শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৯, ৩ কার্তিক ১৪২৬

উত্তাল ক্যাম্পাসগুলো

নিউজ ডেস্ক | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ০৯ অক্টোবর ২০১৯, বুধবার ০১:৪৭ পিএম

উত্তাল ক্যাম্পাসগুলো

ঢাকা : বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে রোববার (৬ অক্টোবর) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শেরেবাংলা হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে পেটান বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা। পরে রাত তিনটার দিকে দোতলায় ওঠার সিঁড়ির মাঝ থেকে আবরারের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় গত সোমবার থেকে সারা দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় উত্তাল থাকে।

মঙ্গলবারও (৮ অক্টোবর) এমনটা দেখা যায়। বাদ যাননি সর্বস্তরের শিক্ষার্থী ও মানুষ।

আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর—

অনির্দিষ্টকালের জন্য বুয়েটে ভর্তি ও একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা : দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য বুয়েটে ভর্তি ও একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছেন আন্দোলনকারীরা। আবরার ফাহাদের হত্যাকারীদের ফাঁসিসহ সাত দফা দাবিতে গতকাল সকাল থেকে বুয়েট ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। পরে তারা সাতটির বদলে আটটি দাবির কথা জানান।

শিক্ষার্থীদের আট দফা দবি হলো- খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে খুনিদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করতে হবে, আবাসিক হলগুলোতে র্যাগের নামে এবং ভিন্নমত দমানোর নামে নির্যাতন বন্ধে প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা নিশ্চিত করতে হবে, ঘটনার ৩০ ঘণ্টা পরও ভিসি কেন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হননি, মঙ্গলবার বিকাল ৫টার মধ্যে ভিসিকে ক্যাম্পাসে উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের কাছে এর জবাব দিতে হবে, হত্যা মামলার খরচ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে বহন করতে হবে, এর আগের ঘটনাগুলোর বিচার করতে হবে, ১১ অক্টোবরের মধ্যে শেরেবাংলা হলের প্রভোস্টকে প্রত্যাহার করতে হবে এবং ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করতে হবে। এ ছাড়া আগামী সাত দিনের মধ্যে বুয়েটে সব ছাত্ররাজনীতি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের ঘোষণা দেন তারা।

সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছে শিক্ষক সমিতি। গতকাল দুপুরে শহীদ মিনারের পাদদেশে বুয়েটের শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. এ কে এম মাসুদ রানা শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, বাবা-মা শিক্ষার্থীদের আমাদের হাতে তুলে দিয়ে গেছেন। কিন্তু আমরা দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছি। আমরা শিক্ষার্থীদের সব দাবির সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করছি।

ঢাবিতে গায়েবানা জানাজা, কফিন মিছিল : আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার প্রতিবাদে গায়েবানা জানাজা ও কফিন মিছিল হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে।

মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে রাজু ভাস্কর্য চত্বরে এই গায়েবানা জানাজায় নেতৃত্ব দেন ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক আকতার হোসেন। পরে প্রতীকী কফিন নিয়ে শিক্ষার্থীদের একটি বিশাল মিছিল বুয়েটে যায়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বর, পলাশী হয়ে বুয়েট ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে সেই কফিন মিছিল। সেখানে কিছুক্ষণ অবস্থানের পর বকশিবাজার হয়ে আবার টিএসসির দিকে ফেরেন তারা।

গায়েবানা জানাজার পর সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুর। পরে কফিন মিছিল থেকে ‘ভারতের দালালরা, হুঁশিয়ার সাবধান’, ‘দেশবিরোধী চুক্তি বাতিল কর, করতে হবে’, ‘আবরারের খুনিদের, ফাঁসি চাই দিতে হবে’, ‘ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা, হুঁশিয়ার সাবধান’, ‘ছাত্রলীগের গুন্ডারা, হুঁশিয়ার সাবধান’, ‘বুয়েট তোমার ভয় নাই, আমরা আছি লাখো ভাই’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে শোনা যায়।

খুনিদের ফাঁসির দাবিতে জাবি শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ : বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এ সময় শিক্ষার্থীরা বলেন, ভারতের সঙ্গে সাম্প্রতিক চুক্তিতে দেশের স্বার্থ বিসর্জন দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) বেলা একটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের পাদদেশ থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক ঘুরে জয় বাংলা ফটকে গিয়ে শেষ হয়। পরে জয় বাংলা ফটকসংলগ্ন ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করেন তারা। শিক্ষার্থীরা বেলা আড়াইটা পর্যন্ত অবরোধ চালিয়ে যান।

ভাসানী প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ : আবরার ফাহাদ হত্যার প্রতিবাদে মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গেলবার (৮ অক্টোবর) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে এসে অবস্থান নেয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা আবরার হত্যার প্রতিবাদ ও বিচারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন এবং দোষীদের অবিলম্বে শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।

একাই আন্দোলনে চবি ছাত্র : নিজ হাতে লিখে এনেছেন প্ল্যাকার্ড। তাতে লেখা- ‘আমি কোনো দল করি না, আমি রাষ্ট্রদ্রোহী নই, যে কোনো বিষয়ে আসুন, বসুন, কথা বলুন কিন্তু রাগারাগি মারামারি বন্ধ করুন। আমার ভাই আবরার হত্যার বিচার চাই।’

মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) সকাল ১১টা। বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার চত্বরে একাই আবরার ফাহাদ হত্যার বিচার দাবি করলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) পরিসংখ্যান বিভাগের ৪র্থ বর্ষের ছাত্র খালেদ সাইফুল্লাহ।

