শুক্রবার, ০৬ ডিসেম্বর, ২০১৯, ২২ অগ্রাহায়ণ ১৪২৬

আইনী নোটিশ পেয়ে 

ডেঙ্গু রোগীর বাসায় ফল নিয়ে গেলেন সাঈদ খোকন

নিজস্ব প্রতিবেদক | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ১৩ জুলাই ২০১৯, শনিবার ০৮:০৫ পিএম

ডেঙ্গু রোগীর বাসায় ফল নিয়ে গেলেন সাঈদ খোকন

ঢাকা:  স্ত্রীর ডেঙ্গু ধরার পড়ার পর ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে নোটিশ দেয়ার পরই মেয়র সাঈদ খোকনের ছুটে আসেন রোগীর বাসায়। এসময় তিনি জানালেন, কাল থেকে প্রতিটি ওয়ার্ডে নামবে ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল টিম। 

বৃহস্পতিবারের অন্য যেকোনো দিনের তুলনায় রাজধানীর খিলগাঁও তিলপাপাড়া এলাকার বাসিন্দাদের সকালটা ছিল একটু অন্যরকম। ঘুম থেকে জেগে সড়কে নামতেই পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার তোড়জোড় দেখে অবাক অনেকেই। অন্যসময়ে যা কল্পনা করাই কঠিন। পরে জানা গেল মেয়রের আগমনে ওই সাজসাজ রব।

স্থানীয়রা জানান, অপরিষ্কারই থাকে, আজকেই শুধু পরিষ্কারের তোড়জোড় দেখাচ্ছে। সিটি করপোরেশনের লোকজন কোনোভাবে পরিষ্কার করে চলে যায়। আজ মেয়রকে দেখাতে কাজ করছে। মেয়রকে দেখানো শেষ হলেই রাস্তা আবারও নোংড়া হয়ে থাকবে।  বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে তিলপাপাড়ার একতা সড়কের ৮০৩ নম্বর বাসায় আসেন নগরপিতা। ফল নিয়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর শয্যাপাশে বসে চিকিৎসার সার্বিক খোঁজ-খবর নেন।

এদিকে, স্ত্রী সাদিকুর নাহারের ডেঙ্গু আক্রান্তের পর ব্যর্থতার জন্য সিটি করপোরেশনকে অভিযুক্ত করে স্বামী আইনজীবী তানজিম আল ইসলাম দাবি করেন ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ। ওই ঘটনার চারদিনের মাথায় মেয়রের ছুটে আসা।

এ বিষয় নিয়ে দক্ষিণ সিটি করপোরেশরনের মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, 'আমার একজন সম্মানিত নাগরিকের ডেঙ্গু হওয়ায় তার স্বামী উকিল নোটিশ পাঠিয়ে ক্ষতিপূরণ চেয়েছে। বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় রয়েছে। কিন্তু মেয়র হিসেবে আমার নাগরিক আমার উপর ক্ষুব্ধ হয়েছে বিষয়টি দেখতে আসা আমার নৈতিক দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। সেই দায়িত্ববোধ থেকে আমি চলে এসেছি।'

তিনি জানান, গত বছরের অক্টোবরে তানজিম নিজেও আক্রান্ত হন ডেঙ্গুতে। স্ত্রীকে মেয়র দেখতে আসায় খুশি হলেও নোটিশের বিষয়ে এখনো অনড়।

তিনি আরো বলেন, 'ক্ষতিপূরণের টাকার অঙ্ককে টাকা হিসেবে দেখলে হবে না। এটাকে প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে দেখতে হবে। সকলের প্রতিনিধি হিসেবে এটি একটি সচেতন প্রতিবাদের ভাষা।'

এদিকে, সরকারি হিসেবে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত তিনজন রোগীর মৃত্যুর কথা বলা হলেও মাঠের চিত্র বলছে ভিন্ন কথা। রোববার থেকে দক্ষিণের প্রতিটি ওয়ার্ডে ভ্রাম্যমাল মেডিকেল টিম কাজ করবে মেয়রের এ সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট নন এলাকাবাসী। প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধের নজর দেয়ার দাবি তাদের।

সোনালীনিউজ/এমএএইচ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Get it on google play Get it on apple store
Sonali Tissue