বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৬, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩

বৈচিত্র্য বাড়ছে ডেনিম কাপড় ও পোশাকে

আপডেট: ১৬ জুন ২০১৬, বৃহস্পতিবার ০৩:৫৯ পিএম

বৈচিত্র্য বাড়ছে ডেনিম কাপড় ও পোশাকে

সোনালীনিউজ রিপোর্ট

হাল ফ্যাশনের ডেনিম কাপড় ও পোশাকের দিকে ঝুঁকছেন বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা। ফলে বৈচিত্র্যময়তা বাড়ছে। নিত্যনতুন প্রযুক্তির ব্যবহার সেটিকে গতি দিচ্ছে। ঢাকায় দুদিনের বাংলাদেশ ডেনিম এক্সপোতে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন উদ্যোক্তারা। তারা বলছেন, বিশ্ববাজারে ডেনিমের সম্ভাবনা থাকায় কারখানাগুলো উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াচ্ছে। অন্যদিকে খাতটিতে নতুন বিনিয়োগও আসছে।

ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি, বসুন্ধরায় আয়োজিত প্রদর্শনীটি শেষ হলো গতকাল মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল)। এতে বাংলাদেশসহ ১৩টি দেশের ৪৯ প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। প্রদর্শনীতে ডেনিমের পাশাপাশি দেশের ‘সোনালি আঁশ’ পাটপণ্যকে তুলে ধরেছেন আয়োজকেরা।

মাসে ২০ লাখ গজ ডেনিম কাপড় তৈরি করে শাশা ডেনিম। তারা উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে। এতে নতুন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হবে। তাতে ৬০ শতাংশ পানি ও ৪০ শতাংশ রাসায়নিক কম ব্যবহৃত হবে। মাসে উৎপাদন বাড়বে ৮ লাখ গজ। এমনটাই জানালেন শাশা ডেনিমের সহকারী মহাব্যবস্থাপক কাজী ওবায়দুর রহমান। তিনি বলেন, ‘আমাদের গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগের কর্মকর্তা প্রায়ই বিভিন্ন দেশে গিয়ে হালফ্যাশন ও ভবিষ্যতে কী ধরনের পণ্য আসছে, সে ধারণা নিয়ে আসছেন। ফলে ডেনিম পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়ছে।’

ডেনিম এক্সপোর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজ উদ্দিন মোস্তাফিজ উদ্দিন বলেন, হালফ্যাশনের পোশাক সাধারণত উচ্চমূল্যের হয়। ধীরে হলেও দেশের উদ্যোক্তারা সেই পথে হাঁটতে শুরু করেছেন। তবে আরও অনেক দূর যেতে হবে। তিনি বলেন, ‘ডেনিম এক্সপোর মূল উদ্দেশ্য ডেনিম প্রস্তুতকারক হিসেবে বাংলাদেশের সুনাম বৃদ্ধি করা। এ ছাড়া ডেনিম পণ্যের মান উন্নয়ন ও বৈচিত্র্য আনতে বিশ্বখ্যাত ফ্যাশন ডিজাইন ও প্রোডাক্ট ডেভেলপার নিয়ে আসি আমরা।’

থাইল্যান্ড থেকে প্রদর্শনীতে এসেছে অ্যাবসলুট ডেনিম। প্রতিষ্ঠানটি মাসে ২০ লাখ মিটার ডেনিম কাপড় তৈরি করে। জ্যাক অ্যান্ড জোনস, ইনডিটেক্সসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডকে কাপড় সরবরাহ করে তারা। বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের ক্রেতা হিসেবে চায় বলে জানালেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা আলিসা উপরা।

২০১৭ সালের ডেনিম ট্রেন্ডস নিয়ে গতকাল (২৬ এপ্রিল) একটি সেমিনার হয়। এতে বক্তব্য দেন ডেনিম ট্রেন্ড কনসালট্যান্ট ও লেখক এমি লেভারটন। পরে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ফ্যাশন ও ট্রেন্ড প্রতিনিয়তই পরিবর্তন হচ্ছে। ইউরোপের চেয়ে আমেরিকায় এটি অনেক দ্রুত হয়। ফলে উদ্যোক্তাদের তাল মেলাতে সব সময়ই খোঁজখবর রাখতে হবে।

সোনালীনিউজ/জেডআরসি

add-sm
Sonali Tissue
বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৬, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