শনিবার, ০৩ ডিসেম্বর, ২০১৬, ১৮ অগ্রাহায়ণ ১৪২৩

ভুগিয়েছে ‘ফেসবুকহীন’ ২২ দিন  

সোনালীনিউজ ডেস্ক | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ১৬ জুন ২০১৬, বৃহস্পতিবার ১১:৩৭ এএম

ভুগিয়েছে ‘ফেসবুকহীন’ ২২ দিন  

নজিরবিহীন অবরোধ-রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় শুরু হওয়া ২০১৫ সালে প্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ খাতও শুরু হয়েছিল ভার্চুয়াল অবেরাধ দিয়ে। এরপর নিলাম, সিম নিবন্ধন, নতুন নেতৃত্ব, মোবাইল কোম্পানির একীভূত ও সামাজিক মাধ্যম বন্ধ রাখা নিয়ে একটি আলোচিত বছর গত হচ্ছে বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতের।

আলোচিত-সমালোচিত ৫৭ ধারা : রুদ্ধ বাক স্বাধীনতা
বছরের মাঝামাঝি সবচেয়ে বেশি আলোচনা শুরু হয় তথ্য-প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা নিয়ে। বিশেষ করে সাংবাদিক প্রবীর সিকদারকে এই আইনেই আটক করার পর সরকার সমর্থক, বিরোধী সব পক্ষেই সমালোচনা শুরু হয়। সব মহল থেকে আইনটি বাতিলের দাবি ওঠে। সচেতন মহলের পক্ষ থেকে বলা হয়, এই আইনের কারণে জনগণের বাক স্বাধীনতা ভীষণভাবে ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।

২০০৬ সালে প্রণীত তথ্য-প্রযুক্তি আইনে সংশোধন আনা হয় ২০১৩ সালে। সে বছরের ৮ অক্টোবর সংসদে আইনটি সংশোধিত আকারে পাস হয়। এ আইনের কিছু ধারা মত প্রকাশের স্বাধীনতার প্রতি হুমকিস্বরূপ বলে মন্তব্য করে আন্তর্জাতিক হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। কারণ হিসেবে বলা হয়, এ আইনে পুলিশকে সরাসরি মামলা করার ও পরোয়ানা ছাড়া গ্রেপ্তার করার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

অব্যাহত সমালোচনার মুখে আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক আইনটি বাতিলের দাবি বিবেচনা করে দেখা হবে বলে জানিয়েছিলেন।

ইন্টারনেট ‘অবরোধ’
ইন্টারনেটের মাধ্যমে সন্ত্রাসীরা সংগঠিত হচ্ছে, অপরাধ করছে এমন দাবিতে চলতি বছরের জানুয়ারিতে (২০ থেকে ২২ তারিখ পর্যন্ত) প্রথম দফায় সরকার ভাইবার, ট্যাঙ্গো, হোয়াটসঅ্যাপ, মাইপিপল এবং লাইন-এর মতো বিনামূল্যে দেশে-বিদেশ কল করার অ্যাপস বন্ধ করে দেয়। তখন দেশে বিএনপি জোটের অবরোধ চলচিল।

এরপর বছরের শেষ প্রান্তে এসে আবারও কয়েকটি যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধ করে দেয় সরকার। এতে ১৮ নভেম্বর দেশের  ইতিহাসে প্রথমবারের মতো দেড় ঘণ্টা ইন্টারনেট ব্ল্যাক আউট ঘটেছিল। ১৮ নভেম্বর বন্ধ করে দেয়ার পর ১০ ডিসেম্বর ফেসবুক আর ১৪ ডিসেম্বর অন্য সব মাধ্যম খুলে দেয়া হয়। তবে এর প্রভাব পড়ে ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর। নভেম্বর মাসে দেশে ৭ লাখের মতো ইন্টারনেট ব্যবহারকারী কমে যায়।

ফেসবুকের সঙ্গে আলোচনা
সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে ‘শঙ্কিত’ সরকার  ইন্টারনেট ব্যবস্থায় নজরদারি বাড়াতে ফেসবুক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করার উদ্যোগ নেয়। এজন্য কন্টেন্ট নিয়ন্ত্রণ ও তথ্য আদান-প্রদানে সহযোগিতার জন্য একটি চুক্তি করতে আগ্রহ জানিয়ে গত ৩০ নভেম্বর ফেসবুক কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি পাঠায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়। এর পরদিনই চিঠির উত্তর দেয় ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। আর ৬ ডিসেম্বর ঢাকায় তাদের দুই কর্মকর্তা সরাকরের তিন মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে রাজি হয় বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমটির কর্তৃপক্ষ।

