রবিবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৯, ৫ কার্তিক ১৪২৬

উন্নয়নের সারথি

নেতৃত্বের নৈপুণ্যে নন্দিত শেখ হাসিনা

এস এম মুকুল | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শনিবার ১২:১৩ পিএম

নেতৃত্বের নৈপুণ্যে নন্দিত শেখ হাসিনা

ঢাকা : ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা লাভের পর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে জাতির মননে স্বনির্ভরতার চেতনায় যে স্বপ্নের বীজ বুনে দিয়েছিলেন স্বাধীন বাংলাদেশের রূপকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট ইতিহাসের এক জঘন্য নারকীয় হত্যাকাণ্ডের মাধমে সেই স্বপ্নের অবসান হয়। তারপর থেকে উল্টোপথে হেঁটেছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর পথ দেখানো বাংলাদেশ।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আদর্শচ্যুত সেই বাংলাদেশের যাত্রাকাল ২১ বছরের মাথায় ১৯৯৬ সালে ক্ষমতাসীন হয় বঙ্গবন্ধু হাতে গড়া দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।

প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর পদ অলঙ্কৃত করেন শেখ হাসিনা। তাঁর নেতৃত্বে শুরু হয় পথ হারানো বাংলাদেশের সঠিক পথে ফেরার পালা। দীর্ঘ একুশ বছরের কণ্টকাকীর্ণ রাজনীতির ধূম্রজাল থেকে দেশকে আলোকিত পথের দিশা দেখানোর কাজটি সুকঠিন ছিল বৈকি। তবু অনড় ছিলেন অদম্য সাহসী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উল্লেখ্য, ১৯৮১ সালে শেখ হাসিনা স্বজন হারানোর বেদনা নিয়ে প্রিয় মাতৃভূমিতে প্রত্যাবর্তন করেই পিতা বঙ্গবন্ধুর গড়ে তোলা দলটির হাল ধরেন। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, অস্থিরতা আর জীবনের ঝুঁকি নিয়েই তিনি চষে বেড়িয়েছেন বাংলাদেশের গ্রামগঞ্জ, হাট-ঘাট আর মাঠ-ময়দান। দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে তিনি ছুটে গেছেন দেশের জনগণের কাছে। মানুষের দুঃখ-দুর্দশা, স্বপ্ন আর প্রত্যাশার কথাগুলো খুব কাছে গিয়ে শুনেছেন। দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রীতি ভালোবাসায় ধন্য হয়ে তিনি রচনা করেছেন উন্নত এক বাংলাদেশের রূপকল্প।

২০০৮ সালটি যেন বাংলাদেশের ভাগ্যচক্রে আশার আলো নিয়ে আসে। দূরদর্শী নেত্রী শেখ হাসিনা পিতার মতো ঠিক ধরতে পেরেছেন বাঙালি জাতির সাঁইকি। তাই তিনি ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন বীজ বুনে দিতে সক্ষম হন বাংলাদেশের জনগণের মানসপটে। ডিজিটাল বাংলাদেশ এবং যুদ্ধাপরাধের বিচার কার্যকরের সাহসী উদ্যোগ তরুণ সমাজের চেতনার স্ফুরণ ঘটায়। কেননা বাংলাদেশের মাটিতে যুদ্ধাপরাধের বিচার ও বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার কার্যকর হবে- এটা একটা দুঃস্বপ্ন ছিল।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর দূরদর্শী চিন্তা-চেতনায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সব ষড়যন্ত্র, বাধা অতিক্রম করে বিচার কার্যকর করে বিশ্বে অনন্য উদাহরণ স্থাপন করেন। জঙ্গিবাদ নির্মূলে শেখ হাসিনার গৃহীত পদক্ষেপ জিরো টলারেন্স এবং সুদৃঢ় অবস্থান বিশ্ব নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণের অন্যতম একটি কারণ। এজন্য তিনি জীবন বাজি রেখেছেন। নিজের জীবনকে তিনি উৎসর্গ করেছেন দেশ ও দেশের মানুষের প্রতি। দেশীয় এবং বিশ্ব ষড়যন্ত্রকে তিনি দূরদর্শিতা ও সাহসিকতার সঙ্গে মোকাবিলা করে নেতৃত্বের অনুপম আদর্শিক স্থান দখল করে নিয়েছেন।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে তিনি সাহসিকতা, উদারতা এবং মানবিকতার অনুপম দৃষ্টান্ত স্থাপন করে বিশ্ব নেতৃত্বের সমীহ অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন।

