শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৫ আশ্বিন ১৪২৬

ঘনঘন চাকরি বদলানোর অভ্যাস ভয়ঙ্কর! 

লাইফস্টাইল ডেস্ক | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ২৫ এপ্রিল ২০১৯, বৃহস্পতিবার ১২:৩৭ পিএম

ঘনঘন চাকরি বদলানোর অভ্যাস ভয়ঙ্কর! 

ঢাকা: কাজের স্থান নির্বাচনে অনেকেই অনেক দিক বিবেচনা করেন। প্রতিদিনের একঘেয়েমি কাজে অনেকেরই অনিহা চলে আসে। আবার যদি আপনার কাজের কোনো মূল্যায়নও না হয়। আবার বেতনও সন্তোষজনক না। অপরদিকে সবদিক থেকে সুবিধামতো অন্য কোনো জায়গায় যদি আপনি চাকরি পেয়ে যান, তবে চাকরি বা কাজের জায়গা পাল্টানোর ভালো। কিন্তু বারবার চাকরি বদল করার স্বভাব যদি আপনার থেকে থাকে, জেনে রাখুন, সেটা মোটেও ভালো কিছু নয়! চলুন তবে জেনে নেয়া যাক চাকরি বদলে ভালো মন্দ দিকগুলো- 

চাকরি বদলে ভালো দিক:
বর্তমান কাজের জায়গায় আপনার দক্ষতা বাড়ানোর সুযোগ খুব কম। ধরা-বাঁধা কাজ ছাড়া নতুন কিছু করার বা শেখার উপায় নেই এখানে। এমন অবস্থায় নতুন চাকরির সুযোগ এলে আপনি অবশ্যই সেটা বিবেচনা করবেন। যদি নতুন জায়গায় আপনার দক্ষতা বৃদ্ধির সুযোগ-সুবিধা ভালো পাওয়া যায়, কাজের ধরণ নিয়ে আপনি সন্তুষ্ট হতে পারেন, সেক্ষেত্রে আপনার উচিত চাকরি পাল্টানো। কেননা এখনকার কাজটা থেকে আপনি ভালো কিছু পাচ্ছেননা, আর নতুন কাজটা আপনাকে অনেক কিছুই ভালো দিতে পারে। আবার, বর্তমান চাকরিতে আরামে থাকলেও বেতনটা খুব কম। অনেকদিন হয়ে গেলেও পদোন্নতি মিলছেনা। সেসব অনুচিত মনে হচ্ছে? তাহলেও আপনার উচিত নতুন চাকরির খোঁজ করা। কাজের তুলনায় পারিশ্রমিক কম পাওয়া গেলে সেই কাজ যথাযথ নয়। কাজের মূল্যায়ন না পেলেও এক জায়গায় কাজ ধরে রাখার মানে নেই। তাই সুযোগ আসা মাত্র নতুন কাজে যোগদান করুন এমন হলে।

চাকরি বদলে মন্দ দিক:
যদি অনেকবার চাকরি বদলে ফেলেন আপনি। কর্মজীবনের তালিকায় আছে হরেক প্রতিষ্ঠানের নাম। কোথাও একটানা বেশিদিন স্থির ছিলেননা। এমতাবস্থায় আপনি ইন্টারভিউ দিচ্ছেন আর কর্তৃপক্ষ আপনাকে নিতেই ইতস্তত বোধ করছে আপনার স্বল্পমেয়াদী কর্মজীবনের তালিকা দেখতে দেখতে। চাকরিদাতার মনে এরকম ধারণা তৈরি হওয়া খুব একটা ভালো কিছু নয়। এটা আপনার ক্যারিয়ারে বাজে প্রভাব ফেলবে নিশ্চিতভাবেই। আর যেকোনো চাকরিতেই নতুন হওয়ার কারণে চাকরিচ্যুত হবার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়। যেকোনো কারণে একটা প্রতিষ্ঠানে কর্মী ছাঁটাই করা হলে নতুনরাই বাদ যায় বেশি। তো আপনি আবার চাকরি ছাড়ার আগেই হয়তো চাকরি আপনাকে ছেড়ে দেবে!

নতুন নতুন অফিসে বারবার নিজেকে  মানিয়ে নেয়া, সহকর্মীদের সঙ্গে ভালো একটা যোগাযোগ তৈরি করা, সহজ নয় এগুলো। আপনি একটা জায়গায় কয়মাস কাজ করে চাকরি ছেড়ে দিচ্ছেন, মানে নতুন মানুষগুলোর সঙ্গে ভালো সম্পর্ক তৈরি হতে না হতেই তাদেরকেও ছেড়ে যাচ্ছেন। তারপর যেখানে যাবেন, সেখানকার পরিবেশে অভ্যস্ত হওয়া আর সেখানে সহকর্মীদের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক তৈরি হওয়া, আরো অনেক সময় সাপেক্ষ। এরকম সবসময় চলতে থাকলে কর্মক্ষেত্র কখনোই আপনার জন্য সুখকর কিছু হবেনা। আপনাকেও সব জায়গায় সানন্দে গ্রহণ করা হবেনা।  

সোনালীনিউজ/ঢাকা/এসআই