সোমবার, ১৭ জুন, ২০১৯, ৩ আষাঢ় ১৪২৬

নুসরাত হত্যার চার্জশিট

আসামি করা হয়নি ওসি মোয়াজ্জেমকে

আদালত প্রতিবেদক | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ৩০ মে ২০১৯, বৃহস্পতিবার ০৩:২৫ পিএম

আসামি করা হয়নি ওসি মোয়াজ্জেমকে

ঢাকা : ফেনীর সোনাগাজীর ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ এস এম সিরাজ-উদ-দৌলাসহ ১৬ জনকে অভিযুক্ত করে নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় চার্জশিট (অভিযোগপত্র) জমা দিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

বুধবার (২৯ মে) দুপুর সোয়া ২টার দিকে ফেনীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসেনের আদালতে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহ আলম আদালতে এ চার্জশিট জমা দেন।

এদিকে নুসরাতকে হত্যার ঘটনায় আসামির তালিকা থেকে সোনাগাজী থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোয়াজ্জেম হোসেনকে বাদ রেখে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়ায় আপত্তি করেছে বাদীপক্ষ। সর্বশেষ তিনি নুসরাতের আনা যৌন হয়রানির অভিযোগ ভিডিওতে ধারণ এবং তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে আইসিটি আইনে দায়ের মামলায় আগাম জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন।

অন্যদিকে ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনকে গ্রেফতারে আদালতের জারি করা পরোয়ানা দুদিনেও ফেনীতে পৌঁছেনি। তিনি এখন কোথায় আছেন সে বিষয়েও স্পষ্ট কিছু বলতে পারেননি পুলিশ কর্মকর্তারা। অবশ্য দ্রুততম ৫০ দিনে চার্জশিট দেওয়ায় নুসরাতের স্বজনরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

চার্জশিটে নুসরাত হত্যায় অভিযুক্ত ১৬ আসামি হলো- মাদরাসা অধ্যক্ষ এস এম সিরাজ-উদ-দৌলা (৫৭), নুর উদ্দিন (২০), শাহাদাত হোসেন শামীম (২০), মাকসুদ আলম ওরফে মোকসুদ আলম কাউন্সিলর (৫০), সাইফুর রহমান মোহাম্মদ জোবায়ের (২১), জাবেদ হোসেন ওরফে সাখাওয়াত হোসেন জাবেদ (১৯), হাফেজ আবদুল কাদের (২৫), আবছার উদ্দিন (৩৩), কামরুন নাহার মনি (১৯), উম্মে সুলতানা ওরফে পপি ওরফে তুহিন ওরফে শম্পা ওরফে চম্পা (১৯), আবদুর রহিম শরীফ (২০), ইফতেখার উদ্দিন রানা (২২), ইমরান হোসেন ওরফে মামুন (২২), মোহাম্মদ শামীম (২০), রুহুল আমিন (৫৫) ও মহিউদ্দিন শাকিল (২০)।

ওসি কেন আসামি নন, প্রশ্ন বাদীপক্ষের : নুসরাতকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় আসামির তালিকা থেকে ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনকে বাদ রেখে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়ায় আপত্তি করেছে বাদীপক্ষ।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ফেনীর পিবিআই পরিদর্শক শাহ আলম জানান, অধ্যক্ষ সিরাজ-উদ-দৌলাকে এ মামলায় ‘হুকুমদাতা’ হিসেবে ১ নম্বর আসামি করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ নেতা হিসেবে নির্বাচিত পৌর কাউন্সিলর ও মাদরাসার প্রভাষকও রয়েছে আসামির তালিকায়।

এছাড়া এ ঘটনায় তিন পুলিশ সদস্যের দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ মিলেছে। আর ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে প্রচার চালানোর অভিযোগে আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে সোনাগাজী থানার সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে। কিন্তু তাকে মামলায় আসামি করা হয়নি।

বাদীপক্ষের আইনজীবী এম শাহজাহান সাজু বলেন, ‘ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন প্রথম থেকে হত্যার ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে প্রচারণা চালান। কিন্তু তাকে আসামি করা হয়নি।’ তিনি বলেন, ‘অভিযোগপত্রের শুনানির দিন আইনজীবীরা পিবিআইর কাছে জানতে চাইবেন কেন তাকে আসামি করা হয়নি। প্রয়োজনে মামলার বাদী নুসরাতের ভাই নোমানের সঙ্গে আলাপ করে অভিযোগপত্রের বিরুদ্ধে নারাজি জানানো হবে।’ আজ বৃহস্পতিবার অভিযোগপত্রের ওপর শুনানি হবে বলে তিনি জানান।

