সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৩১ ভাদ্র ১৪২৬

তিন মাস পর কবর থেকে তোলা হলো সেই নওশিনের লাশ

আদালত প্রতিবেদক | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ০৭ আগস্ট ২০১৯, বুধবার ১২:৫২ পিএম

তিন মাস পর কবর থেকে তোলা হলো সেই নওশিনের লাশ

ঢাকা : দাফনের তিন মাস ১১ দিন পর উত্তোলন করা হলো বগুড়ার গৃহবধূ আনিকা নওশিন সারার মরদেহ।

মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) বিকেলে ঢাকা থেকে যাওয়া পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) একটি টিম পারিবারিক কবরস্থান থেকে মরদেহটি উত্তোলন করে।

কবর থেকে মরদেহ উত্তোলনের পর ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করার নির্দেশ দেন বগুড়ার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম। কবর থেকে মরদেহ উত্তোলনের সময় নিহতের স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন।

গত ২৬ মে রাতে রাজধানী ঢাকা নিউ ইস্কাটন এলাকায় নিজ বাসায় আনিকা নওশিনের গলায় ফাঁস দেয়া ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে স্বজনরা। স্থানীয় হাসপাতালে নেয়ার পর চিকৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পরে আইনি আশ্রয় না নিয়েই দ্রুত বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার নতুন বাজার এলাকার পারিবারিক কবরস্থানে আনিকা নওশিনের মরদেহের দাফন করা হয়। যে কারণে সে সময় মরদেহের কোনো ময়নাতদন্ত করা যায়নি।

ঘটনার চার দিন পর ৩১ জুন আনিকা নওশিনের বড় বোন নাজমুন নাহার বাদী হয়ে ঢাকার হাতিরঝিল থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আনিকার স্বামী শাকিল আদনানকে আসামি করে মামলা করেন।

মামলাটি সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা (উপ-পরিদর্শক) দেলোয়ার হোসাইন চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আনিকা নওশিনের মরদেহ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের আবেদন করেন। সে আবেদনে সাড়া দিয়ে মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনের আদেশ দেন আদালত।

জানা গেছে, ১০ বছর আগে খালাতো ভাই শাকিল আদনানের সঙ্গে বিয়ে হন আনিকার। ঢাকার ভাড়া বাসায় স্বামী-স্ত্রীতে প্রায়ই ঝগড়া হতো বলে জানিয়েছেন প্রতিবেশীরা। শাকিল আদনান একন মেরিন প্রকৌশলী। এ দম্পতির ঘরে আরাফাত (৭) ও সাদাত (৪) নামে দুই ছেলে রয়েছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (সিআইডি) উপ-পরিদর্শক দেলোয়ার হোসাইন জানান, ঠিক কোন কারণে নওশিনের মৃত্যু হয়েছিল তা জানতে মরদেহ কবর থেকে তোলা হয়েছে। আদালতের নির্দেশেই এমনটা করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টই পরই এটি হত্যা না আত্মহত্যা সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

সোনালীনিউজ/এমটিআই

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Get it on google play Get it on apple store
Sonali Tissue