রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর, ২০১৬, ১৯ অগ্রাহায়ণ ১৪২৩

৩০ অক্টোবর ‘কর দিবস’ করার প্রস্তাব

নিজস্ব প্রতিবেদক | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ১৬ জুন ২০১৬, বৃহস্পতিবার ০৪:০৫ পিএম

৩০ অক্টোবর ‘কর দিবস’ করার প্রস্তাব

২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রতিবছরের ৩০ অক্টোবরকে জাতীয় ‘কর দিবস’ ঘোষণার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

বৃহস্পতিবার (২ জুন) জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত বাজেটে এই প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আমি প্রস্তাব করছি বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও রিটার্ন দাখিলের জন্য একটি অপরিবর্তনীয় ডেডলাইন থাকবে; যা ‘করদিবস’ নামে অভিহিত হবে। ওই সময়ের মধ্যে আয়কর বিবরণী (রিটার্ন) দাখিলের বাধ্যবাধকতা আরোপ করা উচিত।

মুহিত বলেন, ‘কখনও কখনও রিটার্ন দাখিলের শেষ তারিখ একাধিকবার বর্ধিত হয়। করদাতারা প্রতিবছরই সময় বাড়বে ধরে নিয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল থেকে বিরত থাকেন। এর ফলে কর নির্ধারণ ও রাজস্ব আহরণ কার্যক্রম পিছিয়ে যায়। অন্যদিকে এতে রিটার্ন জমার সর্বশেষ সময়সীমা সংক্রান্ত আইনি বিধানটি গুরুত্ব হারাচ্ছে।’

“সাধারণভাবে ৩০ অক্টোবর হবে ‘কর দিবস’; তবে ৩০ অক্টোবর সরকারি ছুটির দিন হলে ‘কর দিবস’ হবে তার পরবর্তী কার্যদিবস।”

দেশে বর্তমানে কর শনাক্তকরণ নম্বরধারী (টিআইএন) নাগরিকের সংখ্যা ১৮ লাখ হলেও রিটার্ন দাখিলকারীর সংখ্যা ১২ লাখ বলে উল্লেখ করেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, “রিটার্ন দাখিলের এই সংখ্যা আরও অনেক বেশি হওয়া উচিত।”

বাংলাদেশে কর-জিডিপির অনুপাতে (১০.৩) অসন্তুষ্ট মুহিত এই অনুপাত এই সরকারের মেয়াদ শেষ নাগাদ তা ১৫.৩ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য ঠিক করেন।

“করদাতার সংখ্যা অত্যন্ত লজ্জাকর। আমাদের লক্ষ্য করদাতার সংখ্যা ১২ লাখ থেকে আগামী বছরই ১৫ লাখে উন্নীত করব।”

আয়করকে ‘সর্বোত্তম কর ব্যবস্থা’ উল্লেখ করে মুহিত বলেন, “এতে আয়ের অনুপাতে করহার বৃদ্ধি পায়। এক সময় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এই উৎস থেকে আদায় করত ১০ শতাংশের কম। বর্তমানে এই উৎস থেকে আদায়ের পরিমাণ ৩৭ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।”

সম্পদ বিবরণী জটিল বলে অনেক প্রান্তিক করদাতা রিটার্ন দাখিলে নিরুৎসাহিত হন স্বীকার করে নিয়ে মন্ত্রী ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত সম্পদ রয়েছে এম করদাতার সম্পদ বিবরণী দাখিল ঐচ্ছিক করার প্রস্তাব করেন।

সোনালীনিউজ/ঢাকা/এমএইচএম

 

add-sm
Sonali Tissue
রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর, ২০১৬, ১৯ অগ্রাহায়ণ ১৪২৩