মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০১৭, ৩ মাঘ ১৪২৩

২০১৫ সালে যক্ষ্ময় মৃত্যু ছয় হাজার

আপডেট: ১৬ জুন ২০১৬, বৃহস্পতিবার ০৩:৫৮ পিএম

২০১৫ সালে যক্ষ্ময় মৃত্যু ছয় হাজার

সোনালীনিউজ ডেস্ক

জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচিতে ২০১৫ সালে ২ লাখ ৬ হাজার ৯১৯ জন রোগী সনাক্ত হওয়ার পর চিকিৎসা নিয়েছে বলে এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে।
বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস সামনে রেখে বুধবার ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবে ব্র্যাকের ওই সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, সনাক্তদের মধ্যে প্রায় আট হাজার শিশু এবং মারা গেছে ছয় হাজার।

প্রতি বছর ২৪ মার্চ বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস পালিত হয়। এবারের প্রাতিপাদ্য ‘ঐক্যবদ্ধ হলে সবে, যক্ষ্মা মুক্ত দেশ হবে।’ সরকার ব্র্যাকের মাধ্যমে জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। ১১০৪টি ল্যাবরেটরি, ৪০টি ইকিউএ ল্যাবরেটরি ও ৩৯টি জিন এক্সপার্ট কেন্দ্রের মাধ্যমে যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম চলছে।

সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক ডা. কাজী আল মামুন সিদ্দিকী বলেন, ২০১৫ সালে কর্মসূচির মাধ্যমে ২ লাখ ৬ হাজার ৯১৯ জন যক্ষ্মা রোগী সনাক্ত হওয়ার পর চিকিৎসাসেবা নিয়েছে। তাদের মধ্যে ১৫ বছরের কম বয়সী ৮ হাজার ১০৩ জন।  ২০১৪ সালে কর্মসূচিতে যক্ষ্মা রোগী চিকিৎসায় সফলতার হার ৯৪ শতাংশ।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, নিরাময়যোগ্য এই রোগ এখনও পৃথিবীর অধিকাংশ দেশে ধ্বাংসাত্মক মহামারী হিসেবে রয়ে গেছে।
২০১৪ সালে বিশ্বের ৯ দশমিক ৬ মিলিয়ন যক্ষ্মা রোগীর মধ্যে ১ দশমিক ৫ মিলিয়ন মারা যায়। বাংলাদেশে ২০১৫ সালে সনাক্ত রোগীর ৩ শতাংশ মারা যায়; যা সংখ্যায় প্রায় ৬ হাজার।

অনুষ্ঠানে জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির ডা. মো. আশরাফ উদ্দিন স্বাগত বক্তব্য রাখেন ও ডা. মুজিবুর রহমান রোগটির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
কর্মসূচির প্রকল্প পরিচালক ডা. মো. কামরুল ইসলাম বলেন, দেশের অনেক যক্ষ্মা রোগী রয়েছে, যারা চক্ষুলজ্জার কারণে চিকিৎসা নিতে চায় না।
অনুষ্ঠানে জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির উপদেষ্টা ডা. আব্দুল হামিদ সেলিম ও  ব্র্যাকের যক্ষ্মা কর্মসূচির প্রধান ডা. সাহেলা ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।


সোনালীনিউজ/ঢাকা/আকন

Sonali Bazar
add-sm
Sonali Tissue
মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০১৭, ৩ মাঘ ১৪২৩