দেশের টাকায় পদ্মা সেতু নির্মাণ, মেট্রোরেল স্থাপন, ১০০টি স্থানে ইকোনমিক জোন, সমুদ্র বিজয় ও সমুদ্র অর্থনীতির সম্ভাবনা কাজে লাগানো, রেলের উন্নয়ন ও রাস্তাঘাটসহ অবকাঠামো নির্মাণ, নারীর ক্ষমতায়নে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন, স্বাস্থ্যখাতের উন্নতি, শিক্ষার হার বৃদ্ধি, মাতৃ মৃত্যুহার কমানো, গড় আয়ু বৃদ্ধি, খাদ্য ঘাটতির দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন, ফরেন রিজার্ভ বৃদ্ধি, রপ্তানি খাত ও আয় বৃদ্ধি, তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে ডিজিটাল বিপ্লব প্রভৃতি কর্মযজ্ঞের মাধ্যমে দেশকে তিনি স্বল্প সময়ে মধ্য আয়ের দেশে উন্নীত করতে সক্ষম হয়েছেন। তার নেতৃত্বে দূরদর্শিতার স্বীকৃতি ও প্রশংসায় অভিষিক্ত হচ্ছে আমাদের বাংলাদেশ। এই বাংলাদেশ এখন আর সেই বাংলাদেশটি নেই।

বাংলাদেশ এখন রূপকল্প ২০২১ সালের সুবর্ণজয়ন্তীতে স্বনির্ভর ও সমৃদ্ধির উদযাপনের জন্য প্রস্তুত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত রূপকল্প ২০৪১-এ উন্নত বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির মননে উন্নত বাংলাদেশের স্বপ্নের বীজ বপন করে দিয়েছেন। সেই স্বপ্নের বিভোর বাংলাদেশ আজ উন্নত বাংলাদেশের সোপানে পথ চলছে। তাই আমরা সহজভাবে বলতে পারি, বাংলাদেশের স্বাধীনতার রূপকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং উন্নত বাংলাদেশের রূপকার জননেত্রী শেখ হাসিনা। তিনি প্রথমে ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নে উজ্জীবিত করেছেন জাতিকে।

বাংলাদেশ এখন মোবাইল, ইন্টারনেট, অনলাইন, ইউটিউব, ফেসবুক, লিঙ্কড ইন, টুইটারসহ সব প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিশ্বের সঙ্গে তালমিলিয়ে চলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। এখন হাতে হাতে মোবাইল। কৃষক, শ্রমিক কেউ বাদ যায়নি। এসবের মাধ্যমে বেড়েছে কর্মক্ষেত্র, বেড়েছে আর্থিক তৎপরতা।

উন্নত দেশ গড়ার স্বপ্নে বাংলাদেশের অগ্রগতি ধারাবাহিকতায় নিষ্ঠার সঙ্গে দেশ ও মানুষের উন্নয়নের কাজে নিজেকে সমর্পণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার সফল নেতৃত্বের পাল্লাটি কেবলই ভারী হচ্ছে। আন্তর্জাতিক দুনিয়া মহামানবী হিসেবে তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ।

বিশ্বের বিভিন্ন সংস্থা, রাজনৈতিক নেতারা ও গণমাধ্যম বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নানা উপাধিতে ভূষিত করেছেন। তার নেতৃত্বে উন্নয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে রোল মডেল হিসেবে অনুসরণের বিষয় বিশ্বময় ব্যাপক আলোচিত।

আন্তর্জাতিক উন্নয়ন ও সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের চলমান অগ্রযাত্রার ভূয়সী প্রশংসা করে বলছেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ দ্রুত সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজের বিচক্ষণতা আর দূরদর্শিতা প্রমাণে শুধু দক্ষিণ এশিয়ারই নন, বিশ্বের অন্যতম শক্তিধর ও জনপ্রিয় নেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন। তারই নেতৃত্বে বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশ এখন উন্নয়ন আর অগ্রগতির রোল মডেল।

বাংলাদেশের সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাফল্যের তালিকা দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। বিশ্বের সৎ পাঁচজন সরকারপ্রধানের তালিকায় রয়েছেন তিনি। বিশ্বের ১০০ ক্ষমতাধর নারীর তালিকায় আছে তার নাম। বিশ্বে ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় শেখ হাসিনার নাম রয়েছে।

একজন নারী হয়েও দক্ষিণ এশিয়ায় তার নেতৃত্ব ও রাজনৈতিক সাফল্য এখন বহুল আলোচিত। শুধু বাংলাদেশ বা উপমহাদেশে নয়, রাজনৈতিক  নেতৃত্বগুণে সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে উঠে এসেছেন তিনি। এই অবস্থানে যেতে তাকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে শক্তিশালী নেতিবাচক চক্রের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হয়েছে। সাম্রাজ্যবাদ ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সাহসী ভূমিকা নিতে হয়েছে। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নামতে হয়েছে।

দেখা গেছে, উন্নয়নশীল দেশগুলোর স্বার্থ রক্ষা করার জন্য শেখ হাসিনার ভূমিকা ও নেতৃত্ব এখন আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হচ্ছে। আঞ্চলিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় তার সাফল্যের জন্য তিনি শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে সংগ্রামের জন্য তিনি পেয়েছেন ‘চ্যাম্পিয়নস অব দ্য আর্থ’ পদক। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিশ্বভারতী  থেকে  পেয়েছেন ‘দেশিকোত্তম’ পদক।
বিশ্বের বিভিন্ন সংস্থা শেখ হাসিনাকে ‘বিশ্বমানবতার বিবেক’, ‘ক্যারিশমেটিক লিডার’, ‘প্রাচ্যের নতুন তারকা’, ‘বিশ্বের নেতা’, ‘বিশ্বশান্তির দূত’, ‘নারী অধিকারের স্তম্ভ’, ‘মানবিক বিশ্বের প্রধান নেতা’, ‘বিশ্বমানবতার আলোকবর্তিকা’ প্রভৃতি উপাধিতে ভূষিত করেছে। এছাড়া কর্মদক্ষতা ও মহানুভবতার জন্য শেখ হাসিনা বিশ্ববাসীর কাছ থেকে অসংখ্য পদক ও সম্মাননা পেয়েছেন। তার উল্লেখ না করলেও চলে।

