রবিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭, ১৪ ফাল্গুন ১৪২৩

যা ছিল চূড়ান্ত সীমা লংঘন

আপডেট: ১৬ জুন ২০১৬, বৃহস্পতিবার ০৩:৫৯ পিএম

যা ছিল চূড়ান্ত সীমা লংঘন

সোনালীনিউজ ডেস্ক

আল্লাহ তাআলা কুরআনের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহর শিক্ষার জন্য পূববর্তী ঘটনাবহুল নিদর্শনসমূহ তুলে ধরেছেন। যাতে মানুষ সকল অন্যায় কাজ থেকে নিজেদেরকে বিরত রাখতে পারে। ইতিপূর্বে তাওরাতের নির্দেশ অমান্য করে তার অনুসারীরা পরস্পরকে হত্যা করা, বাড়ি-ঘর থেকে বহিষ্কার করাসহ নানা নিষিদ্ধ কাজ করতো। এ আয়াত থেকে জানা যায়, শুধু সাধারণ লোকদেরকেই তারা হত্যা করেনি বরং নবি-রাসুলগণকেও তারা হত্যায় জড়িয়ে পড়ে। যা ছিল চূড়ান্ত সীমা লংঘন। আল্লাহ তাআলা কুরআনে তা তুলে ধরেছেন-

এবং অবশ্যই আমি মুসাকে কিতাব (তাওরাত গ্রন্থ) দিয়েছি ও তৎপর পর্যায়ক্রমে নবি-রাসুল প্রেরণ করেছি, মরিয়ম তনয় ঈসাকে সুস্পষ্ট প্রমাণ (মুজিযা) দিয়েছি এবং পবিত্র আত্মা (জিব্রিল ফিরিশতা) দ্বারা তার শক্তি বৃদ্ধি করেছি। অতপর যখনই কোনো রাসুল এমন কিছু নির্দেশ নিয়ে তোমাদের কাছে এসেছে যা তোমাদের মন:পূত নয়। তখনই তোমরা অহংকার করেছ। পরিশেষে একদলকে মিথ্যাজ্ঞান করেছে এবং একদলকে করেছে হত্যা। (সুরা বাক্বারা : আয়াত ৮৭)

এ আয়াত মুসলমানদের জন্য সতর্কতা বিশেষ। কারণ বনি ইসরাইলদের হিদায়াতের জন্য আল্লাহ তাআলা তাওরাত ও ইঞ্জিল গ্রন্থ প্রেরণ করেছেন। ঈসা আলাইহিস সালামকে অসংখ্য মুজিযা ও সার্বক্ষণিক জিব্রিল আলাইহিস সালামের সহযোগিতাসহ অনেক নবি-রাসুল প্রেরণ করেছেন। এ বনি ইসরাইল ও ইয়াহুদিরা তাদের প্রতি প্রেরিত নবি-রাসুলদের সঙ্গে অবাধ্য আচরণ, অহংকার প্রদর্শন এবং তাদেরকে মিথ্যাবদী সাব্যস্ত করেছেন। এমনকি তাদের শরীয়তের লংঘন করে সাধারণ মানুষদের হত্যার পাশাপাশি নবি-রাসুলদের পর্যন্ত হত্যা করতে দ্বিধাবোধ করেনি।

এ আয়াতে তাদের ভ্রান্ত ও অন্যায় কার্যক্রমগুলো তুলে ধরে নবুয়তের সত্য প্রমাণ করেছেন এবং মুসলিম উম্মাহকে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি পরিপূর্ণ ঈমান এবং তাঁর প্রদানকৃত সকল বিধি-বিধান মেনে চলার সুস্পষ্ট ইঙ্গিত প্রদান করেছেন।

আল্লাহ তাআলা উম্মাতে মুহাম্মাদিকে কুরআনের বিধান মেনে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অনুপম আদর্শ নিজে মেনে সমাজে বাস্তবায়ন করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

সোনালীনিউজ/ঢাকা/আকন

Sonali Bazar
add-sm
Sonali Tissue
রবিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭, ১৪ ফাল্গুন ১৪২৩