রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর, ২০১৬, ২০ অগ্রাহায়ণ ১৪২৩

শহীদের মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য

আপডেট: ১৬ জুন ২০১৬, বৃহস্পতিবার ০৩:৪৩ পিএম

শহীদের মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য

সোনালীনিউজ ডেস্ক
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে মুসলমান আল্লাহর কালেমাকে সমুন্নত করার লক্ষ্যে লড়াই করবে, কেবলমাত্র সেই-ই আল্লাহর পথে লড়াই করল’ শহীদ বলা হয়। তাকে শহীদ এজন্য বলা হয় যে, সে জান্নাতে উপস্থিত হয়ে যায়।

শহীদের মর্যাদায় আল্লাহ বলেন -  وَلَا تَقُولُوا لِمَنْ يُقْتَلُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ أَمْوَاتٌ ۚ بَلْ أَحْيَاءٌ وَلَٰكِنْ لَا تَشْعُرُونَ [٢:١٥٤
অর্থাৎ আর যারা আল্লাহর রাস্তায় নিহত হয়,তাদের মৃত বলো না বরং তারা জীবিত,কিন্তু তোমরা তা বুঝ না।
(সুরা বাক্বারা : ১৫৩) শহীদের মর্যাদা এত বেশি যা রাসুলের হাদিসে প্রমাণ পাওয়া যায়-

হজরত আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, কোনো ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করার পর আর দুনিয়ায় ফিরে যেতে চাইবে না। যদি সে দুনিয়ার তামাম জিনিস পেয়ে যায়, তবুও না। অবশ্য শহীদের কথা আলাদা। সে চাইবে যে, তাকে দুনিয়ায় ফিরিয়ে আনা হোক এবং দশবার তাকে আল্লাহর পথে হত্যা করা হোক। এই কারণে যে, সে তার ইজ্জত ও সম্ভ্রম দেখতে পাবে। অন্য রেওয়ায়েতে এসেছে- সে এটা চাইবে এ কারণে যে, এভাবে সে শাহাদাতের ফজিলত দেখতে পাবে। (বুখারি ও মুসলিম)

শহীদের বৈশিষ্ট্য
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ তাআলার দরবারে শহীদের জন্য রয়েছে ৬টি বৈশিষ্ট্য-

ক. প্রথম রক্ত বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তাকে ক্ষমা করে দেয়া হয় এবং শহীদ ব্যক্তি জান্নাতে তার স্থান দেখে নেয়;
খ. কবরের আজাব থেকে তাকে দূরে রাখা হয়;
গ. বড় ভীতি অর্থাৎ, কিয়ামাতের কঠিন অবস্থা থেকে নিরাপদ থাকবে।
ঘ. তাঁকে ঈমানের একজোড়া অলংকার পরানো হবে।
ঙ. হুরদের সঙ্গে বিবাহ দেয়া হবে।
চ. নিকট আত্মীয়দের থেকে ৭০ জন ব্যক্তিকে সুপারিশ করতে পারবে।
সুতরাং ইচ্ছা হোক অনিচ্ছায় হোক, প্রত্যেক মানুষকে অবশ্যই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। আল্লাহ তাআলা উম্মাতে মুসলিমাকে শহিদী মৃত্যু দান করুন। আমিন।

সোনালীনিউজ/ঢাকা/আকন

রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর, ২০১৬, ২০ অগ্রাহায়ণ ১৪২৩