শেখ হাসিনা একটি নাম- সাহসী, বলিষ্ঠ নেতৃত্বের অনন্য উদাহরণ। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, দক্ষিণ এশিয়ায় অন্য নারী নেত্রীরা যা পারেননি, বাংলাদেশে শেখ হাসিনা তা পেরেছেন। তিনি পিতার ঘাতকদের বিচার এবং দণ্ড নিশ্চিত করেছেন। যার দৃষ্টান্ত ইতিহাসে প্রায় বিরল। তিনি দুস্তর বাধা অতিক্রম করে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করেছেন। বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বিপদ ঘনিয়েছিল আইএসের মুখোশ ধারণ করে একদল ধর্মান্ধ সন্ত্রাসীর বাংলাদেশে সন্ত্রাস সৃষ্টি।

ব্লগার হত্যা থেকে শুরু করে রেস্টুরেন্টে, ঈদগাহে হামলা, সংখ্যালঘু হত্যা ইত্যাদি দ্বারা বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ধ্বংস করার ভয়াবহ চেষ্টা হয়েছিল। হাসিনা সরকার তা দমন করেছেন। দূরদৃষ্টিসম্পন্ন, সৎ ও সাহসী নেতৃত্বের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘নারীর অধিকার ও ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার স্তম্ভ’ বলে আখ্যায়িত করেছেন কানাডার আন্তর্জাতিক উন্নয়নমন্ত্রী মেরি ক্লড বিবেউ। দক্ষিণ এশিয়াভিত্তিক বিখ্যাত সংবাদপত্র ‘Dissdash’ তাদের সমীক্ষায় শেখ হাসিনাকে ‘দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় চমৎকার ব্যক্তিত্ব’ হিসেবে অভিহিত করেছে। বর্তমান বিশ্বে এশিয়ার সবচেয়ে ক্ষমতাধর রাজনৈতিক নেত্রী হচ্ছেন শেখ হাসিনা।  

এশিয়ার চীন, হংকং, মিয়ানমার ও বাংলাদেশের পাঁচজন রাজনৈতিক নারী নেত্রীর কর্মকাণ্ড তুলে ধরে আন্তর্জাতিক টিভি চ্যানেল ডিসকভারি ডিকোড ‘এশিয়ান ফাইভ মোস্ট পাওয়ারফুল উইমেন ইন পলিটিকস’ শীর্ষক সচিত্র প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করেছে এশিয়ার নারী নেত্রীদের মধ্যে শেখ হাসিনাকে তালিকার প্রথমেই স্থান দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একজন ‘সমস্যার সমাধানদাতা’ বা ‘প্রবলেম সলভার’ হিসেবে প্রশংসিত হয়েছেন।

জাপানভিত্তিক সংবাদপত্র নিক্কেই এশিয়ান রিভিউ এক প্রতিবেদনে বলেছে, শেখ হাসিনা অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও কঠোর কর্তৃত্ব দিয়ে নিজের দেশের বিরোধী পক্ষকে যেমন উড়িয়ে দিয়েছেন, তেমনি পূর্ব ও পশ্চিম উভয় বিশ্বে নিজের অবস্থানকে আরো দৃঢ় করে নিয়েছেন তিনি। সত্যিই শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সমৃদ্ধির সোপানে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ। সামাজিক এবং মানব উন্নয়নের অনেক সূচকেই বাংলাদেশ এখন এগিয়ে যাচ্ছে। তাই বাংলাদেশের জনগণের প্রত্যাশা, উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার জন্যও শেখ হাসিনার নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা খুবই প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে।

জাতির মননে এখন উন্নত বাংলাদেশের বাসিন্দা হওয়া স্বপ্ন। আর এই স্বপ্নের রচয়িতা বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। দেশবাসীর প্রত্যাশা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হবে তারই সুযোগ্য কন্যা উন্নত বাংলাদেশের রূপকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বেই। এজন্যই বোধহয় জনগণের হূদয়ের প্রত্যাশার আলো উদ্ভাসিত বাংলাদেশের স্বপ্নযাত্রায় অকুণ্ঠ উচ্চারণ- ‘যতদিন তোমার হাতে রবে দেশ আর পথ হারাবে না বাংলাদেশ’। জয়তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আপনি দীর্ঘজীবী হোন।

লেখক : বিশ্লেষক ও উন্নয়ন গবেষক


*** প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব ভাবনার প্রতিফলন। সোনালীনিউজ-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে লেখকের এই মতামতের অমিল থাকাটা স্বাভাবিক। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য সোনালীনিউজ কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না। এর দায় সম্পূর্ণই লেখকের।