রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর, ২০১৬, ২০ অগ্রাহায়ণ ১৪২৩

যুক্তরাষ্ট্রে গুলিতে নিহত বাংলাদেশি দম্পতির ছেলে গ

আপডেট: ১৬ জুন ২০১৬, বৃহস্পতিবার ০৩:৫৯ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রে গুলিতে নিহত বাংলাদেশি দম্পতির ছেলে গ

সোনালীনিউজ ডেস্ক

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজ বাড়িতে বাংলাদেশি এক দম্পতি খুনের ঘটনায় নিহত দম্পতির বড় ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় ট্র্যাসি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বেশ কিছুদিন ধরে গোলাম রাব্বির কোনো খোঁজ না পেয়ে গত রবিবার বিকেলে তার কয়েক বন্ধু সান হোসের ওই বাড়িতে যান। সেখানে গিয়ে তারা বাড়ির দরজা খোলা দেখতে পান। ঘরে ঢুকেই তাদের চোখে পড়ে তারা খুনের ভয়াবহ দৃশ্য। দুজনের রক্তাক্ত মৃতদেহ কাঠের মেঝেতে পড়ে ছিল। সে সময় নিহত দম্পতির ১৭ ও ২১ বছর বয়সী দুই ছেলে বাড়িতে ছিলেন না বলে জানায় তাদের বন্ধুরা।

খুনের দুইদিন পর রাব্বি দম্পতির ১৭ বছর বয়সী ছোট ছেলের সন্ধান পায় পুলিশ। তার কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার বড় ছেলে হাসিব রাব্বিকে (২১) ট্র্যাসি এলাকা থেকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। পেশায় প্রকৌশলী গোলাম রাব্বি এবং হিসাবরক্ষক শামিমা সান হোসের এভারগ্রিন ইসলামিক সেন্টারের সদস্য ছিলেন বলে জানা গেছে। তাদেরব দেশের বাড়ি বগুড়া জেলায়। তারা ১৯৭৬ সালের দিকে যুক্তরাষ্ট্রে আসেন।

সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে খ্যাতি অর্জনকারী ‘এমদাদ অ্যান্ড সিতারা খান ফাউন্ডেশনের’ চেয়ারপারসন সিতারা খানের ছোট ভাই গোলাম রাব্বি। নয় বোন এবং দুই ভাইয়ের মধ্যে গোলাম রাব্বি ছিলেন পঞ্চম। তার তিন বোন মারা গেছেন। চার বোন যুক্তরাষ্ট্রেই বসবাস করেন। জীবিত একমাত্র ভাই রয়েছেন বাংলাদেশে। নিহত দম্পতির ঘরে একটি চিরকূটও পাওয়া যায় যাতে লেখা ছিল- ‘দুঃখিত, আমার প্রথম খুনটি ছিল বিরক্তিকর’।

এছাড়া তদন্ত কর্মকর্তারা ওই বাড়ির দেওয়ালে লেখা আরেকটি বার্তা দেখতে পান। বার্তাটি এমন- ‘তোমার মত আমি মিথ্যাবাদী হতে পারব না। আমি ওদের (মা-বাবা) অজ্ঞাতে অথবা সম্মতি ব্যতিত কাউকে ভালবাসতে পারব না।’ এদিকে শিগগিরই রাব্বি দম্পতির লাশ দাফনের জন্য হস্তান্তর করা হবে বলে এভারগ্রিন ইসলামিক সেন্টারের কর্মকর্তারা আশা করছেন। তাদেরকে যুক্তরাষ্ট্রে না দেশে দাফন করা হবে এ ব্যাপারে কিছু জানা যায়নি।

সোনালীনিউজ/ঢাকা/মে

add-sm
Sonali Tissue
রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর, ২০১৬, ২০ অগ্রাহায়ণ ১৪২৩