে এজেন্ট সংখ্যা ৩৩ হাজার ৫৭৬টি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৭৭ হাজারে। গত ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সারাদেশে মোট ৩ কোটি ৪০ লাখ গ্রাহক মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট খুলেছে। তারমধ্যে চালু রয়েছে ১ কোটি ৪০ লাখ অ্যাকাউন্ট। আগের বছরের একই সময়ে ২ কোটি ৫৯ লাখ অ্যাকাউন্টের মধ্যে চালু ছিল ১ কোটি ১১ লাখ অ্যাকাউন্ট। কোনো অ্যাকাউন্ট থেকে টানা ৩ মাস কোনো ধরনের লেনদেন না হলে তা ইন-একটিভ অ্যাকাউন্ট হিসেবে বিবেচিত হয়।

সূত্র আরো জানায়, বিগত ২০১০ সালে মোবাইল ব্যাংকিং চালুর অনুমতি দিলেও বাংলাদেশ ব্যাংক পরের বছরই এ বিষয়ে একটি নীতিমালা জারি করে। নিয়ম অনুযায়ী শুধুমাত্র মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট রয়েছে এমন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এই মাধ্যমে লেনদেন করার কথা। তবে অনেক এজেন্ট নিয়ম না মানায় তাদের এজেন্টশীপ বাতিল করা হয়েছে। সঠিক পরিচিতি না থাকার কারণেও বেশ কিছু অ্যাকাউন্টও বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

এদিকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মোবাইল ফোন অপারেটরের মাধ্যমে মোবাইল ব্যাংকিং পরিচালিত হলেও বাংলাদেশে পরিচালিত হয় ব্যাংকের মাধ্যমে। ব্যাংকগুলো মোবাইল ফোন অপারেটরদের মাধ্যমে চুক্তি করে এজেন্টের মাধ্যমে এই সেবা দিচ্ছে। আর সেবার বিপরীতে ব্যাংক, মোবাইল অপারেটর ও এজেন্ট এই তিন স্তরে কমিশন ভাগ হয়ে যায়। ফলে অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের মোবাইল ব্যাংকিং এই সেবা গ্রহণকারীর খরচ বেশি।

সোনালীনিউজ/আমা

Sonali Bazar

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Get it on google play Get it on apple store
Sonali Tissue
রবিবার, ২৮ মে, ২০১৭, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