ঝুলে গেছে নিলাম
বাজেটের আগেই পাঁচ হাজার কোটি টাকা আয়ের লক্ষ্য নিয়ে চলতি বছরের শুরুতেই অব্যবহৃত টু-জি ও থ্রি-জি তরঙ্গ নিলামের উদ্যোগ নিয়েছিল বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এজন্য ফেব্রুয়ারিতে তরঙ্গ নিলামের জন্য একটি গাইড লাইন প্রকাশ করে বিটিআরসি। নিলামের তারিখ ছিল ৩০ এপ্রিল। মোবাইল কোম্পানিগুলোর সাড়া না পেয়ে এরপর দু’দফা তারিখ পেছানো হয়। প্রথমে ২০ মে এবং পরে ২৭ মে নিলামের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। এরপরও মোবাইল কোম্পানিগুলো আগ্রহ দেখায়নি। পরবর্তীতে নীতিমালা সংশোধনের সিদ্ধান্ত নেয় বিটিআরসি।

দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সেবার জন্য ব্যবহৃত ১৮০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডউইথের অব্যবহৃত ১০ দশমিক ৬ মেগাহার্টজ এবং তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সেবার জন্য ব্যবহৃত ২১০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডের অব্যবহৃত ১৫ মেগাহার্টজ তরঙ্গ নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করতে চেয়েছিল বিটিআরসি।

আইজিডব্লিউ জোট, কুক্ষিগত আন্তর্জাতিক কল ব্যবসা
চলতি বছর টেলিযোগাযোগ খাতে সবচেয়ে ভয়াবহ যে বিষয়টি ঘটে তা হলো সাত আইজিডব্লিউ-এর (ইন্টারন্যাশনাল গেটওয়ে) হাতে আন্তর্জাতিক কল পরিচালনার নিয়ন্ত্রণ তুলে দেয়া। আইজিডব্লিউ অপারেটরস ফোরাম (আইওএফ) নামে এ ব্যবস্থাটি পরীক্ষামূলক চালুর বিষয়ে গত মার্চে নির্দেশনা দেয় বিটআরসি; যা জুনে চূড়ান্তভাবে চালু হয়। এ ব্যবস্থার ফলে দেশের সব আন্তর্জাতিক কল সাত আইজিডব্লিউ অপারেটর সুইচের (আইওএস) মাধ্যমে প্রবেশ করছে। বাকি আইজিডব্লউ এদের মাধ্যমে বব্যসা করছে। এ ব্যবস্থার ফলে সাতটি আইজিডব্লিউ-এর অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ আয়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে। কারণ, দুই গ্রুপের মধ্যে লভ্যাংশ ভাগাভাগির হার ধরা হয়েছে ১:১.৯০।

সূত্র জানিয়েছে, ক্ষমতাসীন দলের কয়েকজন প্রভাবশালী নেতার পরিকল্পনায় এ ব্যবস্থা চালু হয়েছে। কারণ, ওই প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকানায় ওই নেতাদের আত্মীয়-স্বজনরা আছেন। সুবিধা পাওয়া এই সাত প্রতিষ্ঠান হলো- ইউনিক ইনফোওয়ে, ডিজিকন টেলিকমিউনিকেশনস, রুটস কমিউনিকেশনস, গ্লোবাল ভয়েস, মীর টেলিকম, বাংলা ট্র্যাক ও নভো টেলিকম।

এরমধ্যেই আইওএফ সরকারকে না জানিয়েই আন্তর্জাতিক কল রেটের সর্বোচ্চ সীমা বাড়িয়ে দেড় সেন্ট থেকে দুই সেন্ট করে। কিন্তু আয়ের ভাগাভাগি আগের মতোই রাখে। এতে আইওএস-এর লাভ হলেও বিটিআরসির ক্ষতি হয়েছে। শুধু রাজস্ব ক্ষতি নয়, এ ব্যবস্থায় বৈধপথে আন্তর্জাতিক কল আসা কমে গেছে। কলরেটের সর্বোচ্চ সীমা ১ দশমিক ৭ সেন্ট করার একটি প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে আটকে আছে।

