মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর, ২০১৯, ৩০ আশ্বিন ১৪২৬

নড়াইলের স্বার্থে এবার তিন মন্ত্রণালয়ে মাশরাফি

ক্রীড়া প্রতিবেদক | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ০৯ এপ্রিল ২০১৯, মঙ্গলবার ০৯:২৯ পিএম

নড়াইলের স্বার্থে এবার তিন মন্ত্রণালয়ে মাশরাফি

ছবি সংগৃহীত

ঢাকা: কিছু দিন আগেও নিজের এলাকার জন্য বরাদ্দ পেতে বেশ কয়েকটি মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলেন নড়াইল-২ আসনের সাংসদ ও বাংলাদেশ ওয়ানডে দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। এবার তিনি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, ধর্ম মন্ত্রণালয় ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে গেলেন।

মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) বিকেলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য সৌমেন চন্দ্র বসু তার ফেসবুক আইডিতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক ও ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, পানি সম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীমের সঙ্গে মাশরাফির সাক্ষাতের ছবি আপলোড করেন।

নড়াইল সদর ও লোহাগড়া উপজেলা নিয়ে নড়াইল-২ আসন গঠিত। নড়াইলের প্রায় ৭ লাখ মানুষের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের দ্বারস্থ হন সাংসদ মাশরাফি।

এছাড়া নদী ভাঙন রোধে পানি সম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীমের কাছে যান মাশরাফি। এ সময় এই বর্ষা মৌসুমের আগেই নদী ভাঙন রোধে পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান এনামুল হক শামীম। এছাড়া ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে যে কোনো সহযোগিতার আশ্বাস দেন প্রতিমন্ত্রী।

মাশরাফির সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য সৌমেন চন্দ্র বসু।

পানি সম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম বলেন, ‘মাশরাফি রাজনীতিতে এসে রাজনীতির রং বদলে দিয়েছেন। আমরা বক্তৃতায় আপনার গল্প বলি যেমন-নিউজিল্যান্ডে আপনি বলেছিলেন আমি পায়ের কথা চিন্তা করি না, আমি খেলি আমার দেশের পতাকার জন্য। আপনার মতো মানুষ রাজনীতিতে এসেছে এটা খুবই সৌভাগ্যের। নড়াইল জেলার নদী ভাঙন রোধে এখনই ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বলেন, ‘তুমি (মাশরাফি) আমার এখানে এসেছ আমি খুব খুশি হয়েছি। তোমার এলাকার ধর্মপ্রাণ মানুষের জন্য যা যা করার প্রয়োজন, সব আমি নিজ দায়িত্বে করে দেব।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক নড়াইল-২ আসনের সাংসদ মাশরাফির উদ্দেশে বলেন, ‘আপনার সকল আবেদন আমি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি।’

এ সময় মাশরাফি বলেন, ‘আমার নড়াইলের অধিকাংশ লোক নিম্ন আয়ের। তারা তাদের মৌলিক চাহিদা স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। নড়াইল সদর ও লোহাগড়া হাসপাতালে চিকিৎসকের অভাব, পরিচ্ছন্ন কর্মীর অভাব, ভালো ভবন নেই, প্রসূতি মায়েরা সেবা পাচ্ছে না, মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে অ্যাম্বুলেন্স নেই।’ এ সময় আরও বহু সমস্যার কথা শুনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

গত ২ এপ্রিল শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মনি, স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্যের সঙ্গে দেখা করে নড়াইলে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম এবং বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণসহ শিক্ষার বিভিন্ন দাবি নিয়ে দেখা করেন।

সোনালীনিউজ/আরআইবি/জেডআই