শনিবার, ০৩ ডিসেম্বর, ২০১৬, ১৮ অগ্রাহায়ণ ১৪২৩

সুদহার কমলেও বেড়েছে কমিশন-ফি

আপডেট: ১৬ জুন ২০১৬, বৃহস্পতিবার ০৩:৫৪ পিএম

সুদহার কমলেও বেড়েছে কমিশন-ফি

বিশেষ প্রতিনিধি

ঋণে সামান্য সুদের হার কমানোর বিপরীতে বিভিন্ন ধরনের ফি-কমিশন আরোপের পরিমাণ বেড়েছে। ফলে এর কোনো উপকারই পাচ্ছেন না উদ্যোক্তারা।  এছাড়া, এখনও শিল্পখাতসহ বিনিয়োগের গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু খাতে ১৪ শতাংশ থেকে ১৮ শতাংশ বা তারও বেশি হারে সুদারোপ করছে ব্যাংকগুলো। এতে নতুন কোনো প্রকল্পে ঋণ নিতে আগ্রহী হচ্ছেন না উদ্যোক্তারা।  যে কারণে ব্যাংকগুলোয় কাঙ্ক্ষিত ঋণের প্রবৃদ্ধিও হচ্ছে না।

এদিকে, আমানতের ওপর সুদের হার কমার  ফলে মধ্যবিত্ত শ্রেণির অনেকেরই পথে বসার উপক্রম হয়েছে। কিন্তু ব্যাংকের কোনো লাভ হচ্ছে না। কারণ, আমানতে সুদ কমিয়ে ব্যাংক যে পরিমাণ আয় করছে, তার চেয়েও বেশি পরিমাণ অর্থ প্রভিশন রাখতে হচ্ছে খেলাপি ঋণের বিপরীতে। এতে একদিকে ব্যাংক মালিকরা মুনাফার টাকা ঘরে নিতে পারছেন না, অন্যদিকে বিভিন্ন ধরনের ফি-কমিশন আরোপ করায় উদ্যোক্তারাও ব্যাংকে ঋণ নিতে এগিয়ে আসছে না। এ কারণে ব্যাংক খাতে এক লাখ কোটি টাকারও বেশি পরিমাণ উদ্বৃত্ত তারল্য পড়ে রয়েছে।

এর মধ্যে অলস অবস্থায় রয়েছে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা। এই অলস অর্থের বিপরীতে ব্যাংকগুলো নিয়মিত গ্রাহককে সুদ দিলেও এর বিপরীতে কোনও আয় হচ্ছে না ব্যাংকের। ফলে আয় বাড়াতে ব্যাংকগুলো বাধ্য হয়ে বিভিন্ন ধরনের ফি ও কমিশন আরোপ করে ঋণের খরচ বাড়িয়ে দিচ্ছে। এতে অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে সরকারের বিনিয়োগ বাড়ানোর লক্ষ্য যেমন অর্জিত হচ্ছে না, তেমনি সুফল আসছে না আমানত ও ঋণের সুদের হার কমিয়েও।

বিভিন্ন ধরনের ফি-কমিশন আরোপ করা প্রসঙ্গে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একটি বেসরকারি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী সাংবাদিকদের বলেন, অধিকাংশ ব্যাংকের আয় না বাড়লেও ব্যয় বাড়ছে। পুর্বের ঘোষণা অনুযায়ি গ্রাহককে আমানতের ওপর সুদ দিতে গিয়ে খরচ বাড়ছে। এছাড়া খেলাপি ঋণের বিপরীতে বিপুল পরিমাণ অর্থও প্রভিশন রাখতে হচ্ছে কোনো কোনো ব্যাংককে। যা ব্যাংকের আয় থেকে কেটে নেয়া হচ্ছে। এ সব কারণে ব্যয় সমন্বয় করতে কিছু কিছু ব্যাংক হয়ত ফি-কমিশন বৃদ্ধি করেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকিং খাতে ঋণের গড় সুদের হার দাঁড়িয়েছে ১১ দশমিক ১৮ শতাংশ। কিন্তু বিনিয়োগকারীদের এখনও ঋণে ১৪ শতাংশ সুদ গুনতে হচ্ছে। কোনো কোনো ব্যাংক-এর চেয়ে বেশি হারেও সুদ নিচ্ছে। ব্যাংকগুলোর ঋণতথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, বড় ও মাঝারি শিল্পের মেয়াদি ঋণে কয়েকটি ব্যাংক এখনও ১৫ শতাংশের বেশি হারে সুদ নিচ্ছে। একই অবস্থা চলতি মূলধনের বেলায়ও। বড় ও মাঝারি শিল্পের জন্য চলতি মূলধনের সুদহার রয়েছে ১৮ শতাংশ পর্যন্ত।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, মোট ঋণের সাড়ে ৩৭ শতাংশই যাচ্ছে শিল্প খাতে। আমদানি পর্যায়ে ঋণের বিপরীতে এখনও সুদের হার রয়েছে ১৪ থেকে ১৮ শতাংশ। এর সঙ্গে প্রায় সব ধরনের ঋণে ব্যাংকগুলো বিভিন্ন ধরনের চার্জ ও ফি যুক্ত করে সুদ ঘোষিত হারের চেয়ে ২ থেকে ৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়ে দিচ্ছে। বড় ও মাঝারি শিল্পে সব মিলিয়ে এখনও সুদ রয়েছে ১৬ শতাংশ পর্যন্ত। এর বাইরে ভোক্তা ঋণে সুদহার নিচ্ছে সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ পর্যন্ত। ক্রেডিট কার্ডধারীদের কাছ থেকে সর্বোচ্চ ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত সুদ নিচ্ছে কোনো কোনো ব্যাংক।