দেশে আইজিডব্লিউ লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠাসের সংখ্যা ২৯টি। এরমধ্যে কার্যক্রম চালু রয়েছে ২৩টির।

এক হচ্ছে রবি-এয়াটেল
টেলিযোগযোগ খাতে বছরের সবচেয়ে বড় চমক হয়ে আসে দেশের অন্যতম দুটি মোবাইল কোম্পানির এক হওয়ার খবর। গত সেপ্টেম্বরে মালয়েশিয়াভিত্তিক অপারেটর রবি আজিয়াটা ও ভারতের এয়ারটেল এক হতে নিজেদের মধ্যে আলোচনা শুরু করে। একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়াটি এখন বিটিআরসির কাছে। বিটিআরসি একীভূত হওয়ার আইনি দিকগুলো খতিয়ে দেখছে। বাংলাদেশের মোট মোবাইল ফোন গ্রাহকদের প্রায় এক-চতুর্থাংশ এই দুটি কোম্পানির। সোয়া ১৩ কোটি গ্রাহকের মধ্যে তিন কোটি রবির, এক কোটি এয়ারটেলের।

সিম নিবন্ধনের মহাযজ্ঞ
দেশে চালু মোবাইল সিম নতুন করে নিবন্ধনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এরমধ্যে আঙুলের ছাপ দিয়ে মোবাইল ফোনের সিম নিবন্ধনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। নভেম্বরে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হওয়া পদ্ধতিটি পূর্ণাঙ্গভাবে শুরু হয় ১৬ ডিসেম্বর থেকে। সঠিকভাবে সিম নিবন্ধনের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র কর্তৃপক্ষের তথ্য ভাণ্ডার মোবাইল কোম্পানিগুলোর জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। সংশ্লিস্টদের তথ্য মতে, দেশে চালু সিমের দুই-তৃতীয়াংশই ভুয়া পরিচয়পত্রে নিবন্ধিত বা অনিবন্ধিত। এতে দেশের সাইবার অপরাধ বাড়ছে।

নতুন নেতৃত্ব
চলতি বছর টেলিযোগাযোগ খাতে নতুন নেতৃত্ব এসেছে। গত ১৪ জুলাই ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন তারানা হালিম। সিম নিবন্ধনসহ কয়েকটি বড় সিদ্ধান্ত নতুন এই প্রতিমন্ত্রীকে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে আসে।

এ খাতের নিয়ন্ত্রণ সংস্থা বিটআরসিতেও আসে নতুন মুখ। তিন বছর দায়িত্ব পালন করে অক্টোবরে বিদায় নেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি বোস। নানান বিতর্কিত সিদ্ধান্তের মাধ্যমে যিনি টেলিযোগাযোগ খাতকে অনেকটাই পিছিয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সুনীল কান্তির জায়গায় আসেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতা ও প্রকৌশলী শাহজাহান মাহমুদ। মৃদুভাষী মানুষটি এখনো পর্যন্ত এ খাতে সবার প্রশংসা পেয়েছেন।

নিজস্ব উপগ্রহ হচ্ছে
২০১৫ সালে টেলিযোগাযোগ খাতের একটি বড় অর্জন হলো দেশের প্রথম নিজস্ব স্যাটেলাইট ‘বঙ্গবন্ধু-১’ তৈরির উদ্যোগ। ফ্রান্সের কোম্পানি তালেস স্পেসের সঙ্গে গত  ১১ নভেম্বর চুক্তি করে বিটিআরসি। ২৪ কোটি ৮০ লাখ ডলারে উপগ্রহের পুরো কাঠামো, উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা, ভূমি ও মহাকাশের নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, ভূস্থিত দুটি স্টেশন, পরিচালনা, ঋণের ব্যবস্থা করবে তালেস। দুই হাজার ৯৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। এরআগে গত ১৫ জানুয়ারি স্যাটলাইটের জন্য অরবিটাল স্লট ইজারার চুক্তি করে বিটিআরসি। ১১৯.১ পূর্ব দ্রাঘিমাংশের এই অরবিটাল স্লটের জন্য আন্তর্জাতিক সংস্থা ইন্টারস্পুটনিক ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন অব স্পেস কমিউনিকেশনসকে ২ কোটি ৮০ লাখ ডলার দিতে হবে।

