শুক্রবার, ১৯ জুলাই, ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

জিতে গেলেন রাহুল গান্ধী

নিউজ ডেস্ক | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ০৯ মে ২০১৯, বৃহস্পতিবার ০৫:৩৫ পিএম

জিতে গেলেন রাহুল গান্ধী

ছবি সংগৃহীত

ঢাকা: কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর বিদেশি নাগরিক তার দু’টি মনোনয়ন পত্র বাতিল করা হোক। বিজেপি নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামীর অভিযোগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাঁকে একটি নোটিশ ইস্যু করেছিল। ওই নোটিশে রাহুল গান্ধীকে এবিষয়ে তাঁর অবস্থান ব্যাখ্যা করার জন্য ১৫ দিনের সময় দেওয়া হয়েছিল। বৃহস্পতিবার (৯ মে) ওই মামলার আবেদন খারিজ করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

লোকসভা নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশের আমেঠি এবং কেরালার ওয়াইনাড লোকসভা কেন্দ্র থেকে কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন রাহুল। নির্বাচন এগিয়ে আসতেই আচমকা রাহুলের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তিনি যদি ব্রিটিশ নাগরিক হয়ে থাকেন তাহলে এদেশের নির্বাচনে তিনি লড়তে পারবেন না। এটি আইন বিরোধী। রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে এমন মন্তব্যও উঠতে থাকে। অন্যদিকে, বিজেপি নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামীর দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে রাহুল গান্ধীকে নোটিসও পাঠায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এই ঘটনা গড়ায় আদালত পর্যন্ত।

বৃহস্পতিবার রাহুলের নাগরিকত্ব মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়েছে, রাহুল গান্ধী যে ভারতীয় নাগরিক নন এবং তিনি যে ব্রিটিশ নাগরিক সেটা আবেদনকারী কিভাবে জানলেন? একই সঙ্গে আদালত আরও জানিয়েছে, একটি কাগজের উপর ভিত্তি করে কখনও কোনও ব্যক্তির নাগরিকত্ব সম্পর্কে মন্তব্য করা উচিত নয়।

রাহুল গান্ধীর নাগরিকত্ব নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে একটি চিঠি পেশ করেন সুব্রহ্মণ্যম স্বামী। চিঠিতে জানানো হয়েছিল, ২০০৩ সালে ব্রিটেনে নথিকৃত একটি সংস্থার পরিচালকদের নামের মধ্যে রাহুল গান্ধীর নামও নাকি রয়েছে। ওই সংস্থা ২০০৫ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত যে বার্ষিক রিটার্ন জমা দিয়েছে, সেখানে রাহুল গান্ধীর নাম ব্রিটিশ নাগরিক হিসেবে উল্লেখ করা ছিল।

এই প্রসঙ্গ টেনেই সুপ্রিম কোর্ট বৃহস্পতিবার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এ ধরণের একটি কাগজ কখনও কোনও ব্যক্তির নাগরিকত্বের প্রমাণপত্র হতে পারে না। ফলে নাগরিকত্বের প্রশ্নে জিতে গেলেন রাহুল।

সোনালীনিউজ/ঢাকা/জেডআই

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Get it on google play Get it on apple store
Sonali Tissue