অথচ তিন বছরের ব্যবধানে আমানতে সুদ হার কমেছে প্রায় সাড়ে ৬ শতাংশ। ২০১২ সালে আমানতে সুদ ছিল সাড়ে ১২ থেকে ১৪ শতাংশ হারে। ২০১৩ সালের জুলাই মাসে আমানতের গড় সুদের হার ছিল ৮ দশমিক ৬১ শতাংশ। এখন সেই সুদ হার নেমে গেছে সাড়ে ৬ শতাংশেরও নিচে। ব্যাংকের ভিন্ন-ভিন্ন মেয়াদের আমানত স্কিমে একেক রকম সুদহার নির্ধারিত হয়ে থাকে। সব মিলিয়ে গড় সুদহারের হিসাব করা হয়।  সরকারি ব্যাংকগুলো মেয়াদি আমানতে একযোগে সুদহার কমিয়ে চলতি মাস থেকে সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ নির্ধারণ করেছে। গত জানুয়ারিতেও ব্যাংকগুলো ৮ শতাংশ সুদে মেয়াদি আমানত নিয়েছে। আমানতের পাশাপাশি চলতি ফেব্রুয়ারি থেকে সরকারি ব্যাংক ঋণে সর্বোচ্চ সুদ নির্ধারণ করেছে ১৪ শতাংশ। জানুয়ারিতে যা ছিল ১৬ শতাংশ।

এদিকে আমানতে সুদহার কমে যাওয়ার ফলে মধ্যবিত্ত শ্রেণির অনেকে পথে বসার উপক্রম হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এমনই একজন সাখাওয়াত শিপন। অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা। ২০১১ সালে অবসর নেয়ার পর সাখাওয়াত শিপন তার দুই সন্তানের পড়াশোনা ও সংসারের যাবতীয় খরচ মেটাতেন ব্যাংকে রাখা আমানতের সুদ আয় থেকে। কিন্তু এখন আর সেই দিন নেই তার। আমানতের সুদ হার কমার ফলে দুচোখে তিনি এখন অন্ধকার দেখছেন।

প্রসঙ্গত, ২০১১ সালে একটি বেসরকারি ব্যাংকে তিনি ১৫ লাখ আমানত রেখে প্রতি মাসে সেখান থেকে প্রায় ১৮ হাজার টাকা পেতেন। ওই সময় তার সংসার চালাতে প্রতি মাসে খরচ হতো গড়ে প্রায় ১৫ হাজার টাকা। বর্তমানে জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে। তার সংসারে খরচ বেড়েছে। বড় মেয়ে অনার্সে পড়েন। ছোট ছেলে এইচএসসি পরীক্ষার্থী। প্রতি মাসে তাকে ২০ হাজার টাকারও বেশি পরিমাণ অর্থ খরচ হচ্ছে। কিন্তু তার আয় বাড়েনি বরং কমে গেছে। আমানতের ওপর সুদের হার কমে যাওয়ার পর ব্যাংকে রাখা ১৫ লাখ টাকার বিপরীতে এখন তিনি প্রতি মাসে পাচ্ছেন ১১ হাজার টাকারও কম। এই টাকা দিয়ে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাকে।