২০১৭ সালের ১৬ ডিসেম্বর স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

অনুমোদন পেয়েছে এমএনপি
১১ ডিজিটের মোবাইল ফোন নম্বর অপরিবর্তিত রেখেই মোবাইল অপারেটর পরিবর্তন (এমএনপি) পদ্ধতি চালুর চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এমএনপি সুবিধা চালু করতে অপারেটর হিসেবে বিটিআরসি একটি প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ দেবে। আগামী বছরের শুরুতে এ সুবিধা চালু হতে পারে। এমএনপি নীতিমালা অনুসারে নম্বর অপরিবর্তিত রেখে ৩০ টাকায় গ্রাহকরা এক অপারেটর থেকে অন্য অপারেটরে যেতে পারবেন। তবে পুনরায় অপারেটর পরিবর্তন করতে চাইলে ৪০ দিন অপেক্ষা করতে হবে। ৪০ দিন পর গ্রাহক আবারো নতুন অপারেটরে যেতে পারবেন।

ভারতে ব্যান্ডউইথ রপ্তানি
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরে গত ৬ জুন ব্যান্ডউইডথ রপ্তানির তিন বছর মেয়াদি চুক্তি সই হয়। বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল) এবং ভারত সঞ্চার নিগম লিমিটেডের (বিএসএনএল) মধ্যে এই চুক্তি হয়। এর আগে বিষয়টি গত ২০ এপ্রিল মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হয়। চুক্তি অনুসারে ১০ জিবিপিএস (গিগাবাইট পার সেকেন্ড) ব্যান্ডউইডথ বাণিজ্যিকভিত্তিতে ভারতে সরবরাহ করা হবে। এতে বছরে ৯ কোটি ৪২ লাখ টাকা আয় করবে বাংলাদেশ। ভারত চাইলে ৪০ জিপিবিএস পর্যন্ত ব্যান্ডউইডথ রপ্তানি করা হবে।

এর ফলে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ইন্টারনেট অনেকটাই সহজলভ্য হবে। আগে এসব অঞ্চলের জন্য ইন্টারনেট সংযোগ মুম্বাই থেকে আনতে হতো। গত ১৬ নভেম্বর বাংলাদেশের আখাউড়া ও ভারতের আগরতলা সীমান্তের জিরো পয়েন্টে এ দুই দেশের অপটিক্যাল ফাইবার সংযোগ স্থাপন করা হয়। চলতি মাসে রপ্তানি শুরুর কথা থাকলেও কারিগরি জটিলতায় এখনো কার্যক্রম শুরু হয়নি। বাংলাদেশের একমাত্র সাবমেরিন কেবল সি-মি-ইউ-৪ এর কক্সবাজার ল্যান্ডিং স্টেশন থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও আখাউড়া হয়ে আগরতলা দিয়ে এ ব্যান্ডউইথ রপ্তানি হবে।

বর্তমানে দেশে ২০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ রয়েছে। এরমধ্যে প্রায় ৩০ জিবিপিএস ব্যবহৃত হচ্ছে। আগামী বছর দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলে ( সি-মি-ইউ-৫) সংযুক্ত হলে দেশে আর ১ হাজার ৩০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ যোগ হবে।

এদিকে ২০১৫ সালে দেশে ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথের দাম পাইকারি পর্যায়ে কয়েক দফা কমানো হয়েছে। তবে খুচরা পর্যায়ে বিভিন্ন ইন্টারনেট প্যাকেজের দাম খুব একটা কমেনি।

এছাড়া ২০১৪ সালে মোবাইল ফোনের গ্রাহক সংখ্যা ১২ কোটি ৩৫ লাখ এবং ইন্টারনেট গ্রাহক সংখ্যা ৪ কোটি ৩৬ লাখ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২০১৫ সালে যথাক্রমে ১৩ কোটি ২ লাখ এবং ৫ কোটি ৪৭ লাখে উন্নীত হয়েছে। বর্তমানে দেশে টেলিঘনত্ব ৮৩.০৯ শতাংশ ও ইন্টারনেট ঘনত্ব ৩৪.৪১ শতাংশ।

 

সোনালীনিউজ/সুজন

add-sm
Sonali Tissue
শনিবার, ০৩ ডিসেম্বর, ২০১৬, ১৮ অগ্রাহায়ণ ১৪২৩