রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২০, ১৪ চৈত্র ১৪২৬

করোনা প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রীর ১৪ নির্দেশনা 

নিজস্ব প্রতিবেদক | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ১৯ মার্চ ২০২০, বৃহস্পতিবার ০৮:০২ পিএম

করোনা প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রীর ১৪ নির্দেশনা 

ঢাকা : বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে প্রাণঘাতী মহামারি করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯)। এই ভাইরাস প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ করাটাই বেশি জরুরি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিক নির্দেশনায় বাংলাদেশ সরকারও করোনা মোকাবিলায় ১৪টি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। 

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিবআশরাফুল আলম খোকনের পাঠানো ১৪টি পদক্ষেপ পাঠকদের উদ্দেশে তুলে ধরা হলো-

১. জেলা, উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে পৃথক বেড রাখা হয়েছে। করোনা ভাইরাসের লক্ষণ দেখা দিলে হটলাইন নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য নির্ধারিত নম্বর দেওয়া হয়েছে।

২. রাজধানীতে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের জন্য চারটি হাসপাতাল বরাদ্দ রাখা হয়েছে। মুগদা জেনারেল হাসপাতাল, কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল, মহানগর হাসপাতাল ও কুর্মিটোলা হাসপাতাল। 

৩. করোনা ভাইরাস শনাক্ত করার জন্য আগামী দুই দিনের মধ্যেই আসছে আরও দুই হাজার কিট। এছাড়া চীন সরকার কাছ থেকে আসছে আরও ১০ হাজার কিট, ১৫ হাজার সার্জিক্যাল মাস্ক, ১০ হাজার মেডিকেল প্রটেকটিভ ড্রেস এবং ১ হাজার ইনফারেড থার্মোমিটার। 

৪. বিদেশ থেকে যারা আসছেন তাদের তালিকা ঠিকানাসহ জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন আগত প্রবাসীদের হোম কোয়ারেন্টাইন রাখার ব্যবস্থা করছেন। যারা হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার আইন ভঙ্গ করছেন তাদের জরিমানাও করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) টাঙ্গাইল মাদারীপুরসহ বিভিন্ন জায়গায় ৩৫ প্রবাসীকে জরিমানা করা হয়েছে। 

৫. যাদের শরীরে করোনা ভাইরাসের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে তাদের আশকোনা হাজি ক্যাম্পসহ নিরাপদ স্থানগুলোতে রাখার ব্যবস্থা করেছে। 

৬. স্কুল-কলেজগুলো বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। কোচিং সেন্টারগুলো বন্ধ করা হয়েছে। জনপ্রতিনিধিদের অফিশিয়ালি চিঠি দিয়ে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। 

৭. ইউরোপিয়ান দেশগুলোর সব ফ্লাইট বন্ধ করা হয়েছে। 

৮. গাইডলাইন, জনসচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন সরকারের পক্ষ থেকে মিডিয়াতে প্রচার করা হচ্ছে। জেলা, উপজেলা পর্যায়ে লিফলেট বিতরণ করা হচ্ছে। 

৯. পতেঙ্গা ও কক্সবাজারসহ পর্যটন কেন্দ্রগুলো বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। 

১০. কোনো আবাসিক হোটেলে বিদেশি থাকলে সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসনকে অবহিত করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। 

১১. যাদের হাঁচি, কাশি ও জ্বর তাদের জুমার নামাজে শামিল না হবার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। 

১২. চাল, ডালসহ নিত্যপণ্যের বাজার স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসকরা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা এবং কেউ যেন নিত্যপণ্যের বাড়তি দাম আদায় করতে না পারে সে লক্ষ্যে বাজার মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। 

১৩. জেলা, উপজেলায় কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। জেলা ও উপজেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে তৎপর রাখা হয়েছে। 

১৪. করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা ব্যক্তিদের মনিটরিং, জনসচেতনতা বৃদ্ধি, স্কুল ও কোচিং বন্ধ রাখা এবং বাজার ব্যবস্থা স্থিতিশীল রাখার নিমিত্ত প্রত্যেক উপজেলায় একটি করে টাস্কফোর্স টিম অভিযান পরিচালনা করছে। 

সোনালীনিউজ/এএস
 

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Get it on google play Get it on apple store
Sonali Tissue