বুধবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৯, ৭ কার্তিক ১৪২৬

থুবরে পড়ছে মায়াবতী!

মারুফ সরকার | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯, রবিবার ০৩:৪৯ পিএম

থুবরে পড়ছে মায়াবতী!

ঢাকা : শুক্রবার ২২ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় নুসরাত ইমরোজ তিশা অভিনীত ‘মায়াবতী’ সিনেমা। এতে তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন নবাগত ইয়াস রোহান।

শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ৩ টা ২০ মিনিট। রাজধানীর মতিঝিলে অবস্থিত মধুমতি সিনেমা হলে চলছে বাংলাদেশের ছোট ও বড় পর্দার জনপ্রিয় নায়িকা তিশা ও ইয়াশ রোহান অভিনীত ‘মায়াবতী’ ছবিটি। টিকেট কাউন্টারের সামনে যেতেই দেখা গেল ছবি দেখতে আসা একদল উৎসুক মানুষের জটলা। কেমন চলছে ‘মায়াবতী’ ছবিটি? সিঁড়ি বেয়ে হলটির উপরে গিয়ে যা জানা গেল, তা মোটামুটি সন্তোষজনক।

মধুমিতা সিনেমা হলের কর্মচারি রবিন বলেন, মোটামুটি চলছে। দুপুর সাড়ে ৩টার এই শোতে দর্শকের উপস্থিতি একেবারেই কম। তবে ৯০০ আসনের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশ দর্শকের উপস্থিতি আছে। বিকালের শোতে এটা মোটেও বেশি না।

সিনেমা হলের টিকেট চেকার বলেন, গতকাল থেকে সিনেমাটির দর্শক নেই। দর্শক ছবির পোস্টার দেখে চলে যাচ্ছেন কেউ ছবি দেখছেন না। নতুন নায়কের সিনেমা দেখতে চাচ্ছে না। এরা পুরান হলেও শাকিবরে ছবি চায় বেশি। শাকিব ছাড়া হলে দর্শক টানে না।

সিনেমা প্রেমী যিনি অনেকদিন হয় হলে গিয়ে ছবি দেখেন তিনি ‘মায়াবতী’  সিনেমাটি দেখেছেন। সিনেমাটি দেখে তিনি  জানান, আমার বয়স এখন ৫৬ বছর হয়েছে। বয়স অনেক হয়েছে আমার তবে আমার এই বয়সের মধ্যে যতছবি দেখেছি তার মধ্যে সবচেয়ে বাজে ছবির একটি ‘মায়াবতী’ । ছবিতে যে নায়ক সে তো বস্তাপঁচা অভিনয় করেছেন। নায়ক ছিলেন আলমগীর, জসিম, সালমান শাহ, মান্না এখন বর্তমানে শাকিব ছাড়া আর দেখি না। এখন নতুন নায়ক দিয়ে সিনেমা বানালে আমাদের সিনেমা ঠিকবে না। ভালো গল্প হলেও ভালো নায়ক না হলে সিনেমা চলবে না।

তিনি আরও বলেন, ইয়াশকে দর্শক টিভি অভিনেতা হিসেবে গ্রহণ করবে তবে বড় পর্দার নায়ক রুপে গ্রহণ করবে না। দর্শকরা বলাবলি করছিলো ইয়াশ নায়ক হিসেবে সফল হবেন না। তবে ক্যারিয়ারের জন্য তাকে নাটকে দর্শক পাবে।

নোয়ার আজাদ ফিল্মস ও অনন্য সৃষ্টি অডিও ভিশন প্রযোজিত ‘মায়াবতী’তে তিশা, রোহান ছাড়াও অভিনয় করেছেন ফজলুর রহমান বাবু, রাইসুল ইসলাম আসাদ, দিলারা জামান, মামুনুর রশীদ, নরেশ ভুঁইয়া, ওয়াহিদা মল্লিক জলি, আফরোজা বানু, অরুণা বিশ্বাস, আবদুল্লাহ রানা, তানভীর হোসেন প্রবাল, আগুন, মীমসহ অনেকে।

২ ঘণ্টা ২০ মিনিট ব্যাপ্তির এ ছবির গল্প গড়ে উঠেছে নারী পাচারকে ঘিরে। সমাজের পারিপার্শ্বিক অবস্থা চিত্রায়িত হয়েছে এ চলচ্চিত্রে। নিটোল প্রেমের গল্পের পাশাপাশি পরিচালক অরুণ চৌধুরী এতে সমাজের নানা অসংগতি তুলে ধরেছেন।

সোনালীনিউজ/এমটিআই