এ প্রসঙ্গে সাখাওয়াত শিপন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, বড় মেয়ে হোস্টেলে থাকে। তাকে প্রতিমাসে ৬ হাজার টাকারও বেশি দিতে হয়। ছোট ছেলের পেছনেও প্রতি মাসে প্রায় ৩ হাজার টাকা খরচ করতে হয়। এছাড়া সংসারে খাওয়া-দাওয়া ও ওষুধ বাবদ যে খরচ হয়, তা মেটাতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে। তিনি বলেন, ২০১১ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত আমাদের কোনো চিন্তা করতে হয়নি। কারণ, খরচের চেয়ে আয় বেশি ছিল তখন। আর এখন আয় কমে গেছে কিন্তু খরচ বেড়ে গেছে। এরই মধ্যে তিনি এলাকার একটি সমবায় সমিতি থেকে কিছু টাকা ধারও নিয়েছেন।  তিনি জানান, চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার সময় ২০১১ সালে তার দুই সন্তানের মধ্যে বড় মেয়ে রাখি দশম শ্রেণিতে পড়ত। আর ছোট ছেলে রুবাইয়াত পড়ত ৮ম শ্রেণিতে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০১১ সালে ব্যাংকগুলো আমানত সংগ্রহ করে গড়ে ১৩ শতাংশ সুদে। ওই সময়ে বেশিরভাগ ব্যাংক আমানত নিতে অসম প্রতিযোগিতায় নেমেছিল। কোনো কোনো ব্যাংক তখন ঘোষণার তুলনায় বেশি সুদে আমানত সংগ্রহ শুরু করে। পরে ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন এবিবি এক বৈঠক করে সুদের হার নির্ধারণ করে দেয়া হয়। ব্যাংকাররা মেয়াদি আমানতে সর্বোচ্চ সুদ হার সাড়ে ১২ শতাংশ নির্ধারণ করে দেয়। তবে এই ঘোষণার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না বেশিরভাগ ব্যাংক। তারা নানা উপায়ে ঘোষণার বাইরে বেশি সুদে আমানত সংগ্রহ করে। বাংলাদেশ ব্যাংকের এ সংক্রান্ত আরেক প্রতিবেদনের তথ্যমতে ব্যাংকগুলো গত ডিসেম্বরে গড়ে ৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ সুদে আমানত নিয়েছে। এছাড়া, অধিকাংশ ব্যাংক ৭ শতাংশের নিচে আমানত নেয়া শুরু করেছে।

বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইন্টার প্রেস নেটওয়ার্ক-আইপিএনের গবেষণায়ও দেখা গেছে, ২০১২ সালে বাণিজ্যিক ব্যাংক ১০ লাখ টাকার বিপরীতে প্রতি মাসে সুদ বাবদ ১০ হাজারেরও বেশি টাকা দিত। কিন্তু বর্তমানে ব্যাংক ১০ লাখ টাকার বিপরীতে প্রতি মাসে ৫ হাজার টাকাও দিতে পারছে না।

এ প্রসঙ্গে অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান-বিআইডিএসের সিনিয়র গবেষক ড. জায়েদ বখত সাংবাদিকদের বলেন, এই মুহূর্তে আমানতকারীদের সরকারি সঞ্চয়পত্রের দিকে যাওয়া উচিত। বিশেষ করে যারা ব্যাংকে টাকা রেখে সংসার চালান। কারণ, বাণিজ্যিক ব্যাংক তো নিজের ক্ষতি করে কোনো আমানতকারীকে মুনাফা দেবে না। তিনি বলেন, এই ধরনের আমানতকারীর সংখ্যাও খুব বেশি নয়। সরকার ইচ্ছে করলে, যারা পেনশনভোগী, বিশেষ করে যাদের বয়স বেশি, তাদের একটি কাঠামোয় এনে বিশেষ বিবেচনায় বেশি সুদ দিয়ে সহযোগিতা করতে পারে।

