মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ২ আশ্বিন ১৪২৬

এফ আর টাওয়ারের মালিক ফারুক গ্রেফতার

আদালত প্রতিবেদক | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ১৯ আগস্ট ২০১৯, সোমবার ০২:০৪ পিএম

এফ আর টাওয়ারের মালিক ফারুক গ্রেফতার

প্রকৌশলী এস এম এইচ আই ফারুক

ঢাকা : বনানীর এফআর টাওয়ারের নকশা জালিয়াতির মামলায় এবার জমির মালিক প্রকৌশলী এস এম এইচ আই ফারুককে (৭৫) গ্রেফতার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) । এর আগে রোববার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় এফআর টাওয়ারের বর্ধিত অংশের অন্যতম মালিক কাসেম ড্রাইসেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাসভীর উল ইসলামকে।

সোমবার (১৯ আগস্ট) দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এরআগেও গুলশান ও বারিধারা থেকে এফআর মামলায় অভিযুক্ত তাসভির উল ইসলাম ও এস এম এইচ আই ফারুককে গ্রেফতার করেছিল ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা উত্তর বিভাগ।

চলতি বছরের ২৮ মার্চ এফ আর টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডে ২৬ জন নিহত হন। এরপর ভবনটি নির্মাণে ত্রুটি, নকশা জালিয়াতি, অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রমাণ পায় দুদক।

এ ঘটনায় গত ২৫ জুন নকশা জালিয়াতির অভিযোগে এফআর টাওয়ারের মালিক, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) দুই চেয়ারম্যানসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করে দুদক।

দুদক উপপরিচালক আবু বকর সিদ্দিক বাদী হয়ে এফআর টাওয়ারের দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ মামলা দুটি দায়ের করেন। মামলা দুটি তদন্তের পর বিশেষ জজ আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হবে। এরপর শুরু হবে বিচার।

এর আগে গত ৩০ মার্চ শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১০টায় বারিধারার নিজ বাসা থেকে ডিবি পুলিশ গ্রেফতার করে বনানীর এফ আর টাওয়ারের অবৈধ ফ্লোরগুলোর মালিক কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির সভাপতি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য তাসভির উল ইসলামকে। তাসভির উল ইসলাম এফ আর টাওয়ারের ভবন পরিচালনা সোসাইটির সভাপতি দায়িত্বে ছিলেন। তিনি ভবনটির ২০, ২১ ও ২২ তলার মালিক এবং কাশেম ড্রাই সেল কোম্পানির এমডি।

এফ আর টাওয়ার কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ ভবনের জমির মালিক প্রকৌশলী এস এম এইচ আই ফারুক। তিনি ১৯৯৫ সালে ভবনের নকশার জন্য রাজউকে আবেদন করেন। অনুমোদন পাওয়ার প্রেক্ষিতে রূপায়ন গ্রুপকে ভবন বানানোর জন্য জমি দেওয়া হয়। ২০০৫ সালে কাজ শুরু হওয়া ভবনটি চালু হয় ২০০৭ সালে।

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ জানায়, এফ আর টাওয়ারের ফাইল ঘেটে ১৮ তলা ভবনের নকশা পাওয়া গেছে, যেটার স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিলো। তবে আরেকটি ২৩ তলা ভবনের ড্রইং পাওয়া গেছে, যার অনুমোদন নেই।

অনুমোদনের বাইরে উপরের ৫ তলা তৈরির বিষয়ে জমির মালিক ফারুকের ম্যানেজার কামাল হোসেন জানিয়েছিলেন, ১৮ তলার অনুমোদন থাকা সত্ত্বেও ২৩ তলা করার বিষয়ে আমাদের আপত্তি ছিলো। কিন্তু এ ভবন পরিচালনা সোসাইটির সভাপতি তাসভির বলেছেন সমস্যা নাই।

সোনালীনিউজ/এএস

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Get it on google play Get it on apple store
Sonali Tissue