মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২০, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

ডায়াবেটিস রোগীরা যেভাবে শরীরচর্চা করলে সুস্থ থাকবেন

নিউজ ডেস্ক | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ১২ মে ২০২০, মঙ্গলবার ১২:২৩ পিএম

ডায়াবেটিস রোগীরা যেভাবে শরীরচর্চা করলে সুস্থ থাকবেন

ঢাকা: ডায়াবেটিসের বড় সমস্যা হলো এটি সঙ্গে করে আরও অনেকগুলো রোগ বয়ে আনে। তাই যাদের ডায়াবেটিস আছে, তাদের সবকিছু রুটিনমাফিক হওয়া প্রয়োজন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী মেপে খাবার খাওয়া, ওষুধ সেবন, শরীরচর্চা এগুলো করতে হবে।

যদি মনে করেন নিয়মমাফিক খাবার ও ওষুধ খেলে ডায়াবেটিস থেকে সুস্থ থাকবেন তবে তা পুরোপুরি ঠিক নয়। আপনি যদি ডায়াবেটিসের রোগী হন তবে ওষুধের সঙ্গে নিয়মিত শরীরচর্চা না করলে অসুস্থ হয়ে পড়বেন। ডায়াবেটিস রোগীরা কীভাবে শরীরচর্চা করলে সুস্থ থাকবেন তা জেনে নিন-

ডায়াবেটিস থাকলে প্রতিদিন অন্তত আধা ঘণ্টা শরীরচর্চার প্রয়োজন। কোন ফর্মে করবেন, তা নির্ভর করবে আপনার উপর। তবে যদি শরীরচর্চার অভ্যাস না থাকে, তাহলে যেটা সবচেয়ে ভালো লাগে সেই কাজটা দিয়ে শরীরচর্চা শুরু করুন।

অনেকেই নাচতে ভালোবাসেন। দিনে আঘ ঘণ্টা নাচ প্র্যাকটিস করুন। ফর্মাল কোনো নাচ নয়। এমনকি আপনি কখনো নাচ না শিখলেও কোনো সমস্যা নেই। পছন্দের গান চালিয়ে তার তালে হাত, পা নাড়ান। বডি মুভমেন্ট করুন। এতেও আপনার ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে থাকবে। পাশাপাশি ভালো থাকবে মন। প্রতি সপ্তাহে পাঁচদিন এই অভ্যাস গড়ে তুলতে পারলে অন্য ফর্মে শরীরচর্চাও হবে, আবার শখ পূরণও সম্ভব। মনও ভালো থাকবে।

বাগান করার শখ থাকলে মন দিয়ে বাগান তৈরি করুন। গাছ লাগান। মাটি কুপিয়ে সার দিন। আপনার ডায়েবেটিস থাকলে বাগান করার মাধ্যমে দারুণ শরীরচর্চা করা সম্ভব। বিশেষজ্ঞদের মতে, বাগান করলে একই সঙ্গে অ্যারোবিক অ্যাকটিভিটি এবং স্ট্রেন্থ ট্রেনিং সম্ভব।

হাঁটার কোনো বিকল্প নেই। আর হাঁটার মতো শরীরচর্চা অন্য কোনো ফর্মে এত সহজে হয় না বলেই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। ডায়াবেটিস থাকলে হাঁটাটা রুটিনে পরিণত করুন। আপনার ব্যস্ত সময়ের মধ্যে সকালে আলাদা করে যদি সময় নাও পান, কোনও ক্ষতি নেই। লাঞ্চের পরে বা বিকেলে, যখনই সময় পাবেন হাঁটা অভ্যেস করুন।

ব্লাড সুগার লেভেল কন্ট্রোল করার জন্য স্ট্রেন্থ ট্রেনিং খুব গুরুত্বপূর্ণ। আপনি ওয়েট লিফ্টিং করতে পারেন। ডাম্বেল বা যেকোনো ভারী জিনিস নিয়ে বাড়িতেই এই অভ্যাস তৈরি করতে পারেন। এর জন্য আলাদা করে জিমে যাওয়ার প্রয়োজন নেই।

ডায়াবেটিস থাকলে যোগা অভ্যাস করতে পারেন। ব্লাড সুগার কন্ট্রোল, ওবেসিটি কন্ট্রোল, কোলেস্টরল ব্যালেন্সের মতো জরুরি প্রয়োজন মিটতে পারে যোগাতে। একই সঙ্গে হাড় শক্ত হবে, হাড়ের নমনীয়তা বাড়বে এবং ঘুম ভালো হবে।

সোনালীনিউজ/এইচএন