মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর, ২০১৯, ৩০ আশ্বিন ১৪২৬

চামড়ার দাম নিয়ে কারসাজি রয়েছে কি না খতিয়ে দেখা হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ১৪ আগস্ট ২০১৯, বুধবার ০৭:৫৬ পিএম

চামড়ার দাম নিয়ে কারসাজি রয়েছে কি না খতিয়ে দেখা হচ্ছে

ঢাকা :  আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, কোরবানির পশুর চামড়া নিয়ে সিন্ডিকেট হয়েছে কিনা সেটি খতিয়ে দেখা হবে। সিন্ডিকেট করে চামড়ার দাম কারসাজি হয়ে থাকলে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বুধবার (১৪ আগস্ট) সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সম্মেলন কক্ষে ঈদ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন সড়ক পরিবহন মন্ত্রী।

এবারের কোরবানির ঈদের চামড়ার দাম অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে কম হওয়ায় চামড়া পানির দরে বিক্রি হয়েছে। কোথাও কোথাও চামড়া মাটি চাপা দেওয়া হয়েছে বলে খবরে এসেছে। সরকার এরইমধ্যে কাঁচা চামড়া রপ্তানির অনুমতিও দিয়েছে। চামড়ার দর অল্প হওয়ার পেছনে সিন্ডিকেট কাজ করছে বলে ব্যবসায়ী এবং বিএনপির অভিযোগ।

এই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, বাস্তবের চিত্রটা কী, সেটা আমার ভালোভাবে জানা নেই, যারা (ব্যবসায়ী) এর সঙ্গে জড়িত।

‘সিন্ডিকেটের বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে জানা দরকার, সিন্ডিকেটের একটা ব্যাপার আমাদের দেশে আছে। ফায়দা লোটার জন্য একটা মহল সিন্ডিকেট করে। সে ধরনের কিছু হয়েছে কিনা, সেটা খোঁজ-খবর নিয়ে জানাবো।’

আওয়ামী লীগের এক নেতার সিন্ডিকেট পরিচালনার বিষয়ে বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভীর অভিযোগ প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ঈদের পর মাত্র একদিন সময় গেলো। এ সময়তো পুরো বিষয়টা মূল্যায়ন করা সম্ভব নয়। আজও কোরবানি হচ্ছে, গতকালও হয়েছে, সবকিছু মিলিয়ে সামগ্রিকভাবে বিষয়টাকে মূল্যায়ন করতে হবে, যদি কোনো সিন্ডিকেটের কারসাজি হয়ে থাকে।

‘যিনি অভিযোগ করেছেন, তাকে বলুন তথ্য-প্রমাণসহ তাকে বলতে হবে কার কারসাজির জন্য চামড়া শিল্প ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। বিরোধী দলের একটা পুরনো অভ্যাসই হচ্ছে তাদের ঢালাও অভিযোগ করা। বাস্তবে তাদের ইতিবাচক কাজ নেই, তারা সবসময় নেতিবাচক বিষয়টাকে আঁকড়ে ধরে, সব সময় সরকারের সামান্য কিছু পেলেই তারা ঢালাও বিষদগার করতে থাকে। এটা বিরোধী দলের ঢালাও বিষদগার কিনা, এ বিষয় আমাদের ক্ষতিয়ে দেখা দরকার।’

২০ আগস্ট থেকে ট্যানারি অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে কাঁচা চামড়া কেনার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, অভিযোগের বিষয়টি পুরোপুরি ক্ষতিয়ে না দেখে কোনো মন্তব্য করা ঠিক হবে না। আরো দু’চারদিন গেলে সঠিক চিত্রটা বের করা সম্ভব হবে।  

‘অপরাধ অনুযায়ী এটার ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যায় যেই করুক এখানে জাতীয় অর্থনীতির স্বার্থ বিঘ্নিত হলে, জনস্বার্থ বিঘ্নিত হলে সেটা দেখা সরকারের দায়িত্ব। যদি এখানে অপরাধমূলক কোনো কাজ হয়ে এবং সেটি যেই করে থাকুক, যার কারসাজিতে হোক, সিন্ডিকেট হোক বা যেটাই হোক- এটা ক্ষতিয়ে দেখে এ ব্যাপারে একটা সিদ্ধান্ত নিতে হবে, অপরাধ অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।’

সোনালীনিউজ/এমটিআই

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Get it on google play Get it on apple store
Sonali Tissue