রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৬, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩

স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস

আপডেট: ১৬ জুন ২০১৬, বৃহস্পতিবার ০৩:৫৪ পিএম

স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস

সোনালীনিউজ ডেস্ক

বর্তমান অনেকটা যান্ত্রিক যুগ। এ যুগের মানুষ আগের মতো সরল রেখায় চলে না। মানুষের চাহিদাও আর আগের মতো সীমিত নয় মানুষের চাহিদা অসিম। যুগের পরিবর্তনের সাথে সাথে মানুষের কর্মক্ষেত্রও আগের মতো কৃষিতে সীমাবদ্ধ নেই। ঘরে বসে বাড়িতে থেকে কাজ করার সুযোগ- সুবিধা খুব কম লোকই পায়। কাজের জন্য ছাড়তে হয় নিজ বাড়ি, গ্রাম, শহর এমনকি দেশও। পাড়ি দিতে হয় সাত সমুদ্র-তের নদী। কাটাতে হয় দীর্ঘ প্রবাস জীবন। কর্ম করতে হয় স্বামী-স্ত্রী উভয়কে, এই জন্য যেতে হয় দু’জনকেই ঘরের বাইরে। থাকতে হয় দীর্ঘ সময় কর্মক্ষেত্রে। উঠা-বসা করতে হয় বহু লোকের সাথে। পারছে না আর আগের মতো স্বামী-স্ত্রী পাশাপাশি দিন কাটাতে। বাড়ছে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সময়ের দূরত্ব। এই অবস্থায় স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক আস্থাও বিশ্বাসের যে কত প্রয়োজন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। একটুখানি সন্দেহ ও একটুখানি কান কথায় বিশ্বাসই পারে সব কিছু ভেঙ্গে চুরে তছনছ করে দিতে। কর্মক্ষেত্র ও কর্মস্থান ভিন্ন হওয়ার কারণে স্বামী-স্ত্রী যেহেতু একত্রে থাকতে পারে না, পৃথক পৃথক স্থানে অবস্থান করতে হয়। সেহেতু ব্যক্তিগত জীবনে খুব সতর্কতার প্রয়োজন। এমন কোন আচরণ বা এমনভাবে চলাফেরা করা যাবে না, যাতে সন্দেহের উদ্রেক হয়। উভয়কেই নিজের মন ও চিন্তা-চেতনা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। স্বামীকে স্ত্রী ভিন্ন অন্য নারীর সাথে চলাফেরা করা যাবে না। মন দেয়া বা কোনরূপ সখ্যতা করা যাবে না। কর্ম শেষে বাড়ি ফিরতে হবে। অনুরূপভাবে নারীকে নিজের দেহ ও মনকে সব ধরনের কলুষিতা থেকে দূরে রাখতে হবে। কোন কারণে কর্মক্ষেত্রে দেরি হয়ে গেলে বা কোথাও যেতে হলে তা যথাসময়ে স্বামীকে অবহিত করে রাখতে হবে।

সোনালীনিউজ/ঢাকা/এমটিআই

রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৬, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