বুধবার, ২১ আগস্ট, ২০১৯, ৬ ভাদ্র ১৪২৬

ধর্ষণ শেষে বিবস্ত্র অবস্থায় দৌড় দিলেন ধর্ষক

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ১০ জুন ২০১৯, সোমবার ১০:৩২ পিএম

ধর্ষণ শেষে বিবস্ত্র অবস্থায় দৌড় দিলেন ধর্ষক

প্রতীক ছবি

সিরাজগঞ্জ: জেলার শাহজাদপুর উপজেলার কৈজুরি ইউনিয়নের জয়পুরা গ্রামের রিকশা চালক নুরুল ইসলামের বুদ্ধি প্রতিবন্ধী মেয়েকে একই গ্রামের আমিরুল ইসলামের কলেজ পড়ুয়া ছেলে আব্দুল মমিন মুন্না ফুসলিয়ে যমুনা নদীর ধারের কাঁশবনে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় রোববার (৯ জুন) দুপুরে ধর্ষিতার বাবা শাহজাদপুর থানায় আব্দুল মমিনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন। এ দিনই আদালতের নির্দেশে ধর্ষিতার মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে।

ধর্ষিতার মা মনোয়ারা বেগম জানান, গত ৭ জুন বিকেলে বাড়ির পাশের যমুনা নদীর ধারের চরা থেকে রত্মা ছাগল আনতে যায়। সেখানে আগে থেকে উপস্থিত মমিন তাকে ফুসলিয়ে পাশের কাঁশবনে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। বাড়ি ফিরতে দেরি দেখে নির্যাতিতার দাদি ফজিলা খাতুন ঘটনাস্থলে পৌছে তাকে বিবস্ত্র অবস্থায় উদ্ধার করে বাড়ি নিয়ে যান।

অপরদিকে লম্পট মমিন তার আগমন টের পেয়ে বিবস্ত্র অবস্থায় দৌড়ে পালিয়ে যায়। ওই রাতেই বিষয়টি গ্রাম প্রধানদের জানালে তারা শালিশ বৈঠকের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়।

ফলে নিরুপায় হয়ে তারা থানায় মামলা দায়ের করে। এ ঘটনার পর থেকে মমিন ও তার বাবা মা পলাতক রয়েছে। এ ব্যাপারে মমিনের ফুপু নাহার খাতুন ও চাচা খালিদ হাসান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমরা কিছু টাকা পয়সা দিয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে বিষয়টি মিমাংসার চেষ্টা করছি। আশা করি ২/৩ দিনের মধ্যে এটা নিষ্পত্তি হয়ে যাবে।

এ ব্যাপারে কৈজুরি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম বলেন, আসামি পক্ষ আমার কাছে এসেছিল। কিন্তু বাদী পক্ষ আসেনি। উভয়পক্ষ শালিশ বৈঠকে বসতে সম্মত হলে তাদের নিয়ে বসা হবে। এতে সমাধান না হলে আইন অনুযায়ী এর বিচার হবে।

এ ব্যাপারে শাহজাদপুর থানার ওসি আতাউর রহমান বলেন, মামলার তদন্ত চলছে। আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আশা করি অল্প সময়ের মধ্যে ধর্ষককে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে।

সোনালীনিউজ/এমএইচএম

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Get it on google play Get it on apple store
Sonali Tissue