রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৭ আশ্বিন ১৪২৬

কারাগার থেকে যেভাবে বাসায় গেলেন মিন্নি (ভিডিও)

বরগুনা প্রতিনিধি | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার ০৮:০০ পিএম

কারাগার থেকে যেভাবে বাসায় গেলেন মিন্নি (ভিডিও)

ঢাকা: বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার তার স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা ওরফে মিন্নি অবশেষে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। এরপর একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে বাসায় নিয়ে যায় স্বজনরা। গ্রেফতারের ৪৮ দিন পর বরগুনা জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি।

মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কারাগার থেকে মুক্তি পান মিন্নি।

মিন্নি কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে কারাগার প্রাঙ্গণে উপস্থিত হয় উৎসুক জনতা। এ সময় কারা ফটকে মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হক কিশোর, ভাই আবদুল মুহিত কাফি, তার আইনজীবী মাহবুবুল বারী আসলাম এবং অ্যাডভোকেট মোস্তফা কাদের উপস্থিত ছিলেন। কারাগার প্রাঙ্গণে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সদস্যরাও।

মুক্তির মিন্নির আইনজীবী মাহবুবুল বারী আসলাম জানান, মিন্নি মুক্তি পেয়েছেন।

তিনি বলেন, মিন্নিকে দেয়া হাইকোর্টের অন্তর্বর্তী জামিনের আদেশের স্বাক্ষরিত কপি মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে বরগুনার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এসে পৌঁছায়। আমরা মিন্নির পক্ষে বেলবন্ড দাখিলের অনুরোধ করি। বিচারক বেলবন্ড গ্রহণ করে কারা কর্তৃপক্ষকে রিলিজ অর্ডার পাঠান।

এর আগে, দুপুর ১২টার দিকে মিন্নির জামিনের আদেশের কপি বরগুনার আদালতে পৌঁছায়। সেখানে আইনি প্রক্রিয়া শেষে জামিনের আদেশের কপি কারাগারে পাঠানো হয়। গত সোমবার রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় তার স্ত্রী মিন্নিকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত চেয়ে করা রাষ্ট্রপক্ষের আপিল আবেদনের ওপর নো-অর্ডার (কোনো আদেশ নয়) দেন সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার আদালত। চেম্বার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর আদালত এ আদেশ দেন। এর ফলে মিন্নির জামিনের মুক্তিতে আর কোনও বাধা নেই বলে জানান আইনজীবীরা।

উল্লেখ্য, গত ২৬ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনের রাস্তায় সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে রামদা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে রিফাত শরীফকে। তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি হামলাকারীদের সঙ্গে লড়াই করেও তাদের দমাতে পারেননি। গুরুতর আহত রিফাতকে ওইদিন বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে বিকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ ঘটনায় রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ ও পাঁচ-ছয় জনকে অজ্ঞাত আসামি করে বরগুনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

সোনালীনিউজ/এমএএইচ