আইনজীবী শাহাজান বলেন, ধারা অনুযায়ী মামলাটির বিচারকাজ চলবে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে। সেক্ষেত্রে আমলি আদালত থেকে মামলাটি ওই ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করতে হবে। এরপর মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণের ওপর শুনানি হবে।

পিবিআই চট্টগ্রাম বিভাগের বিশেষ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইকাবাল জানান, পিবিআই মামলা তদন্তের দায়িত্ব নেওয়ার ৫০ দিনের মধ্যে ৩৩ কার্যদিবসে ৮০৮ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্রটি আদালতে দাখিল করেছে। তিনি বলেন, ‘অভিযোগপত্রে আগুন দেওয়ার ঘটনায় সরাসরি জড়িত পাঁচজনসহ মোট ১৬ জনকে আসামি করা হয়েছে।

এছাড়া ওই মাদরাসার গভর্নিং বডির সহ-সভাপতি স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা রুহুল আমীন ও সোনাগাজীর পৌর কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ নেতা মাকসুদ আলম ওই হত্যাকাণ্ড বাস্তবায়নে আর্থিক সহযোগিতাসহ বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।’ মোহাম্মদ ইকাবাল আরো বলেন, ‘অভিযোগপত্রে ৯২ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কার্যবিধির ১৬১ ধারায় ৬৯ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে। আর সাতজন ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিমূলক স্বাক্ষ্য দিয়েছেন।’

ইকবাল বলেন, ‘আগুনে পুড়িয়ে হত্যা, হত্যার পরিকল্পনায় অংশগ্রহণ ও হত্যাকাণ্ডে সহযোগিতায় জড়িতদের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩)-এর ৪ (১) ও ৩০ ধারায় অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। পিবিআই অভিযোগপত্রে ১৬ আসামির সবার সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড চেয়েছে।’

মামলার বাদী নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান বলেন, ‘পিবিআই আদালতে যে অভিযোগপত্রটি দিয়েছে তার বিস্তারিত আমার এই মুহূর্তে জানা নেই। আমি দেখব অভিযোগপত্রে কারা আসামি হয়েছেন। তবে আমি মনে করি আমার বোনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়া ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনকে এ মামলায় অভিযোগপত্রে আসামি করা উচিত ছিল। আমি আমার আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

নুসরাতের মা শিরিন আক্তার বলেন, ‘মামলার পর থেকে অনেক ধরনের হুমকি পেয়েছি। তবে আমরা এটাকে আমলে নিইনি। যেখানে মেয়েকে হারিয়েছি, সেখানে নিজেরা বেঁচে থেকে কী করব? যেখানে নুসরাত হত্যার বিচারের দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিয়েছেন, সেখানে আমাদের মেরে ফেললেও কোনো সমস্যা নেই। মামলার অভিযোগপত্রে অধ্যক্ষ সিরাজ-উদ-দৌলা, কাউন্সিলর মাকসুদ আলমসহ ১৬ জনকে অভিযুক্ত করায় আমরা সন্তোষ প্রকাশ করছি। একই সঙ্গে আমরা আদালতের কাছে সব আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি।’

গ্রেফতার এড়াতে হাইকোর্টে ওসি মোয়াজ্জেমের জামিন আবেদন : নুসরাতের আনা যৌন হয়রানির অভিযোগ ভিডিওতে ধারণ এবং তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে আইসিটি আইনে দায়ের মামলায় আগাম জামিন চেয়ে সোনাগাজী থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোয়াজ্জেম হোসেন হাইকোর্টে আবেদন করেছেন।

বুধবার (২৯ মে) বিচারপতি মো. হাবিবুল গণি ও বিচারপতি মহিউদ্দিন শামীমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে ওসি মোয়াজ্জেমের পক্ষে আবেদনটি করেন আইনজীবী সালমা সুলতানা। এর আগে গত সোমবার এ মামলায় ওসি মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আস সামছ জগলুল হোসেন এ আদেশ দেন।

গত ১৫ এপ্রিল বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন বাদী হয়ে ওসি মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে আইসিটি আইনে মামলাটি দায়ের করেন। এরপর বিচারক মামলাটি পিবিআইকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

ওসি মোয়াজ্জেম কোথায়? : ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনকে গ্রেফতারে আদালতের জারি করা পরোয়ানা দুদিনেও ফেনীতে পৌঁছেনি। মোয়াজ্জেম হোসেন এখন কোথায় আছেন সে বিষয়েও স্পষ্ট কিছু বলতে পারেননি পুলিশ কর্মকর্তারা। এরই মধ্যে বুধবার তিনি আগাম জামিন চেয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় একটি আবেদন করেছেন। কিন্তু বিষয়টি যেহেতু এখনো শুনানির জন্য আসেনি, সেহেতু তিনি আদালতেও হাজির হননি।

