শুক্রবার, ০৯ ডিসেম্বর, ২০১৬, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩

রাজশাহীতে আ’লীগের দু‍‍`পক্ষে সংঘর্ষ : আহত ১৫

রাজশাহী প্রতিনিধি | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ১৬ জুন ২০১৬, বৃহস্পতিবার ০৪:০৫ পিএম

রাজশাহীতে আ’লীগের দু‍‍`পক্ষে সংঘর্ষ : আহত ১৫

রাজশাহীর বাঘায় আগামী ৪ জুনের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ সমর্থিত ও বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে তিন নারীসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২ জুন) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার চক রাজাপুর ইউনিয়নের চকরাজাপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ২৬ মে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী আজিজুল ইসলামের কর্মী-সমর্থকরা আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী বাবলু দেওয়ানের নৌকা প্রতীক পুড়িয়ে দেয়। তারই পরিপ্রেক্ষিতে বাবলু দেওয়ানের ছোট ভাই শাহিন দেওয়ান বাদী হয়ে ৪২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৭০-৮০ জনের বিরুদ্ধে বাঘা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় আজ বৃহস্পতিবার সকালে বাঘা থানা পুলিশ চকরাজাপুর গ্রামে আসামি গ্রেপ্তারের জন্য গেলে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বাবলু দেওয়ানের কর্মী-সমর্থকরা বিদ্রোহী প্রার্থী আজিজুল ইসলামের সমর্থক বাবু নামের এক কর্মীকে মারপিট করে পুলিশে সোপর্দ করে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে চলে গেলে পুনরায় বাবলু দেওয়ানের কর্মী-সমর্থকরা চকরাজাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে গিয়ে আজিজুল ইসলামের সমর্থক শিক্ষক গোলাম মোস্তফাকে মারপিট করে আহত করে। এ খবর আজিজুল ইসলামের কর্মী-সমর্থকদের মাঝে ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ ঘটনায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর সমর্থক শাহিন, মোহাম্মদ আলী, শেখ আব্দুস সালাম, মিজান, সেলিনা, মিন্টু, গিয়াস, মমতাজ ও সুমি এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আজিজুল ইসলামের সমর্থক ফজলুল হক সিকদার ও আদিল আহত হন। বাকিদের নাম জানা যায়নি।

আহতদের প্রথমে বাঘা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে ফজলুল ও আদিলের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। এদিকে সংঘর্ষের খবর পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিমুল আখতারের নেতৃত্বে বাঘা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে ওই এলাকায় পুলিশি টহল রয়েছে।

এ বিষয়ে বাঘা থানার ওসি আলী মাহমুদ বলেন, ‘চকরাজাপুর একটি দুর্গম এলাকা। এখানে একই দল সমর্থিত দুজন প্রার্থী থাকায় উভয় পক্ষের মধ্যে আগে থেকেই বিরোধ চলে আসছিল। তারই প্রেক্ষিতে ভোটের মাত্র একদিন আগে অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটায় পুলিশি তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ করেনি। তবে পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে।’

সোনালীনিউজ/ঢাকা/এমএইচএম

 

add-sm
Sonali Tissue
শুক্রবার, ০৯ ডিসেম্বর, ২০১৬, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