শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৪ আশ্বিন ১৪২৭

নকলায় জনপ্রিয় হয়ে উঠছে সূর্যমুখী চাষ

নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ২৪ মার্চ ২০২০, মঙ্গলবার ০২:৪৮ পিএম

নকলায় জনপ্রিয় হয়ে উঠছে সূর্যমুখী চাষ

শেরপুর : শেরপুরের নকলায় প্রথমবারের মত সূর্যমুখী ফুলের আবাদ করা হয়েছে। চলতি রবি মৌসুমে উপজেলার ৩টি ইউনিয়নে প্রদর্শণী প্রকল্পের আওতায় প্রণোদনা কর্মসূচীর মাধ্যমে ৭ একর জমিতে ২০জন কৃষকের মাধ্যমে সূর্যমুখী ফুলের চাষ হয়েছে বলে উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে। এ সূর্যমুখী ফুলের আবাদ দেখতে প্রতিদিনই ভীড় জমাচ্ছে বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষ। চাষীরাও আর্থিক ভাবে লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন।

ভোজ্য তেলের আমদানি নির্ভরতা কমাতে সরিষা ও সূর্যমুখী চাষের উপর গুরুত্ব দিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার। এ কর্মসূচিতে দেশে তেলের চাহিদা পূরণ করতে সূর্যমুখী আবাদে কৃষকদেরকে উৎসাহ ও প্রণোদনা দিচ্ছে। এসব প্রণোদনায় কৃষকদের মাঝে উন্নত মানের বীজ, সার সহায়তা দেয়া হয়েছে।

উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা মশিউর রহমান বলেন, চন্দ্রকোনা ইউনিয়নের ব্লকে প্রশদর্ণী প্রকল্পের আওতায় কৃষকরা সূর্যমুখী ফুলের আবাদ করেছে। যার ফুল ও ফলন ভালো হওয়ায় অন্যান্য কৃষকরা বেশ আগ্রহ প্রকাশ করছে। আশা করি আগামীতে সূর্যমুখী আবাদ বৃদ্ধি পাবে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস জানায়, এ প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় নকলা উপজেলার চরঅষ্টধর ইউনিয়নে ৩ একর, চন্দ্রকোনা ইউনিয়নে ২ একর, পাঠাকাটা ইউনিয়নে ২ একর জমিতে প্রদর্শনীর মাধ্যমে এ সূর্যমুখী আবাদ করা হয়।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ পরেশ চন্দ্র দাস জানান, সূর্যমুখীর চারা রোপণের ১১৫ দিনের মধ্যে ফসল পাওয়া যায়। সূর্যমুখী ফুলের দানা থেকে ভোজ্য তেল উৎপাদন করা হয়। এছাড়াও সূর্যমুখী ফুলের বীজ সংগ্রহ করার পর গাছগুলো জমিতে পঁচিয়ে জৈব সার হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এতে জমির জৈবসারের ঘাটতি পূরণ হয়। অনেক কৃষক পরিবার তার দৈনন্দিন জীবনে রান্নার কাজের জ্বালানি হিসেবে সূর্যমুখীর খড়ি ব্যবহার করে থাকে। এতে করে জ্বালানি কাঠের ওপর নির্ভরশীলতা হ্রাস পাচ্ছে।

সোনালীনিউজ/এমটিআই