গত মার্চ মাসে নুসরাত তার মাদরাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ করার পর তার তদন্তে তৎকালীন ওসি মোয়াজ্জেম সোনাগাজী থানায় ডেকে নিয়ে ওই মাদরাসাছাত্রীর জবানবন্দি নিয়েছিলেন। তার কয়েক দিনের মাথায় নুসরাতের গায়ে অগ্নিসংযোগ করা হলে তা নিয়ে সারা দেশে আলোচনার মধ্যে ওই জবানবন্দির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

অগ্নিদগ্ধ নুসরাতের মৃত্যুর পর গত ১৫ এপ্রিল ওই ভিডিও ছড়ানোর জন্য ওসি মোয়াজ্জেমকে আসামি করে ঢাকায় বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন আইনজীবী সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।

ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মাদ আস সামছ জগলুল হোসেন ওই অভিযোগ তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই)। এর ধারাবাহিকতায় পিবিআই যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়, সেখানে ওসি মোয়াজ্জেমের নিজের মোবাইল ফোনে জবানবন্দি রেকর্ড করার এবং তা ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগের প্রমাণ পাওয়ার কথা বলা হয়।

পিবিআইয়ের দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মাদ আস সামছ জগলুল হোসেন গত সোমবার মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন।

এদিকে নুসরাতকে পুড়িয়ে হত্যার পর ওসি মোয়াজ্জেমকে প্রথমে সোনাগাজী থানা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। পরে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয় পুলিশ বাহিনী থেকে।

ফেনীর পুলিশ সুপার কাজী মো. মনিরুজ্জামান বলেন, মোয়াজ্জেম হোসেনকে প্রত্যাহার করে রংপুর রেঞ্জে পাঠানো হয়েছে। শুনেছি তার নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা হয়েছে। তবে বুধবার দুপুর পর্যন্ত আমাদের কাছে কোনো গ্রেফতারি পরোয়ানা আসেনি।

আর রংপুর রেঞ্জের ডিআইজির স্টাফ অফিসার এএসপি শরিফুল আলম জানান, ফেনী থেকে প্রত্যাহার করার পর পরিদর্শক মোয়াজ্জেম নিয়ম অনুযায়ী রংপুরে যোগদান করেন। তিনি বলেন, যোগদানের পর নুসরাতের ঘটনার সাক্ষ্য দিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের তলবে তিনি ঢাকায় যান। ঢাকায় থাকা অবস্থায় চট্টগ্রামের একটি মামলার সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য কাগজ আসে। ২৯ মে বুধবার সেই সাক্ষ্য হওয়ার কথা। বিষয়টি আমরা তাকে জানানোর পর তিনি রংপুরে না ফিরে চট্টগ্রামে যেতে চাইলে তাকে অনুমতি দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (আজ) তিনি কাজে যোগ না দিলে ‘প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে বলে জানান শরিফুল আলম।

দ্রুত চার্জশিট দেওয়ায় নুসরাতের স্বজনদের সন্তোষ প্রকাশ : মাত্র ৫০ দিনের মাথায় নুসরাত হত্যা মামলার অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন মামলার বাদী নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদ হাসান নোমান।

তিনি বলেন, পিবিআই দ্রুত সময়ে মধ্যে আদালতে অভিযোগপত্র প্রদান করায় আমরা খুশি হয়েছি। তবে আমি এবং আমার আইনজীবী অভিযোগপত্রটি পড়ে দেখব সেখানে প্রকৃত অপরাধীদের যথাযথভাবে অন্তর্ভুক্ত করে প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে কি না। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নুসরাত হত্যা মামলার বিষয়টি অত্যন্ত আন্তরিকভাবে দেখেছেন বলে এই মামলার এত দ্রুত অগ্রগতি হয়েছে। এজন্য আমরা তার প্রতি কৃতজ্ঞ।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাতকে যৌন নিপীড়নের দায়ে ওই মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজ-উদ-দৌলাকে আটক করে পুলিশ। ৬ এপ্রিল নুসরাতকে কৌশলে ওই মাদরাসার ছাদে ডেকে নেয় অধ্যক্ষের সহযোগীরা। সেখানে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে তার শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। পাঁচ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে ১০ এপ্রিল রাত সাড়ে ৯টায় মারা যান নুসরাত।

এ ঘটনায় নুসরাতের ভাই মামলা করেন। ওই মামলার ১০ এপ্রিল তদন্তভার পায় পিবিআই।

গ্রেফতারকৃত আসামিদের মধ্যে ১২ আসামি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। এছাড়া ৯২ সাক্ষীর মধ্যে ৭ জনের সাক্ষ্য ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

সোনালীনিউজ/এমটিআই

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Get it on google play Get it on apple store
Sonali Tissue