বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১৩ ফাল্গুন ১৪২৬

ইজতেমায় লাখো মুসল্লির জুমার নামাজ আদায়

নিজস্ব প্রতিবেদক | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ১৭ জানুয়ারি ২০২০, শুক্রবার ০৮:২৬ পিএম

ইজতেমায় লাখো মুসল্লির জুমার নামাজ আদায়

ঢাকা : ঢাকার অদূরে টঙ্গীর তুরাগপাড়ে কয়েক লাখ মুসল্লি আদায় করেছেন জুমার নামাজ। এতে ইমামতি করেন বাংলাদেশের মাওলানা মোশারফ হোসেন।নামাজের আগে খুতবায় ইসলামি জীবন-যাপনের দিক নির্দেশনা তুলে ধরা হয়।

শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) বাদ ফজর আম বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় ৫৫তম বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বের আনুষ্ঠানিকতা।

এ পর্বেও টঙ্গীর তুরাগপাড়ে সমবেত হয়েছেন লাখো মুসল্লি। দ্বিতীয় পর্বের ইজতেমায় অংশ নিচ্ছেন ভারতের মাওলানা সাদ কান্ধলভীর অনুসারীরা। পরিস্থিতি বিবেচনায় ভারতের নিজামুদ্দিন মারকাজের শীর্ষ মুরব্বি মাওলানা সাদ কান্ধলভী এবারও ইজতেমায় আসছেন না। তার জায়গায় দিল্লি মারকাজের শীর্ষ মুরব্বি ও আলেমসহ ৩২ সদস্যের তত্ত্বাবধানেই পরিচালিত হচ্ছে এ পর্বের ইজতেমা।

ফজরের পর উর্দুতে আমবয়ান করেন সৌদি আরবের মাওলানা ওসমান আলী। বাংলা তরজমা করেন আবদুল্লাহ মনসুর।

ইজতেমায় অংশ নিতে দু’দিন আগে থেকে ইজতেমা ময়দানে সমবেত হতে থাকেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। তাদের পদচারণায় পুরো ইজতেমা ময়দান ও আশপাশের এলাকা মুখর হয়ে ওঠেছে।

বুধবার (১৫ জানুয়ারি) থেকে বিচ্ছিন্নভাবে মাঠে প্রবেশ করতে শুরু করেন মুসল্লিরা। বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) ভোর থেকে বিকাল পর্যন্ত আসেন সবচেয়ে বেশি মুসল্লি।

দেশের বাইরে থেকেও দলে দলে যোগ দিচ্ছেন মুসল্লিরা। এই পর্বে যোগ দিতে ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে মুসল্লিরা ভিড় করেন বেনাপোল বন্দরে। দলে দলে ভাগ হয়ে ইজতেমায় যোগ দিতে টঙ্গীর উদ্দেশে রওয়ানা হন হাজারও মানুষ।

তাবলিগ জামাতের ৪৫ সদস্যের প্রতিনিধি দল বেনাপোলে বিদেশি মুসল্লিদের সার্বিক সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। চলতি মাসে প্রায় ৪ হাজার বিদেশি মুসল্লি বেনাপোল বন্দর দিয়ে এসেছেন। বেনাপোল চেকপোস্টের একটি মসজিদে বিশ্রামের জন্য কিছু সময় অবস্থান নেন তারা। বেশিরভাগ মুসল্লি ভারতসহ ইন্দোনেশিয়া, ফ্রান্স, আমেরিকা, ফিনল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়া, ইথোপিয়া, কানাডা থেকে দিল্লির নিজাম উদ্দিন মারকাজ হয়ে বেনাপোলে আসছেন।

ইজতেমা উপলক্ষে টঙ্গীসহ আশপাশের এলাকায় মোতায়েন রয়েছে পুলিশ, র‍্যাবসহ আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর সাড়ে ৮ হাজার সদস্য। নেয়া হয়েছে ৫ স্তরের নিরাপত্তা।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আনোয়ার হোসেন জানান, ৪ শতাধিক সিসিটিভি ক্যামেরায় ইজতেমা ময়দান মনিটরিং হচ্ছে।

১৯ জানুয়ারি (রোববার) দ্বিতীয় পর্বের আখেরি মোনাজাত। এরমধ্য দিয়েই শেষ হবে ৫৫তম বিশ্ব ইজতেমা।

১২ জানুয়ারি (রোববার) আখেরি মোনাজাতে শেষ হয় প্রথম পর্বের কার্যক্রম। প্রথম পর্বে অংশ নেন মাওলানা জুবায়েরের অনুসারীরা।

সোনালীনিউজ/এমটিআই