বুধবার, ২০ নভেম্বর, ২০১৯, ৬ অগ্রাহায়ণ ১৪২৬

জামায়াত নেতা আজহারের মৃত্যুদণ্ড আপিলেও বহাল

নিজস্ব প্রতিবেদক | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ৩১ অক্টোবর ২০১৯, বৃহস্পতিবার ০৯:৩০ এএম

জামায়াত নেতা আজহারের মৃত্যুদণ্ড আপিলেও বহাল

ঢাকা: মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম আজহারুল ইসলামকে (আজহার) ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ। 

বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বিভাগ এ রায় ঘোষণা করেন।

সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারকের রায়ে আজহারের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের আনা  ২, ৩ ও ৪ নম্বর অভিযোগে তার মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন। আপিল বেঞ্চের বাকি তিন সদস্য হলেন— বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, বিচারপতি জিনাত আরা ও বিচারপতি মো. নুরুজ্জামান।

এ বিষয়ে এ টি এম আজহারুল ইসলামের আইনজীবী শিশির মোহাম্মদ মনির রায় ঘোষণার পর সাংবাদিকদের বলেন, পুর্নাঙ্গ রায় প্রকাশের ১৫ দিনের মধ্যে আমরা রিভিউ আবেদন করব।

জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম আজহারুল ইসলামকে ফাঁসির দণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। একাত্তর সালে হত্যা, গণহত্যা, লুণ্ঠন ও অগ্নিসংযোসহ তিন অভিযোগে ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন আজহার। এই আপিলের ওপর উভয় পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষ হয় গত গত ১০ জুলাই  মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমান (সিএভি) রাখেন আপিল বিভাগ।

জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুলের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের ছয়টি অভিযোগের মধ্যে পাঁচটি অভিযোগ প্রমাণিত হয়। এর মধ্যে তিনটি অভিযোগে ফাঁসি, দু’টি অভিযোগে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা এবং একটি অভিযোগে তাকে খালাস দিয়ে রায় দিয়েছিলেন ট্রাইব্যুনাল। এক নম্বর অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে সেই অভিযোগ থেকে খালাস দেওয়া হয়। 

২, ৩ ও ৪ নম্বর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৫ নম্বর অভিযোগে ২৫ বছর এবং ৬ নম্বর অভিযোগে পাঁচ বছর কারাদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এ বছরের ১৮ জুন জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলামের আপিল শুনানি শুরু হয়। ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ২৮ জানুয়ারি খালাস চেয়ে আপিল করেন এ টি এম আজহার। এরপর দীর্ঘ চার বছর পর আপিলের শুনানি শুরু হয়।

সোনালীনিউজ/এমএএইচ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Get it on google play Get it on apple store
Sonali Tissue