এদিকে কয়েকটি ব্যাংকের ঋণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত কর্মকর্তা ও কয়েকজন উদ্যোক্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, যেসব ব্যাংক আগে ঋণ প্রক্রিয়াকরণ ফি নিত না, এখন ওই সব ব্যাংকে ১ থেকে ২ শতাংশ হারে এ ফি দিতে হচ্ছে। ১০ কোটি টাকা ঋণের বিপরীতে ১০ থেকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত এ ফি দিতে হচ্ছে। ১ থেকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত মর্টগেজ প্রস্তুত করতে ২ হাজার টাকা, ২০ লাখ থেকে ১ কোটি টাকার মর্টগেজ প্রস্তুতে ফি দিতে হচ্ছে ৫ হাজার টাকা। এর চেয়ে বেশি অঙ্কের মর্টগেজ করতে ৫ হাজার এবং প্রতি লাখে ২ শতাংশ হারে ফি দিতে হচ্ছে। এর বাইরে স্ট্যাম্পের নির্ধারিত মূল্য পরিশোধ করতে হচ্ছে গ্রাহককে। এ ছাড়া, সরকার নিবন্ধন ফিও বাড়ানো হয়েছে। দিতে হয় এজেন্ট কমিশনও। কোনো কোনো ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে হলে এজেন্টের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে যাচাই-বাছাই করতে হয়। এই ক্ষেত্রে কমিশন গুনতে হয় ১ থেকে ২ শতাংশ। ঋণের নিরাপত্তার হিসেবে নেয়া হয় আরও ১ শতাংশ কমিশন। এসব মিলে সুদের হারের অতিরিক্ত আরও ৪ থেকে ৬ শতাংশ কমিশন ও চার্জ দিতে হয়।

ঋণের টাকা একসঙ্গে না নিলে বাকি অংশের ওপর ২ শতাংশ হারে অতিরিক্ত সুদ পরিশোধ করতে হয় গ্রাহককে। কোনো গ্রাহক যদি নির্দিষ্ট মেয়াদের আগেই তার ঋণ পরিশোধ করতে চায়। তাহলে তাকে বিতরণকৃত ঋণের ওপর ২ শতাংশ হারে সুদ পরিশোধ করতে হবে।  এর বাইরে সিন্ডিকেশন ঋণ নিতে হলে গ্রাহককে চুক্তি অনুযায়ী কিছু চার্জ দিতে হয়। এ ছাড়া নন-ফান্ডেড ঋণের ক্ষেত্রে রয়েছে সুনির্দিষ্ট চার্জ। একটি এলসি বা বিলের বিপরীতে চুক্তি অনুযায়ী এক হাজার থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত চার্জ দিতে হয়। একই সঙ্গে সব ধরনের ফি ও কমিশনের ওপর সরকারকে দিতে হয় ১৫ শতাংশ হারে ভ্যাট। এর বাইরেও রয়েছে হিসাব পরিচালনা, চেকবই, চেক নগদায়ন, এলসি খোলা, এলসির গ্যারান্টি, এলসি অ্যাডভাইস, সুইফট চার্জ, ডাক চার্জসহ নানা ধরনের ফি। এ সবের মাধ্যমে ব্যাংকগুলো ব্যাপকহারে গ্রাহকের কাছ থেকে ফি কেটে নিচ্ছে, যা সার্বিকভাবে বাড়িয়ে দিচ্ছে ঋণের খরচ। ব্যাংকগুলো শুধু এরই মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সুদের টাকা তিন মাসের মধ্যে পরিশোধ না করলে এই অর্থ আবার মূল ঋণের সঙ্গে যোগ করছে। ফলে মূল ঋণ বেড়ে যাচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় ঋণের ওপর আবার সুদ আরোপ করছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, অগ্রণী ব্যাংক আমানতকারীদের সর্বনিম্ন সুদ দিচ্ছে ৪ শতাংশ আর সর্বোচ্চ মুনাফা দিচ্ছে ৮ শতাংশ। কিন্তু বিপরীতে মেয়াদি ঋণে ১৪ শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত সুদ আরোপ করছে গ্রাহকের ওপর। আর ব্যাংকটি সর্বোচ্চ সুদ নিচ্ছে ১৬ শতাংশ। পরিসংখ্যান থেকে দেখা যাচ্ছে, সরকারি ব্যাংকগুলো আমানতকারীদের সুদহার সিন্ডিকেটের মাধ্যমে একই হারে দিলেও ঋণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১৬ শতাংশ পর্যন্ত সুদ আরোপ করা হচ্ছে। এর মধ্যে রূপালী ব্যাংক সর্বোচ্চ সুদ আরোপ করছে আবাসন খাতে ১৬ শতাংশ।

এ প্রসঙ্গে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, দেশের বিনিয়োগ পরিস্থিতি ভালো না হলে কোনো উদ্যোক্তাই ব্যাংকের দিকে যাবেন না। আর ব্যাংকের দিকে না গেলে বিনিয়োগও হবে না। এ জন্য ব্যাংকের উচিত সুদের হার কমানো। সার্ভিস চার্জ ও কমিশনের হার কমানো।

সোনালীনিউজ/এমএইউ

add-sm
Sonali Tissue
শনিবার, ০৩ ডিসেম্বর, ২০১৬, ১৮ অগ্রাহায়ণ ১৪২৩