মঙ্গলবার, ১৮ জুন, ২০১৯, ৪ আষাঢ় ১৪২৬

‘ক্রেতাদের প্রচণ্ড চাপ, দরদামের সুযোগ নেই’

নিজস্ব প্রতিবেদক | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ০৫ জুন ২০১৯, বুধবার ০৭:১২ এএম

‘ক্রেতাদের প্রচণ্ড চাপ, দরদামের সুযোগ নেই’

ঢাকা : মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে বুধবার (৫ জুন)। মঙ্গলবার (৪ জুন) জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি আগের সিদ্ধান্ত বদলে রাত ১১টার পর হিজরি শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার ঘোষণা দিয়ে জানায় বুধবার সারা দেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। এমন ঘোষণার পরপরই টুপি ও আতর কিনতে রাতেই বিভিন্ন মার্কেটমুখী হয়েছেন অসংখ্য মানুষ।

মঙ্গলবার (৪ জুন) দিনগত রাতে বগুড়া শহরের নিউমার্কেট এলাকার কেন্দ্রীয় বড় মসজিদ ঘেঁষে গড়ে ওঠা টুপি, আতর, সুরমা, জায়নামাজের দোকানগুলোতে দেখা গেছে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। ক্রেতাদের সবশেষ ঈদ কেনাকাটার তালিকার রয়েছে টুপি, আতর, জায়নামাজসহ নানা আইটেমের সুগন্ধি। শিশু থেকে শুরু করে প্রায় সব বয়সী পুরুষেরই টুপি ও সুমিষ্ট ঘ্রাণের আতর দরকার পড়ে।

বাহারি ডিজাইনের টুপি নানাভাবে সাজিয়ে রাখা হয়েছে দোকানে দোকানে। আছে জায়নামাজ আর রুমালও। ঝুঁড়ি, টেবিল, ছোট আলমারিতে শোভা পাচ্ছে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের আতর, সুরমা ও সুরমাদানি।

দোকানি শফিকুল ইসলাম জানান, ‘প্রতি বছর রমজান শুরুর আগেই রকমারি ডিজাইনের টুপি, নামি-দামি ব্র্যান্ডের আতর, সুরমা, জায়নামাজ, লাঠি, মেসওয়াক, ছোট-বড় রুমাল, পাগড়িসহ মুসল্লিদের জন্য বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানি করা হয়েছে।’

দোকানি মাসুদ রানা বলেন, ‘ক্রেতাদের প্রচণ্ড চাপ। দামদরের সুযোগ নেই। প্রায় একদরেই সবকিছু বিক্রি হচ্ছে। তবে, সুযোগ আছে বলেই কোনো কিছুর বাড়তি নেওয়া হচ্ছে না। ক্রেতারাও তেমন একটা দামাদামি করেন না। রাত থেকে একটানা ঈদের দিন সকাল পর্যন্ত চলবে বেচাবিক্রি।’

তবে কামাল পাশা নামে এক ক্রেতা জানান, প্রায় সবকিছুই কেনা হয়েছে। বাকি ছিল শুধু টুপি আর আতর। সেটাও মাত্র কেনা হয়ে গেছে।

সোনালীনিউজ/এমটিআই