শনিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৬, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩

হজরত আলীর অমীয় বাণী

আপডেট: ১৬ জুন ২০১৬, বৃহস্পতিবার ০৩:৫৪ পিএম

হজরত আলীর অমীয় বাণী

সোনালীনিউজ ডেস্ক
হজরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু ইসলামের চতুর্থ খলিফা। নবি দুলালী হজরত ফাতিমা রাদিয়াল্লাহু আনহুর স্বামী। হজরত হাসান ও হোসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহুম-এর পিতা। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যাকে ইলমের দরজা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি মানুষকে গোমরাহ থেকে ফিরিয়ে রাখতে শুনিয়েছেন অনেক গুরুত্বপূর্ণ বাণী। যার থেকে ৩টি বাণী তুলে ধরা হলো-

১. ঐ মানুষ বড়ই মুর্খ ও আশ্চর্যজনক যে, দুনিয়ার সম্পদ অর্জন করতে গিয়ে (আল্লাহর দেয়া) সুস্বাস্থ্য হারায়। তারপর আবার সুস্বাস্থ্যবান হতে অর্জিত সম্পদ নষ্ট করে।

২. বর্তমানের চলমান সময়কে ধ্বংস করে ভবিষ্যতের চিন্তা করে; আর বর্তমান অতীত হয়ে ভবিষ্যতে পৌঁছলে আবার অতীতের কথা স্মরণ করে আফসোস করে আর অশ্রু বিসর্জন দেয়।

৩. সে এমনভাবে জীবন অতিবাহিত করে যে, সে কখনো মৃতু্য বরণ করবে না। কিন্তু সে এমনভাবে মৃতু্য বরণ করে যে, সে কখনো জন্মই নেয় নি।

পরিশেষে...
আমাদের উচিত, দুনিয়ায় সম্পদ অর্জন করার সময় হালাল-হারামের কথা স্মরণ করা; সম্পদ যদি হালাল হয় তবে সে দুনিয়া ও আখিরাতে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হবে। বর্তমান সময়ের কাজকে যথাযথ গুরুত্বসহকারে আদায় করা, যাতে সময় নষ্টের জন্য পরবর্তীতে আফসোস করতে না হয়। জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে শেষ মুহূর্ত মনে করে কাজ করা। যাতে ব্যক্তির মৃত্যুর পর সে কর্মের মাঝে বেঁচে থাকে।

সুতরাং আল্লাহ তাআলা হজরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুর গুরুত্বপূর্ণ এ তিনটি উপদেশ যথাযথভাবে মেনে চলার তাওফিক দান করুন। আমিন।

সোনালীনিউজ/ঢাকা/আকন

শনিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৬, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