রবিবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৯, ৪ কার্তিক ১৪২৬

ডিআইজি মিজানের ঘুষকাণ্ড তদন্তে কমিটি গঠন

নিজস্ব প্রতিবেদক | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ১৮ জুন ২০১৯, মঙ্গলবার ১২:১০ পিএম

ডিআইজি মিজানের ঘুষকাণ্ড তদন্তে কমিটি গঠন

ঢাকা: পুলিশের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানের ঘুষ লেনদেনের বিষয়টি অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ জুন) সকাল ১০টা ২১ মিনিটে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি মিডিয়া সোহেল রানা।

পুলিশের এআইজি বলেন, ‘ঘুষ লেনদেনের বিষয়টি অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।‘

এর আগে অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদের অনুসন্ধানকালে দুদকের পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ দেওয়ার কথা বলেন পুলিশের ডিআইজি মিজানুর রহমান। এমনকি একটি অডিও রেকর্ডসহ খন্দকার এনামুল বাছিরকে ঘুষ প্রদানের চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস করেন। আর এতে নিজেই বিপাকে পড়েছেন তিনি।

ডিআইজি মিজানুর রহমান মিজান দাবি করেছেন, ওই অডিও ক্লিপের দুই ব্যক্তির মধ্যে একজন তিনি নিজে, অন্যজন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির।

তিনি অভিযোগ করেছেন, তার বিরুদ্ধে আনা অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগ তদন্তকালে ঘুষ বাবদ ৪০ লাখ টাকা নিয়েছেন এনামুল বাছির।

ডিআইজি মিজানের দাবি, গত ১৫ জানুয়ারি থেকে ২ মে পর্যন্ত দুই দফায় (প্রথমে ২৫ লাখ, পরে ১৫ লাখ) ঘুষের এই টাকা লেনদেন হয়েছে রমনা পার্ক এবং পুলিশ প্লাজায় অবস্থিত ডিআইজি মিজানের স্ত্রীর কাপড়ের দোকানে। তিনি বলেছেন, দুদকের ওই পরিচালক ৫০ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেছিলেন। এর মধ্যে অবশিষ্ট ১০ লাখ টাকা ছাড়াও তিনি তার সন্তানের স্কুলে আসা-যাওয়ার জন্য একটি প্রাইভেট কারও চেয়েছেন।

দুদকের ওই পরিচালক ঘুষের টাকা ব্যাংকে বেনামি অ্যাকাউন্টে রাখার চেষ্টা করছেন বলেও দাবি করেছেন বর্তমানে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত ডিআইজি মিজান।

তবে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগের বিষয়ে দুদকের অপরাধলব্ধ সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা ইউনিটের পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির বলেন, ‘তিনি (ডিআইজি মিজান) আমাকে জড়িয়ে এ ধরনের অভিযোগ করাই তো স্বাভাবিক! কারণ তদন্ত রিপোর্টে তার বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এতে ওনার খুশি হওয়ার কথা নয়, তাই না? মামলা করার প্রস্তাব করায় ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি হয়তো এমনটা করেছেন। এ ছাড়া আপনারা (মিডিয়াকর্মী) আগে থেকেই জানেন, উনি কোন প্রকৃতির লোক। ডিআইজি মিজান সাহেব যে অভিযোগ করছেন, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।


সোনালীনিউজ/ঢাকা/আকন