শুক্রবার, ০২ অক্টোবর, ২০২০, ১৬ আশ্বিন ১৪২৭

মেজর সিনহা হত্যা মামলা

প্রদীপ-লিয়াকতসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

আদালত প্রতিবেদক | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ০৬ আগস্ট ২০২০, বৃহস্পতিবার ১২:৩৮ পিএম

প্রদীপ-লিয়াকতসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

ফাইল ছবি

ঢাকা : কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের গুলিতে নিহত সাবেক সেনা কর্মকর্তা সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় টেকনাফ থানার প্রত্যাহারকৃত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

রাশেদ খানের বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস বাদী হয়ে বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে ওসি প্রদীপসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। টেকনাফের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক তামান্না ফারাহর আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়।

আদালত মামলাটি টেকনাফ থানাকে এজাহার হিসেবে গ্রহণ করতে বলেন। এছাড়া মামলার তদন্ত করতে র‍্যাবকে নির্দেশ দেন আদালত।

কক্সবাজার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশেক ইলাহী শাহজাহান নূরী বলেন, টেকনাফের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক তামান্না ফারাহর দেওয়া আদেশের কপি, সংশ্লিষ্ট ডকুমেন্টসসহ টেকনাফ মডেল থানায় প্রেরণ করা হয়। মোহাম্মদ ফারুক নামে আদালতের একজন বাহককে দিয়ে বুধবার রাত পৌনে ৯টার দিকে আদালতের পরোয়ানার আদেশসহ অন্যান্য কাগজপত্র টেকনাফ মডেল থানায় পৌঁছানো হয়।

স্বেচ্ছায় অবসরে যাওয়া মেজর সিনহা হত্যার মামলাটি টেকনাফ মডেল থানায় বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে রুজু করা হয়। রুজু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মামলার এজাহারভুক্ত সব আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে।

পরোয়ানা জারি হওয়া আসামিরা হলেন- টেকনাফ থানা থেকে প্রত্যাহার হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, বাহারছড়া শামলাপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের প্রত্যাহারকৃত পরিদর্শক লিয়াকত আলী, উপপরিদর্শক (এসআই) নন্দলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল আবদুল্লাহ আল মামুন, এএসআই লিটন মিয়া, এসআই টুটুল, কনস্টেবল মো. মোস্তফা। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়া আসামিরা আগের কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার হয়ে এখন পুলিশ লাইনে সংযুক্ত রয়েছেন।

গত ৩১ আগস্ট খুন হওয়া মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) রাশেদ খানের বড়বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস বাদী হয়ে বুধবার সকালে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় মেজর সিনহার সঙ্গী ও ৩১ জুলাইয়ের ঘটনায় টেকনাফ পুলিশের দায়ের করা মামলার আসামি সাহেদুল ইসলাম সিফাতসহ ১০ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

সোনালীনিউজ/এমটিআই

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Get it on google play Get it on apple store
Sonali Tissue