খালেদ সাইফুল্লাহ বলেন, কেউ আন্দোলন করুক আর নাই করুক। আমার মনে হয়েছে এই হত্যার বিচার চাইতে হবে। তাই নিজে প্ল্যাকার্ড নিয়ে আমার ভাই আবরার হত্যার বিচার চেয়েছি। আমরা যদি এখন থেকে তীব্র প্রতিবাদ না জানাই, আগামী দিনে আমি, আপনি আবরারের মতো খুন হব।

রাবি শিক্ষার্থীদের রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ : আবরার ফাহাদ হত্যার বিচারসহ পাঁচ দফা দাবিতে রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে মহাসড়ক অবরোধ করে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় পুলিশ এসে তাদের আন্দোলনে বাধা দিলে পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের একাধিকবার ধস্তাধস্তি ও বািবতণ্ডা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে জড়ো হয় শিক্ষার্থীরা। এরপর সেখান থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মহাসড়কে গিয়ে অবরোধ কর্মসূচি পালন করে। এ সময় মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

উত্তাল বেরোবি : হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল, মহাসড়ক অবরোধ ও মানববন্ধন করেছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সাধারণ শিক্ষার্থীরা। গতকাল দুপুর ১২টায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের ডাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়।

এ সময় মিছিল থেকে ‘আমার ভাই মরল কেন, প্রশাসন জবাব চাই’, ‘জেগেছে রে জেগেছে ছাত্রসমাজ জেগেছে’, ‘লেগেছে রে লেগেছে রক্তে আগুন লেগেছে’, ‘মায়ের বুক খালি কেন প্রশাসন জবাব চাই’, ‘বাবার কাঁধে লাশ কেন প্রশাসন জবাব চাই’, ‘সন্ত্রাসীদের কালো হাত ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও’, ‘আবরার মরে নাই, মরে গেছে বাংলাদেশ’, ‘আবরারের রক্ত বৃথা যেতে দেব না’, ‘আবরারের খুনিদের ফাঁসি চাই, দিতে হবে’ ইত্যাদি স্লোগান দেওয়া হয়।

মিছিলটি ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে রংপুরের মডার্ন মোড়ে রংপুর-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় প্রধান ফটকসংলগ্ন পার্কমোড়ে সমাবেশ ও মানববন্ধনে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের মাধ্যমে শেষ হয়।

এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে অতিদ্রুত খুনিদের গ্রেপ্তর ও তাদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানানো হয়। দেশব্যাপী এসব কর্মসূচিতে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ছাড়াও সব শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

যবিপ্রবিতে বিক্ষোভ : হত্যার দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে প্রতিবাদ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) শিক্ষার্থীরা। গতকাল দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শতাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে এ কর্মসূচি পালিত হয়।

যশোর : মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে যশোর প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। সাধারণ ছাত্র পরিষদ, যশোরের আয়োজনে দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত এ মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

পটুয়াখালী : পটুয়াখালীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। গতকাল বেলা সাড়ে ১১টায় পটুয়াখালী সরকারি কলেজের প্রধান ফটকে সর্বস্তরের শিক্ষার্থীর ব্যানারে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে পটুয়াখালী সরকারি কলেজসহ জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল সরকারি কলেজ রোড এলাকা প্রদক্ষিণ করে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া : জড়িতদের ফাঁসির দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থীরা। গতকাল দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের সামনে জেলার বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে।

রাজবাড়ী : জড়িত ছাত্রলীগ সদস্যদের গ্রেপ্তার ও বিচা‌রের দাবিতে রাজবাড়ীতে মানববন্ধন ক‌রে‌ছে ছাত্র ইউ‌নিয়ন। গতকাল দুপুর ১২টার দি‌কে ছাত্র ইউ‌নিয়ন রাজবাড়ী জেলা সংস‌দের আয়োজ‌নে শহরের ১নং রেল‌গেট সংলগ্ন মু‌ক্তি‌যোদ্ধা স্মৃ‌তি ফলকে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

নোয়াখালী : নোয়াখালীতে মানববন্ধন করতে গিয়ে পুলিশি বাধায় পড়েছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। গতকাল সকাল ১০টার দিকে টাউন হল মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় লাঠিচার্জ করে ও ধাওয়া দিয়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ।

ময়মনসিংহ : মুখে কালো কাপড় বেঁধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে ময়মনসিংহের বিভিন্ন সংগঠন। গতকাল সকালে নগরীর ফিরোজ-জাহাঙ্গীর চত্বরে এ মানববন্ধনের আয়োজন করে প্রগতিশীল ছাত্র জোট ও বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ জেলা শাখা।

কুমিল্লা : বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, ভিক্টোরিয়া ও সরকারি কলেজসহ জেলার বিবেকবান ছাত্রসমাজ। বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন থেকে তারা এই হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার ও জড়িতদের শাস্তির দাবি জানান। গতকাল সকালে কুমিল্লা নগরীর কান্দিরপাড় টাউনহলের সামনে এ বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেন শিক্ষার্থীরা।

খুলনা : খুলনায় মানববন্ধন কর্মসূচি ও বিক্ষোভ করেছে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। গতকাল বেলা ১২টায় নগরীর শিববাড়ী মোড়ে ‘আগুয়ান-৭১’ নামের একটি সংগঠনের ব্যানারে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এ কর্মসূচি পালন করে।

নারায়ণগঞ্জ : মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রগতিশীল ছাত্র জোট। গতকাল দুপুরে নগরীর চাষাঢ়ায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

সিলেট : সিলেটে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীরা। গতকাল দুপুরে নগরীর চৌহাট্টাস্থ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ এ কর্মসূচির আয়োজন করে।

এ ছাড়া সারা দেশের নানা স্থানে বিক্ষোভ ও মানবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

সোনালীনিউজ/এমটিআই

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Get it on google play Get it on apple store
Sonali Tissue