শনিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১৭, ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৪

রেলওয়ের উন্নয়ন দৃশ্যমান হচ্ছে: মুজিবুল হক

নিজস্ব প্রতিবেদক | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭, বৃহস্পতিবার ০৯:১১ পিএম

রেলওয়ের উন্নয়ন দৃশ্যমান হচ্ছে: মুজিবুল হক

ঢাকা: রেলমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক বলেছেন,  রেলখাতএগিয়ে চলেছে। বর্তমান সরকার রেল খাতের প্রতি অধিক গুরুত্ব দিয়েছে। এ জন্যই বাজেটে বরাদ্দ বৃদ্ধি পেয়েছে। রেলওয়েতে এখন উন্নয়ন দৃশ্যমান হচ্ছে। আমরা নতুন নতুন প্রকল্প গ্রহণ করতে পারছি।

বৃহস্পতিবার(১৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকার রেলভবনে দোহাজারী-রামু-কক্সবাজার প্রকল্পের পরামর্শক নিয়োগ এবং বাংলাদেশ রেলওয়ের জন্য ইন্দোনেশিয়া থেকে ২০০ টি মিটারগেজ যাত্রীবাহী কোচ সংগহের আলাদা দু’টি প্রকল্পের চুক্তি স্বাক্ষর অনুঠানে এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, যমুনা নদীর ওপর আলাদা বঙ্গবন্ধু রেলসেতু নির্মাণ করা হবে। কোচের সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে। যাত্রীরা যাতে রেলের মাধ্যমে সহজে যাতায়াত করতে পারে তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এসময় তিনি বলেন, রাজধানীকে ঘিরে চারদিকে রেলপথ নির্মাণ করা হবে। এ লক্ষ্যে সমীক্ষার কাজ চলছে। পদ্মাসেতুতে রেলওয়ে সংযোগের বিষয়টি চুড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কমল কৃষ্ণ ভট্টাচার্যের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত রিনা পি.সোয়েমার্নো এবং বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আমজাদ হোসেনসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার সকালে প্রথমে দোহাজারী-রামু-কক্সবাজার প্রকল্পের পরামর্শক নিয়োগ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এতে ৫ টি প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে পরামর্শক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলো হল- এসএমইসি (স্মেক) ইন্টারন্যাশনাল (অস্ট্রেলিয়া), কানারেল কনসালট্যান্টস (কানাডা), সিস্ট্রা (ফ্রান্স), এসিই কনসালট্যান্টস (বাংলাদেশ) এবং স্ট্রাটেজি কনসালট্যান্টস (বাংলাদেশ)।  

এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশের পক্ষে প্রকল্প পরিচালক মো. মফিজুর রহমান ও স্মেক এর পক্ষে এ এস সাবাহ। পরামর্শকের চুক্তিমূল্য প্রায় ৪১৭ কোটি টাকা। চুক্তির মেয়াদ ৬০ মাস। এডিবির অর্থায়নে এটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।

পরে বাংলাদেশ রেলওয়ের জন্য ২০০টি মিটারগেজ কোচ সংগ্রহের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এতে বাংলাদেশের পক্ষে স্বাক্ষর করেন, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (রোলিং স্টক) মো. শামসুজ্জামান এবং ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান পিটি ইনকা’র প্রেসিডেন্ট ডিরেক্টর আর. অগাস এইচ পুর্নোমো।  

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের ঋণ এবং বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে এজন্য মোট ব্যয় হবে ৫৭৯ কোটি ৩৮ লাখ ৯৭ হাজার টাকায়। ইন্দোনেশিয়ার প্রতিষ্ঠান পিটি ইনকা ২০ থেকে ৩৩ মাসের মধ্যে কোচগুলো সরবরাহ করবে।  

ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত রিনা পি.সোয়েমার্নো বলেন, এই চুক্তি বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে বন্ধুত্ব ও ভ্রাতৃত্বের নিদর্শন। এর মধ্যদিয়ে দু’দেশের মধ্যে অংশীদারিত্বের আরও সুযোগ তৈরি হবে। বাংলাদেশের উন্নয়নে, বিশেষত, পরিবহন, যোগাযোগ ও রেলখাতে ইন্দোনেশিয়া উন্নয়ন সহযোগী হতে ইচ্ছুক।

সোনালীনিউজ/ঢাকা/আতা

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Get it on google play Get it on apple store
Sonali Tissue