বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৪ আশ্বিন ১৪২৬

ডায়াবেটিসের ‌‘শত্রু’ যেসব খাবার!

লাইফস্টাইল ডেস্ক | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ১৪ নভেম্বর ২০১৭, মঙ্গলবার ০৩:০২ পিএম

ডায়াবেটিসের ‌‘শত্রু’ যেসব খাবার!

ঢাকা: বিশ্বব্যাপী ডায়াবেটিস একটি ‘জনপ্রিয়’ রোগ! এ রোগের নামের মধ্যেই আতঙ্ক জড়িয়ে আছে। সারা বিশ্বে বহু মানুষ এই রোগে আক্রান্ত। আর তাই এ রোগ থেকে বাঁচতে চান সবাই। 

এটাও সত্য যে, বেশ কিছু ভেষজ ও প্রাকৃতিক প্রতিকারের সাহায্যে এই রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। সেই সঙ্গে সঠিক চিকিৎসা ও খাদ্যাভাসও একান্ত জরুরি এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণে রাখাই সর্বোত্তম পস্থা। এ জন্য প্রয়োজন কঠোর নিয়মানুবর্তিতা। পাশাপাশি কিছু খাবারও ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সহায়তা করে।  

► প্রতিদিন ইচ্ছেমত ফল ও সবুজ সবজি খান। আর যেকোন ধরণের মিষ্টি খাবার এড়িয়ে চলুন। সবুজ শাক-সবজি সাধারণত ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়। পালং শাক, শালগম, ফুলকপি, বাঁধাকপি, লেটুস পাতা ইত্যাদি খাবারে ক্যালরি ও কার্বোহাইড্রেট (শর্করা)-এর পরিমাণ কম। ফলে এগুলো ডায়াবেটিস ঠেকাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।  

► ডায়াবেটিসের একটি অন্যতম ভেষজ প্রতিকার হচ্ছে রসুন। এই রসুনে অ্যালিসিন থাকে, যা রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়তে দেয় না।

► মাছের ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড ইনসুলিনের সংবেদনশীলতা বাড়ায়। ফলে ইনসুলিনের ক্রিয়াশীলতা বাড়ে। এটা গ্লুকোজের ঘনত্ব কমিয়ে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়। এছাড়া এতে রয়েছে চর্বিহীন প্রোটিন। এটাও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।

► টক দই, এমনিতেই স্বাস্থ্যকর খাদ্য হিসেবে বিবেচিত। এতে চিনির পরিমাণ খুবই কম। এটা রক্তে চিনির পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে।   নিয়মিত টক দই খেলে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করা সম্ভব।

► প্রতিদিন সকালে যদি ৫ থেকে ১০টি তাজা কারি পাতা খাওয়া যায়, তবে ডায়াবেটিস থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। টাটকা আমের পাতাকে এক গ্লাস জলে সেদ্ধ করে সারারাত রেখে দিন। পরদিন সকালে পাতা ছেঁকে সেই পানি খেলে ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি থাকে না।

► বাদাম ডায়াবেটিস প্রতিরোধে বেশ কার্যকর। চিনাবাদাম ডায়াবেটিসের ঝুঁকি প্রায় ২১ শতাংশ পর্যন্ত কমাতে পারে। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় ১ আউন্স আখরোট বা কাজুবাদাম রাখলে তা ডায়াবেটিস প্রতিরোধে ভালো কাজে দেয়। এছাড়া নিয়মিত বাদাম খেলে ডায়াবেটিসজনিত হৃদরোগের ঝুঁকিও কমে।

► গ্রিন টি বা সবুজ চা ইদানিং বেশ জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। ডায়াবেটিস প্রতিরোধেও এর ভূমিকা বেশ কার্যকর। এটা মানুষের শরীরে ইনসুলিনের মতো কাজ করে। অতিরিক্ত ওজন কমাতেও গ্রিন টি বেশ উপকারী।

► ডায়াবেটিস রোধে আরেক কার্যকরী উপাদান হচ্ছে কালো জাম। এটা খুবই উপকারি ফল। এই ফলটি শর্করাকে শ্বেতসারে রূপান্তরিত হতে বাধা দেয়।

সোনালীনিউজ/ঢাকা/জেডআরসি/এআই